,

নির্বাচনের আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়াসহ ৫দফা দাবী

প্রভাতবেলা প্রতিবেদকঃ নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, নির্বাচনের আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েনসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও ডা. এ কি এম বদরুদ্দোজ্জা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট।

 

‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের’ কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিলেন গণফোরামের সভাপতি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। একইসঙ্গে এই ‘বৃহত্তর ঐক্য’ প্রক্রিয়ায় ‘স্বাধীনতার পক্ষের সব শক্তিকে’ যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

ড. কামাল বলেছেন, আমরা প্রত্যেক পাড়ায় পাড়ায়, ঘরে ঘরে ঐক্য করার আহ্বান জানাচ্ছি। দেশে ‘প্রকৃত গণতন্ত্র’ ফিরিয়ে আনার জন্য সবাইকে পাহারা দিতে হবে, যেন কেউ কালো টাকার প্রভাব খাটাতে না পারে।

 

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘যুক্তফ্রন্ট’ ও ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’র ঘোষণা প্রকাশের জন্য আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল এ কথা বলেন।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’র সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন, বিকল্প ধারার সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী ওমর ফারুক প্রমুখ।

ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ। এটা বাস্তবায়ন করতে সুষ্ঠু একটি নির্বাচন দরকার। স্বাধীনতার ৫০ বছরকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যখনই নির্বাচন দেওয়া হয়, তখনই আমাদের সামনে আসতে হয়। নির্বাচন সুষ্ঠু হতে হবে, আমরা আশাবাদী, সন্ত্রাস-কালো টাকামুক্ত নির্বাচনে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই ভোট দিতে পারবেন। এজন্য প্রত্যেক পাড়ায় পাড়ায় পাহারা দিতে হবে। কার্যকর গণতন্ত্র কেবল সংবিধানেই লেখা আছে, কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য আমরা কাজ করছি। প্রকৃত অর্থে যারা জনগণের প্রতিনিধি তারাই দেশ পরিচালনা করবে। আজ থেকে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে’র কার্যক্রম শুরু হলো।

 

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও  ড. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট সম্প্রতি এক হয়ে কাজ করার ঘোষণা দেয়। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

এসময় আ স ম আব্দুর রব বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সেখানে যেতে দেয়নি। তারা আমাদের জানিয়েছে, শহীদ মিনারে যাওয়া যাবে না। সেখানে পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। সেজন্য প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করতে হলো।

সংবাদ সম্মেলনে ‘বৃহত্তর ঐক্যে’র পাঁচ দফা দাবি ও নয় দফা লক্ষ্য পাঠ করে শোনান মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, একটা অংশ হলো নির্বাচনের আগে আমাদের দাবি সমূহ। অপর অংশে নয়টি লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, যা নির্বাচনের পরে বাস্তবায়ন করা হবে।

 

দাবিসমূহ হলোঃ

‘আসন্ন জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা অর্থাৎ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।’

 

‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতের লক্ষ্যে বাক, ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।’

 

‘কোটা সংস্কার’ এবং ‘নিরাপদ সড়ক’ আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-ছাত্রীসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আনীত মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে এবং গ্রেফতারদের মুক্তি দিতে হবে। এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা যাবে না।’

 

‘নির্বাচনের একমাস আগ থেকে নির্বাচনের ১০ দিন পর পর্যন্ত মোট ৪০ দিন প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যাস্ত করতে হবে।’

 

‘নির্বাচনে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহারের চিন্তা ও পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে, গণ প্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর যুগোপযোগী সংশোধনের মাধ্যমে গণমুখী করতে হবে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।’

 

লক্ষ্যগুলো হলো- ‘বাংলাদেশে স্বেচ্ছাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে পরিত্রাণ এবং একব্যক্তিকেন্দ্রিক নির্বাহী ক্ষমতা অবসানের লক্ষ্যে সংসদে, সরকারে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নসহ প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ, ন্যায়পাল নিয়োগ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদসহ যুগোপযোগী সংশোধন করা এবং জনগণের ক্ষমতায়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করাসহ সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও সৎ যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য সাংবিধানিক কমিশন গঠন করা।’

 

‘দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা হবে। দুর্নীতিমুক্ত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তুলে সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে দুর্নীতিকে কঠোর হাতে দমন এবং ইতোপূর্বে দুর্নীতির দায়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’

 

‘দেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য পরিবেশ সৃষ্টি, বেকারত্বের অবসান ও শিক্ষিত যুবসমাজের সৃজনশীলতাসহ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে মেধাকে একমাত্র যোগ্যতা হিসাবে বিবেচনা করা।’

 

‘কৃষক-শ্রমিক ও দরিদ্র জনগণের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সরকারি অর্থায়নে সুনিশ্চিত করা। জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্নীতি ও দলীয়করণের থাবা থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের সার্বিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও কাঠামোগত সংস্কার সাধন করা।’

 

