গাংকুল পঞ্চগ্রাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্নে নানা চক্রান্ত

প্রকাশিত: ৪:৪৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১১, ২০১৭

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক:  মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গাংকুল পঞ্চগ্রাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।  বড়লেখা উপজেলার ঐতিহ্যবাহি গাংকুল এলাকায় অবস্থিত এক বিদ্যাপীঠ। সাড়ে ৮ শত (৮৫৭) শিক্ষার্থীর কলকাকলীতে মুখর এক শিক্ষালয়। ২০ জন মানুষ গড়ার কারিগরের নিয়ত সংগ্রাম চলছে এ প্রতিষ্ঠানে। সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠান।

এসএসসি তে চারবার একাধারে শতভাগ ফলাফল অর্জনকারী জেলার এই শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান  স্বার্থান্বেষী মহলের ছোবলে আক্রান্ত। ফলে  ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষাকার্যক্রম । উদ্বেগ উৎকন্ঠায় শিক্ষক অভিভাবক ।

প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী অভিভাবক ও শিক্ষকরা মনে করছেন, ১৫ বছরের মধ্যে বিদ্যালয় টি জেলার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন স্বার্থান্বেষী মহল মেনে নিতে পারছেনা।   তাই ‘তিলকে তাল করে’ প্রতিষ্টানের সুনাম ক্ষুন্নে উঠে পড়ে লেগেছে।

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার গাংকুল পঞ্চগ্রাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টি ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্টার পর থেকে বর্তমান প্রধান শিক্ষক আশরাফ হায়দারের নেতৃত্বে একঝাঁক  তরুন শিক্ষক নিরলসভাবে  শিক্ষা ও পাঠদান কাযক্রম চালিয়ে আসছেন। একই সাথে পরিচালনা কমিটির সুষ্টু  পরিচালনায় বিদ্যালয়টি ক্রমাগত সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উঠছে।পড়াশুনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙখলা বোধ,দেশপ্রেম এবং সর্বোপরী আদর্শ মানুষ গড়ার কাজে শিক্ষকবৃন্দ এবং পরিচালনা কমিটি যুগপৎভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক আশরাফ হায়দার প্রভাতবেলাকে বলেন,  বিদ্যালয়ের শৃঙখলা বজায় রাখতে কঠোর নজর দারী রাখা হয়। আমরা মনে করি, সঠিক নিয়ম নীতিই উজ্জ্বল সফলতার চাবি কাঠি।

তিনি বলেন,অতি সম্প্রতি ৪/৫ জন ছাত্র মার্চ মাস পর্যন্ত তাদের স্কুল ড্রেস না থাকায় এবং তারা এই স্কুলে ৩/৪ বছর ধরে পড়াশুনা করার পরও তাদের আচরণের পরিবর্তন না হওয়ায় তাদের কে সংশোধনের কড়া নির্দেশনা দেয়া হয়। পরের দিন থেকেই ঐ সব শিক্ষার্থী সঠিক ভাবে ড্রেস পরে স্কুলে আসে।

আশরাফ হায়দার ক্ষোভ বলেন,  স্বার্থান্বেষী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে গিয়ে স্কুল টির  সুনাম ক্ষুন্নের খেলায়  মেতে উঠেছে। কথিত এ অভি্যোগকারী কোন শিক্ষার্থীর অভিভাবকই নন। তিনি বলেন, আমার (প্রধান শিক্ষকের) বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ উঠেৃছে তা সম্পুর্ণ  মিথ্যা,বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।

২/১ টি অনলাইন পোর্টালে অসত্য প্রতিবেদন প্রকাশ প্রসংগে বড়লেখার সিনিয়র সাংবাদিকরা প্রভাতবেলাকে জানান, আসলেই স্কুলটি একটি ভাল প্রতিষ্ঠান। তবে প্রধান শিক্ষক স্থানীয় এক সাংবাদিককে খেপিয়ে তোলায় এরা রিপোর্ট করছে।

মুঠোফোনে কোন প্রতিষ্ঠানের তথ্য নেয়ার বিধান তথ্য অধিকার আইনে নেই এ তথ্যটাও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নামধারীদের জানা নেই। প্রভাতবেলা’র অনুসন্ধানে জানা গেছে এমন সাংবাদিক নামধারীদের অন্ধকার জগতের নানা কাহিনী।

প্রসংগত, প্রধান শিক্ষক আশরাফ হায়দার শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক ২০০৩ সালে সিলেট বিভাগের “শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক ” এবং২০১৬ সনে বড়লেখা উপজেলার  “শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক “হিসাবে স্বীকৃতি এবং সনদ লাভ করেন।

গাংকুল পঞ্চগ্রাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্জন অবদান নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আসছে, চোখ রাখুন প্রভাতবেলায়।

সর্বশেষ সংবাদ