,

জিন্দা পার্কে ক্রীড়া সাংবাদিক পরিবারের মিলন মেলা

মাকসুদা লিসা,ঢাকা: ঢাকার আশে-পাশে এত চমৎকার পরিবেশ। এত খোলা-মেলা জায়গা। এতটা প্রাকৃতিক আবহ। মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল বিশাল গাছের সাড়ি। পাখির কলতান। আহা ! কি যে, মন ভরানো মাতাল হাওয়া। শীতলটায় প্রাণে লাগে ঢোলা। লেকের স্বচ্ছ জল। নান্দনিক স্থাপনা শৈলী । নিপুণ কারিগরের দক্ষ হাতের ছোঁয়া। মাটির ঘর, বাঁশ ঝার ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পুরো পার্ক জুড়ে। এত বড় পার্ক । অথচ কোথাও কোন বিশৃঙ্খলার লেশ মাত্র নেই। যে যার মত প্রবেশ করছেন। বেড়িয়ে যাচ্ছেন।  ব্যক্তি, কিংবা বড় কোন পিকনিকে যাওয়া দল। ছিমছাম পরিবেশ। শান্তি শান্তি ভাব। যথেষ্ট পরিস্কার পরিছন্ন পরিবেশ। সার্বক্ষণিক রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থার এত সুষ্ঠ আয়োজন। এক কথায় অসাধারণ। বলছিলাম জিন্দা পার্কার গল্প। ভেতরের প্রাকৃতিক পরিবেশ , সৌন্দর্য ও আধুনিক পরিকল্পনার নানা স্থাপত্য মুদ্ধ না করে পারবেই না। আপনি বসে যাবেন কোন গাছ তলায়। অথবা লেকের পাড়ে। শান্তির পরশে চোখে ঘুম চলে আসবে অনায়সে। মুদ্ধ নয়নে ঘুরে বেড়াবেন।

যাত্রার প্রস্তুতিঃ

ঘুরে এলাম জিন্দা পার্কে। বাংলাদেশ স্পোর্টস জানালিষ্ট এসোসিয়েশন (বিএসজেএ)-এর পিকনিক ২০১৮ উপলক্ষ্যে। সাত সকালে আরামের ঘুম ভেঙ্গে বিছানা থেকে নামা। কি যে কষ্টের। বিশেষ করে যারা অনেক রাত করে ঘুমোতে যান তাদের জন্য। ঘুমের আড়মোড়া কাটানোর জন্য সকালের শাওয়ারটা খুব উপকারী। রাতের ক্লান্তি, অবসাদ, জিমুনী সব দূর করে দেবে আপনাকে শাওয়ারের নিচে দাঁড়ালে। আপনি পাবেন নব উদ্যোমে কাজ করার সতেজতা। সকালের প্রথম গন্তব্য ছিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। বিএসজেএ কার্যালয়। শুক্রবার সেই সাত সকালেই গরমের তাপ অনুভব করছিলাম। গোটা কয়েক ড্রেস নিয়ে চললো রিহারসেল। গরমে অস্থির অবস্থা। বাধ্য হয়ে বেছে নিতে হয়েছে আরাম দায়ক ও হাল্কা পোষাক।

এসি বাসে রায়হান ভাইয়ের তদারকীঃ

বিএসজেএ পৌঁছানো মাত্র দেখা হয় শ্রদ্ধেয় ক্রিকেট বিজ্ঞ গুণীজন জালাল আহমেদ চৌধুরী ভাইয়ের সঙ্গে। কামরুন নাহার ডানা আপাও যথাসময়ে এসেছেন। (বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক)। আপা জড়িয়ে ধরে কুশল বিনিময় করলেন। আরিফুর রহমান বাবু ভাইয়ের ঘরনী লিসা ভাবী তার দুই সন্তান নিয়ে হাজির। সঙ্গে বাবু ভাই নেই। হায় , হায় ! বাবু ভাই কোথায় ! বাবু ভাই কোথায় ! ভাবী একা এনো ? প্রশ্ন চারিদিকে। বাবু ভাই ছাড়া কোন প্রোগ্রাম জমে না। প্রাণবন্ত হয়ে উঠে না। লিসা ভাবী জানালেন, বাবু ভাই তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ দিয়েছেন। সরাসরি পূরবাইলের জিন্দা পার্কে আমাদের সঙ্গে যোগ দিবেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ হোসেন ব্যস্ততা বেশী।  তদারকী করছেন সবকিছু।

