ফেঞ্চুগঞ্জের সেবুলের লাম্প্যটের ছবি ফাস

প্রকাশিত: ২:০৭ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০১৭

এমরান আহমেদ ফেঞ্চুগঞ্জ :পরকিয়ার টানে স্ত্রীকে তালাবদ্ধ করে শারীরিক নির্যাতনের মূল হোতা স্বামী সেবুল মিয়ার লাম্প্যটের ছবি ফাস।এক এক করে দুই বউকে তাড়িয়ে দিয়ে সেবুল মিয়া যখন তৃতীয় বিয়ে করলো তখন ও সে গরীব ছিলো।তৃতীয় স্ত্রী সাথী বেগম (২৬) এর দেশের বাড়ি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানায়।তার সাথে সেবুল মিয়ার পরিচয় হয় দুবাইয়ে।সাথী বেগমের আয়-উপার্জনে প্রলুব্ধ হয়ে সেবুল তার টাকা আত্নসাজতের জন্য সাথীকে বিয়ে করে।

বিয়ের পর সাথীকে নিয়ে দেশে আসলে সাথীর টাকায় সেবুল বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে রাজকীয় হালে বসবাস শুরু করে।যখন বাড়ি ঘর বানানো শেষ হয় তখন থেকে সেবুল এবং তার পরিবার সাথীর উপর শারীরিক, মানসিক এবং যৌন অত্যাচার শুরু করে।

উল্লেখ্য ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৩নং ঘিলাছড়া ইউনিয়নের মধ্য যুদিষ্টিপুর গ্রামের মারফত আলীর প্রবাসী ছেলে সেবুল মিয়ার নির্দেশে গতকাল বিকেল ৩টার সময় শশুর শাশুড়ি বর্বর নির্যাতন করে বাসার ফটকে দুইটি তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। সাথি বেগমের আর্ত চিৎকারে প্রতিবেশীরা এলেও উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশের দুইটি দল দীর্ঘ চেষ্টায় সাথি বেগমের দেবরকে ধরে তালা খোলার ব্যবস্থা করে।

রবিবার রাত ১০টার দিকে আহত ও আতংকিত সাথি বেগমকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সাথির স্বামী সেবুল মিয়া গোপনে তিন বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রী কুলাউড়ার সাদিপুরের সিরিজা বেগম। দ্বিতীয়জনের নাম পাওয়া যায়নি, আর তৃতীয় শিকার সাথি বেগম আর বর্তমানে চলছে পরকিয়া প্রেম, নাম রিপা আক্তার (২৫) বাড়ি সিলেট, আর সেই প্রেমের জের দরে, সাথী বেগমের উপর অমানবিক নির্যাতন।

এর আগেও বহুবার এরকম ঘটনা সাথী বেগমের সাথে ঘটে।

সেবুলের ছোট ভাই লিপন বিভিন্ন সময় সাথীকে ধরপাকড় সহ যৌন হয়রানী করতো বলে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে।

আগের দুই বউয়ের মত তৃতীয় বউ সাথী বেগমকে তাড়ানোর জন্য সেবুলের এই কর্মকাণ্ড এলাকাবাসী অবগত আছেন।।

উদ্ধারকারী কর্মকর্তা এস আই অমৃত কুমার দে প্রভাতবেলাকে জানান আমরা উদ্ধার করেছি, এবার আমরা অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।।

সর্বশেষ সংবাদ