পতিতার সঙ্গে সম্পর্ক বৃটিশ মন্ত্রীর

প্রকাশিত: 2:40 PM, April 13, 2016

বিবিসি:পতিতার সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেছেন ব্রিটিশ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জন হুইটিঙ্গডেল। এ বিষয়ে তিনি একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

তাতে বলেছেন, যখন ওই নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল তখন তিনি যে দেহব্যবসা করেন তা তিনি জানতেন না। যখন তিনি জানতে পেরেছেন ওই নারী তাদের মধ্যকার সম্পর্কের কাহিনী মিডিয়ার কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করছিলেন, তখনই তিনি তার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করেছেন। এতে মন্ত্রী হুইটিঙ্গডেলের বর্তমান পদের ওপর কোন আঘাত আসবে বলে মনে করেন না তিনি।

বিবিসির খবরে বলা হয়, হুইটিঙ্গডেল মন্ত্রী হওয়ার আগে ওই নারীর সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তখন তিনি ছিলেন কমন্স কালচার, মিডিয়া অ্যান্ড স্পোর্টস কমিটির চেয়ারম্যান।

হুইটিঙ্গডেল বলেছেন, একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রথম আমার সাক্ষাত ঘটে এক নারীর। তার সঙ্গে ২০১৩ সালের আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারীর বয়স ছিল আমার কাছাকাছি এবং তিনি বসবাস করতেন আমার অদূরেই। তার আসল পেশা কি তা বোঝার মতো কোন সময় পাইনি।

যখন কেউ একজন আমাকে বললেন যে, আমার সম্পর্কে এক নারী ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোর কাছে তার কাহিনী বিক্রির চেষ্টা করছে তখনই আমি বিষয়টি বুঝতে পারি। যখনই তা বুঝতে পারি তখনই সেই সম্পর্ক খতম করে দিই।

এটা এখন পুরনো কাহিনী। ওই সময়ের জন্য ঘটনাটি ছিল বিব্রতকর। আমি বর্তমানের পদ অর্থাৎ মন্ত্রী হওয়ার অনেক আগে ঘটেছিল এসব ঘটনা। আমাকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী করা হয়েছে। এতে ওই ঘটনার কোনই প্রভাব নেই।

উল্লেখ্য, হুইটিঙ্গডেলের এ কাহিনী নিয়ে তদন্ত করেছে চারটি পত্রিকা। এগুলো হলো দ্য পিপল, দ্য মেইল অন সানডে, দ্য সান এবং দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

তবে এ কাহিনী প্রকাশ হওয়ার পর হুইটিঙ্গডেলকে সমর্থন দিচ্ছেন অনেকে। তার মধ্যে আছেন হ্যাকড অফ প্রচারণা গ্রুপের ব্রায়ান ক্যাচকার্ট। তিনি বলেছেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর মিডিয়ার প্রতি দায়িত্ব রয়েছে। তিনি অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যাকে স্বাগত জানিয়েছে মিডিয়া।

 

সর্বশেষ সংবাদ