কে এলো, আর কে এলো না। কাকে পথ থেকে পিক করতে হবে। এই মহা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট রায়হান আল- মুগলি। সকাল সাড়ে আটটায় প্রথম বাস ছেড়ে দিলো। পালা ক্রমে ২০ মিনিটের ব্যবধানে পরের দুই বাস। সকালের নাস্তা আমরা বাসেই সেড়ে নিলাম। স্যান্ডিউইচ,আপেল, মিষ্টি। রায়হান ভাই ফার্মগেটে বাস থামালেন। চ্যানেল২৪ এর দুই জানালিষ্ট রশ্নি ও টিটো উঠলেন সেখান থেকে। রায়হান ভাই সবার জন্য কমলা কিনে নিয়ে এলেন। নাস্তার পর বাস জার্নিতে কমলা। ভালই লাগলো। যাত্রা পথে টক খাবার শরীর গুলিয়ে উঠা ভাব দূরে রাখে।

অবশেষে জিন্দা পার্কঃ

আমাদের বাস বনানী পাড় হয়ে কুড়িল বিশ্বরোড দিয়ে বসুন্ধরা কনভেনশনের সামনে এসে থামে। মামুন আর রানাকে তুলে নিয়ে আবার যাত্রা। শুক্রবার সকালে ব্যস্ততা ছিলনা। রাজধানী ঢাকার রাস্তা-ঘাট ছিল ফাঁকা। প্রশস্ত ৩০০ ফুট রাস্তা দিয়ে পুর্বাচল হাইওয়ে দিয়ে জিন্দা পার্ক পৌঁছে যাই আমরা। মাত্র আধঘন্টা সময়ে। বিএসজেএ – এর অর্থ সম্পাদক আবু সাদাত ছিলেন পিকনিক স্পট পছন্দের দায়িত্বে। গেটে আমাদের ব্জন্য অপেক্ষায় ছিলেন দায়িত্বে থাকা ‘অগ্রপথিক পল্লী সমিতি’ এক কর্মকর্তা। আমাদেরকে এক নাম্বার গেট দিয়ে রিসিভ করেন তিনি। আমাদের (বিএসজেএ)  জন্য নির্ধারিত পিকনিক স্পটটা ছিল গেটের পাশের প্রথমটাই। প্রবেশ করতেই চোখে পরে এক মন ভাল করা দৃশ্য। প্রকৃতির নিবিড় ছাড়ায়, বাতাসের শীতল স্পর্শে বিশাল এক গাছের নিচে, পরম শান্তিতে লম্বা হয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছান্ন এক ব্যক্তি। আহ ! কি আরামের ঘুমের জগতে প্রবেশ। জিন্দা পার্কে আপনি পাবেন মাটির ও মানুষের কাছাকাছি থাকার ছোঁয়া। এখানকার পিকনিক স্পট ও অতিথির জন্য বানানোও হয়েছে মাটির ঘর। উপরে টিনের চাল। ঘর গুলোতে কত নিখুঁত মাটির কারুকাজ। ভেতরে মাটির মস্ত বড় মটকির উপর বিশাল আয়না। দু’পাশে দুটি বিশ্রামের জন্য রাখা বিছানা। ছোট খাটো বাগান বাড়ির আমেজ।

 আদিকথা   আমাদের ঘুরাঘুরিঃ 

ঘুরে বেড়ানোর আগে জানি দেই, জিন্দা পার্ক কারা কিভাবে গড়ে তুলেছেন তার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র। এই পার্কটি সম্পূর্ণ ভাবে গড়ে উঠেছে বেসরকারী উগ্যোগে। স্থানীয় জনগণের ভালবাসার ফসল। এলাকার নাম ছিল জিন্দা গ্রাম। এই জিন্দা গ্রামটিকে বাঁচিয়ে রাখাই চেষ্টাই হাজার গ্রামের মানুষের আন্দোলন। পার্কটি তৈরী হয়েছে এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে। এর শুরুটা ১৯৮০ সালে। এক স্থানীয় বিত্তশালী ব্যক্তি একাই এই পার্ক গড়ে তুলতে ৬০ একর জমি দান করেছেন। ১৫০ এখর জায়গা জুড়ে এটি বিস্তৃত।

