দারিদ্র বিমোচন ও অসমতা হ্রাস এবারের বাজেট প্রণয়নের মূল্য লক্ষ্য

প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০১৮

প্রভাতবেলা প্রতিবেদকঃ এবারের বাজেট প্রণয়নের মূল্য লক্ষ্য হলো দারিদ্র বিমোচন ও অসমতা হ্রাস এবং জনগণের জীবনমানে মৌলিক ও গুণগত পরিবর্তন আনা বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

 

আজ বৃহস্পতিবার (৭ জুন) কালো ব্রিফকেসে বন্দী বাজেট নিয়ে বেলা পৌনে ১টায় জাতীয় সংসদে প্রবেশ করেন  অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ।

 

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।  বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা মধ্যমেয়াদী নীতি-কৌশল।

 

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত টানা ১০ বাজেট পেশ রেকর্ড গড়েছেন। এবার ১২তম বাজেট পেশ করার মধ্য দিয়ে বিএনপি’র প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সমান বাজেট দেওয়ার গৌরব অর্জন করলেন তিনি। মুহিত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলের অর্থমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বাজেট পেশ করেন ১৯৮২-৮৩ অর্থবছরে।

 

সরকারের শেষ বছরে ২৫ শতাংশ ব্যয় বাড়িয়ে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ধারণা করা হচ্ছে এ বাজেটই অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার শেষ বাজেট বক্তৃতা। তবে প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহের প্রায় ৭ হাজার ৮৬৯ কোটি বরাদ্দ বিবেচনায় নিলে বাজেটের আকার দাঁড়াবে প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা।

 

এবারের বাজেটে রাজস্ব আয়ের সম্ভাব্য আকার ২ লাখ ৯৬ হাজার ২শ’ ১ কোটি টাকা।

 

এনবিআর’র বাইরে অন্যান্য খাত থেকে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা (জিডিপি’র দশমিক ৪ শতাংশ) এছাড়া কর বর্হিভূত খাত থেকে রাজস্ব আহরিত হবে ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা (জিডিপি’র ১ দশমিক ৩ শতাংশ)।

 

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয়ের খাতগুলো উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের শ্রেণি-বিন্যাস অনুযায়ী কাজগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সামাজিক অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো ও সাধারণ সেবা খাত। সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যার মধ্যে মানবসম্পদ খাতে (শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত) বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

 

 

আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। বাজেটে মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৫ দশািমক ৫ শতাংশ, প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

 

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে ১০ লাখ। মাতৃত্বকালীন এবং দুগ্ধদানকারী গরীব কর্মজীবি মায়েদের ভাতা ৩শ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।

 

৪ লাখ ২৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ের মধ্যে বড় দুই খাত উন্নয়ন ব্যয় এবং অনুন্নয়ন ব্যয়। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এডিপির আকার ধরা হয়েছে হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮শ’ ৬৯ কোটি টাকা।

 

এবার অনুন্নয়ন বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৩শ’ ৩১ কোটি টাকা। রাস্তা-ঘাট, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের বাইরে সরকার যে ব্যয় করে তাই অনুন্নয়ন ব্যয়। এর বড় অংশ চলে যায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন পরিশোধ এবং দেশের ভেতর ও বিদেশ থেকে নেয়া ঋণের সুদ পরিশোধে, ভর্তুকি ও প্রণোদনা ব্যয় মেটাতে। আবার সরকার বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের পূর্ত কার্য করে, শেয়ার ও ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ করে তার সংস্থানও হয় অনুন্নয়ন মূলধনী ব্যয় থেকে।

 

আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ বাজেট এটি। ২০০৮ সালে নির্বাচিত হবার পর বর্তমান সরকারের দশম বাজেট। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটা আবদুল মুহিতের ১২তম বাজেট। বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে শুরু করেছিলেন মুহিত।এবারের বাজেটে রাজস্ব আয়ের সম্ভাব্য আকার ২ লাখ ৯৬ হাজার ২শ’ ১ কোটি টাকা।

 

আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। বাজেটে মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৫ দশািমক ৫ শতাংশ, প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

 

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে ১০ লাখ। মাতৃত্বকালীন এবং দুগ্ধদানকারী গরীব কর্মজীবি মায়েদের ভাতা ৩শ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।

 

৪ লাখ ২৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ের মধ্যে বড় দুই খাত উন্নয়ন ব্যয় এবং অনুন্নয়ন ব্যয়। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এডিপির আকার ধরা হয়েছে হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮শ’ ৬৯ কোটি টাকা।

 

এবার অনুন্নয়ন বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৩শ’ ৩১ কোটি টাকা। রাস্তা-ঘাট, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের বাইরে সরকার যে ব্যয় করে তাই অনুন্নয়ন ব্যয়। এর বড় অংশ চলে যায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন পরিশোধ এবং দেশের ভেতর ও বিদেশ থেকে নেয়া ঋণের সুদ পরিশোধে, ভর্তুকি ও প্রণোদনা ব্যয় মেটাতে। আবার সরকার বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের পূর্ত কার্য করে, শেয়ার ও ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ করে তার সংস্থানও হয় অনুন্নয়ন মূলধনী ব্যয় থেকে।

 

 

এবারের বাজেটকে আরো অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইড  http://www.mof.gov.bd- এ বাজেটের সকল তথ্যাদি ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল যে কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পড়তে ও ডাউনলোড করতে পারবে এবং দেশ বা বিদেশ থেকে ওই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফিডব্যাক ফরম পূরণ করে বাজেট সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ পাঠানো যাবে।

 

আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ বাজেট এটি। ২০০৮ সালে নির্বাচিত হবার পর বর্তমান সরকারের দশম বাজেট। বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে শুরু করেছিলেন অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল মাল আবদুল মুহিত।

 

সর্বশেষ সংবাদ