‘রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, জনগণের আর্থিক স্বচ্ছলতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শৃঙ্খলা নিশ্চিত, জাতীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার, সুষম বণ্টন ও জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।’

 

‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যমত্য গঠন এবং প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা ও নেতিবাচক রাজনীতির বিপরীতে ইতিবাচক সৃজনশীল এবং কার্যকর ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।’

 

‘সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব-কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ এ নীতির আলোকে জনস্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তাকে সমুন্নত রেখে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পারিক সৎ প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ ইত্যাদির ক্ষেত্রে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ ও পদক্ষেপ দেওয়া।’

 

‘বিশ্বের সব নিপীড়িত মানুষের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরত ও পূনর্বাসনের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও সমর-সম্ভারে সুসজ্জিত, সুসংগঠিত ও যুগোপযোগী করা।’

 

‘অভিন্ন দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন এবং লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নে জোটবদ্ধ নির্বাচন ও সৎযোগ্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা স্পষ্ট অঙ্গীকারসহ জাতীয় নেতারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিস্তারিত লক্ষ্য ও কর্মসূচি প্রণয়ন করে জনসম্মুখে প্রকাশ, প্রচার ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে নিতে হবে।’

 

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    10
    Shares

Leave a Reply

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল

সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ ১৪৯ আরামবাগ,ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কাযালয়: ২০৭/১ ফকিরাপুল, আরামবাগ , মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।

সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-০৩৩৭১৫,০১৭১২-৫৯৩৬৫৩

E-mail: provatbela@gmail.com,

কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম

শিরোনাম :
সিলেটে ইয়াবাসহ যুবক আটক সিপিএল চ্যাম্পিয়ন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স ৩২ ধারা বহাল রেখে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংসদীয় কমিটি বাহরাইনকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে শুভসূচনা বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের সাহায্য করতে ঢাকাকে সমর্থন দেবে দিল্লিঃ শ্রিংলা ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিতে থাকছে না কোটা নির্বাচনের আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়াসহ ৫দফা দাবী উত্তরমুখী হয়ে লাভ নেই, ওখানে সাড়া দেওয়ার মতো কেউ নেই আইডিইবি সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতলো মালদ্বীপ জুড়ীতে বাংলাদেশের খবর’র বর্ষপূর্তি উদযাপন মেডিকেল বোর্ডে খালেদার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের রাখা হয়নি শনিবার যুক্তফ্রন্ট-ঐক্য প্রক্রিয়ার যৌথ ঘোষণা আসছে সারাদেশে পালন করা হবে শেখ হাসিনার জন্মদিন সমাজসেবী আমিন আলীর ইন্তেকাল এবার স্বরচিত কবিতা পাঠ করলেন জগলুল হায়দার যশোরে সাবেক ফুটবল কোচ ওয়াজেদ গাজীর দাফন সম্পন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছেই বিদ্যুৎ বিল পাওনা ৬৬৮ কোটি টাকা! কাভার্ডভ্যান পোড়ানোর মামলায় খালেদার জামিন নামঞ্জুর চলে গেলেন নওয়াজ শরীফের স্ত্রী কুলসুম রাজধানীর ১৪ হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ মৌসুমী, অপু ও ওমরসানি দুবাই যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে ড. কামাল সংবিধান অনুযায়ী ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে `এ কথা শুনেই মান্না, জুড়ে দেয় কান্না।’ বিকল্পধারা এখন স্বকল্প হয়ে গেছে ‘তিনিও আনকনটেস্টের এমপি’ আমরা তোমাদের কাছে কৃতজ্ঞ: ডা. বদরুদ্দোজা নির্বাচন নাও হতে পারে: ড. কামাল যাঁকে র‌্যাঙ্ক দিতে বাধ্য হন পাক জেনারেল “ কোনোরকম বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না’- হাসিনা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আশাজাগানিয়া বিএনপি হবিগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় দেবর-ভাবী আমার মৃত্যু, বর্ষাদিন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই নেপালকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের কিশোরীরা সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার চলে গেলেন রাজুর হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল সরকার ‘সংলাপে’ বাধ্য হবেঃ মওদুদ আহমেদ মেয়রের বাসার সামনেই ছাত্রদলের হামলায় রাজু খুন আরিফ সিসিক মেয়র নির্বাচিত “দায়িত্বশীল নেতার অডিও রেকর্ড পুলিশের হাতে” বিএনপি-জামায়াত ইতিহাসকে বিকৃত করছেঃ তথ্যমন্ত্রী স্বচ্ছ মন নিয়ে আলোচনায় আসুনঃ রিজভী আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন আর নেই শনির আখড়ায় ট্রাকচাপায় আহত শিক্ষার্থী শঙ্কামুক্ত সিসিক’র স্থগিত ২কেন্দ্রের ভোট ১১ আগস্ট বৃহস্পতিবার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাজশাহী ও বরিশালে নৌকা, সিলেটে আরিফ