এলাকার ৫০০০ সদস্য নিয়ে “অগ্রপথিক পল্লী সমিতি” ১৯৮০ সালে যাত্রা শুরু করে।  দীর্ঘ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম আর ত্যাগের ফসল এই জিন্দা পার্ক। এ রকম মহাউদ্দেশ্য। এত  এত লোকের সক্রিয় অংশগ্রহন। ত্যাগ স্বীকারের উদাহারণ। বাংলাদেশের মত জায়গায় কয়টা আছে।   এই সমিতির রয়েছে অপস ক্যাবিনেট, অপস সংসদ এবং অপস কমিশন নামে ৩টি পরিচালনা পর্ষদ। জিন্দা গ্রামটিকে একটি আদর্শ গ্রাম ও মানুষের ভালবাসায় টিকিয়ে রাখতেই স্থানীয়দের এই অভিনব বিরল দৃষ্টান্ত।

পুরো পার্কে ২৫০ প্রজাতির ১০ হাজারের বেশী গাছ-গাছালী রয়েছে। পরিবেশকে করেছে শান্তিময় । সবুজ। নাম না জানা পাখীদের কলকাকলী। শীতল আবেশ। গোটা পার্কটিতে রয়েছে পাঁচটি জলাধার। আমরা প্রথমেই দেখলাম এখানকার একমাত্র স্কুলটি। লিটল এঞ্জেলস সেমিনারী। এটি অপস এডুকেশন প্রোগ্রাম।  স্কুলের নাম ইংরেজী হলেও বাংলা মিডিয়ামে লেখা-পড়া করানো হয়। স্কুলটির গড়ে উঠে তবারক হোসেইন কুসুমের অর্থায়নে। স্থাপতি সাইদুল হাসান রানা। ঢাকার বাইরের একটি গ্রামে এত অত্যাধুনিক, রুচিবোধ,  ও নিখুঁত পরিকল্পনার কাজ দেহে অবাক না হয়ে পারবেন না।  আপনি নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না। খোদ ঢাকা শহরেও এত চমৎকার, নিপূণ, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত চিন্তা ধারা নিয়ে কোন স্কুল গড়ে উঠেনি। ক্লাস রুম গুলো দেখলেই ভেতরে গিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করে। ছোট ছোট কাঠের বাসার বেঞ্চ। দেয়াল গুলোতে কি অদ্ভুদ কায়দায় ডিজাইন করে হয়েছে। ইটের খোপ খোপ খাচের ঘর। জানালার কাজ দিচ্ছে তাতে। বাইরের আলো-বাতাস অনায়সের ক্লাস রুমে প্রবেশ করে। গরমে হাপিত্যেশ হবার কোন সুযোগ নেই। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা আছে এখানে। প্রতিটি ক্লাসে ৪৫ জন করে ছাত্র/ ছাত্রী পড়তে পারেন। মূলত এই স্কুল ও লাইব্রেরি জিন্দা পার্কটির প্রতি সাধারণ মানুষের দর্শনীয় স্থানের তালিকায় অগ্রাধিকার পায়। স্কুলের সামনেই বিশাল খেলার মাঠ। আছে ক্রিকেট পিচ। ব্যডমিন্টন খেলার জন্য আলাদা মাঠ। তবে দর্শনার্থী ও পিকনিকে আসাদের জন্য খেলাধুলার কোন সুযোগের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা জারী করে রাখা। খেলাধুলা করার অনুমতি দিলে বাড়তি বিড়ম্বনা ও ঝামেলা হবার আশঙ্কা থাকে। নিরাপত্তার, শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশের কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত কতৃপক্ষের।

তারেক মাহমুদ মনি আইসক্রিম খাওয়ালেন আমাদের গ্রুপে যারা ছিলেন সবাইকে। ও হ্যা। তারেক মাহমুদ যে এতটা ভীতু জানা ছিল না। লেকের মাঝা -মাঝি একটি বাঁশের টি রুম। এখানে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে এক কাপ চা কিংবা জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকার সময়গুলো দারুণ উপভোগ করার ব্যবস্থা। পানির উপর কাঠের পুল পেরিয়ে সেই বাঁশের টি রুমে পৌঁছাতে হয়। পানির উপর বড় বড় প্লাস্টিকের ঢামের উপর কাঠের পাটাতনের পুল। উঠে দাঁড়ালেই নড়তে থাকে এপাশ ও পাশ। তারেক মাহমুদ কিছুটা এগিয়ে যেয়ে আর যাবার সাহস পাচ্ছিলেন না। ভয়ে বেচারার সেকি অবস্থা !

পার্কে বেড়ানো শেষ করে ফিরেই লাঞ্চ। লাঞ্চের জন্য আলাসা করে চমৎকার বসার ব্যবস্থা। তিনটি লম্বা লাইন। ত্রিকোন করে। মাঝে বেশ অনেকটা খোলা জায়গা। বুফে স্টাইলে খাবার নেবার সিস্টেম।

বাংলাদেশ স্পোর্টস জানালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের কোন প্রোগ্রাম থাকলেই মোতাহার হোসেন মাসুম ভাইয়ের শরণাপন্ন হতে হয়। মাসুম ভাই খাবার-দাবারের বিষয়ে অসাধারণ জ্ঞান রাখেন। বিএসজেএ ঘরোয়া অনুষ্ঠানে খাবারের আইটেম ও কোয়ালিটি নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকেনা কখনও। মাসুম ভাই দক্ষ হাতে সব কিছু সামাল দেন। বিএসজেএ পিকনিকে যোগ দিয়েছিলেন বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের  সাধারণ সম্পাদকেরা। ছিলেন অ্যারচারী ফেডারেশনের কাজী রাজিব আহমেদ চপল, হ্যাল্ডবল ফেডারেশনের আসাদুজ্জামান কোহিনূর। টিটু ভাই সহ আরো অনেকেই। তবে সংগঠনের বিগত কমিটির প্রেসিডেন্ট সাইদুজ্জামান সাঈদকে সবাই মিস করেছেন।

শেষ বেলার আয়োজনঃ

দিনের শেষ আয়োজন লটারি ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। সকল সদস্যদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা বরাবরের মতোই। সবার অংশ গ্রহণে ( সদস্যদের পরিবার) শেষ বিকেলের আয়োজন বেশ জমে উঠে।

নাকি কুপনের প্রথম পুরস্কার ঢাকা-ব্যংকক-ঢাক বিমান টিকিট জিতে নেন ইয়াসির আরাফাত। পরন্ত বিকেলে স্থানীয় লোকজন ক্ষেতের সবজি নিয়ে জিন্দা পার্কের গেটে এসে বসেন। খুব অল্প পয়সায় আপনি ফেরার পথে নিয়ে আসতে পারেন- লাউ, বেগুন, শাক, তেঁতুল আরো অনেক কিছু।

জিন্দা পার্ক যেভাবে যাবেনঃ

পার্কটির অবস্থান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে। জিন্দা পার্ক যাওয়ার উপায় ঢাকা থেকে জিন্দা পার্কের দূরত্ব ৩৭ কিঃ মিঃ। ঢাকা থেকে বাস যোগে কাঁচপুর ব্রীজ হয়ে ভূলতা গাওছিয়া হয়ে বাইপাস দিয়ে কাঞ্চন ব্রীজ হয়ে জিন্দা পার্কে আসা যায়। কাঞ্চন ব্রীজ থেকে ৫ মিনিটের হাটার পথ৷ অথবা ঢাকা হতে টঙ্গী মিরের বাজার হয়ে বাইপাস রাস্তা দিয়ে জিন্দা পার্ক আসা যায়, টঙ্গী হতে জিন্দা পার্কের দূরত্ব ২৮ কিঃ মিঃ। সহজ হবে কুড়িল বিশ্বরোড এর পুর্বাচল হাইওয়ে দিয়ে গেলে৷ লেগুনা তে জিন্দা পার্ক ৩০ টাকা নিবে ৷

প্রবেশ টিকেট – ১০০ টাকা৷ সঙ্গে গাড়ি না থাকলেও সমস্যা নেই। বাড়ি ফেরার জন্য পার্কের সামনেই পাবেন গাড়ি, সিএনজি। আর হ্যাঁ, পিকনিক করতে চাইলে দু-তিন দিন আগেই যোগাযোগ করুতে হবে। পিকনিকের খাবারের ব্যবস্থা পার্ক কর্তৃপক্ষই করে। খাওয়া দাওয়া এর ব্যবস্থা খাওয়ার জন্য পার্কে ভেতরে রয়েছে মহুয়া স্ন্যাকস আছে ফুডস রেস্টুরেন্ট।

ঘুরে আসতে পারেন আপনি আপনার পরিবার ও বন্ধু মহল নিয়ে।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল

সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ ১৪৯ আরামবাগ,ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কাযালয়: ২০৭/১ ফকিরাপুল, আরামবাগ , মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।

সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-০৩৩৭১৫,০১৭১২-৫৯৩৬৫৩

E-mail: provatbela@gmail.com,

কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম

শিরোনাম :
টেষ্ট অভিষেকে থাকছেন না সিলেটের লোকাল হিরোরা সুরমা নদীর তীরের স্থাপনা সরাতে ব্যবসায়ীদের মেয়রের আল্টিমেটাম জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার সংলাপে বসছে আওয়ামী লীগ-জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি খালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল বিপিএল ষষ্ঠ আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফটে কে কোন দলে প্রধানমন্ত্রীকে ড. কামাল হোসেনের চিঠি সেই টেষ্ট হ্যাট্টিকম্যান অলক কাপালী সিলেটের টেষ্ট অভিষেকটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে আশা অলক কাপালীর আরেকটিবার আওয়ামী লীগকে ভোট দিনঃ শেখ হাসিনা পুণ্যভূমি সিলেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জিম্বাবুয়েকে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করার স্বাদ নিলো টাইগাররা বিষধর সাপ রাসেল ভাইপারকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো সাত দফার এক দফাও মানা হবে নাঃ ওবায়দুল কাদের নিবন্ধন ফিরে পাবার আশায় জামায়াতে ইসলামী সরকারকে মওদুদের হুশিয়ারী সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলবেন বিতর্কিত ওয়ার্নার বিমানবাহিনী এগিয়ে যাচ্ছেঃ প্রধানমন্ত্রী সিলেটে ইয়াবাসহ যুবক আটক সিপিএল চ্যাম্পিয়ন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স ৩২ ধারা বহাল রেখে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংসদীয় কমিটি বাহরাইনকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে শুভসূচনা বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের সাহায্য করতে ঢাকাকে সমর্থন দেবে দিল্লিঃ শ্রিংলা ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিতে থাকছে না কোটা নির্বাচনের আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়াসহ ৫দফা দাবী উত্তরমুখী হয়ে লাভ নেই, ওখানে সাড়া দেওয়ার মতো কেউ নেই আইডিইবি সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো মালদ্বীপ জুড়ীতে বাংলাদেশের খবর’র বর্ষপূর্তি উদযাপন মেডিকেল বোর্ডে খালেদার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের রাখা হয়নি শনিবার যুক্তফ্রন্ট-ঐক্য প্রক্রিয়ার যৌথ ঘোষণা আসছে সারাদেশে পালন করা হবে শেখ হাসিনার জন্মদিন সমাজসেবী আমিন আলীর ইন্তেকাল এবার স্বরচিত কবিতা পাঠ করলেন জগলুল হায়দার যশোরে সাবেক ফুটবল কোচ ওয়াজেদ গাজীর দাফন সম্পন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছেই বিদ্যুৎ বিল পাওনা ৬৬৮ কোটি টাকা! কাভার্ডভ্যান পোড়ানোর মামলায় খালেদার জামিন নামঞ্জুর চলে গেলেন নওয়াজ শরীফের স্ত্রী কুলসুম রাজধানীর ১৪ হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ মৌসুমী, অপু ও ওমরসানি দুবাই যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে ড. কামাল সংবিধান অনুযায়ী ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে `এ কথা শুনেই মান্না, জুড়ে দেয় কান্না।’ বিকল্পধারা এখন স্বকল্প হয়ে গেছে ‘তিনিও আনকনটেস্টের এমপি’ আমরা তোমাদের কাছে কৃতজ্ঞ: ডা. বদরুদ্দোজা নির্বাচন নাও হতে পারে: ড. কামাল যাঁকে র‌্যাঙ্ক দিতে বাধ্য হন পাক জেনারেল “ কোনোরকম বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না’- হাসিনা