‘আশা’র’ মাঠকর্মীর প্রতারণা

প্রকাশিত: ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯

‘আশা’র’ মাঠকর্মীর প্রতারণা

সুয়েবুর রহমান, সিলেট: সিলেট নগরির আরামবাগ এলাকায় অবস্থিত  ‘আশা সমিতি’র মাঠ কর্মী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সমিতির সদস্য ও বিভিন্নজনের নামে ঋণ উঠিয়ে নিজেই আত্মসাত করেছেন কামরুল এমন অভিযোগ ভূক্তভোগিদের। এখন ঋণের দায় টানছেন ভুক্তভোগি কয়েকজন সদস্য ও সাধারণ নাগরিক।

অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম জকিগজ্ঞের কাচার চক এলাকার ইউনুছ আলীর দিত্বীয় পুত্র।

ভূ্ক্তভোগি ঐ সমিতির সদস্যরা অভিযোগ করেন ,প্রত্যেক সদস্যর কাছ থেকে অভিনব কায়দায়  কামরুল ইসলাম ১০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছেন । সদস্যরা আশা সমিতি থেকে টাকা ঋণ নেয়ার সময় কামরুল তাদেরকে বাড়তি টাকা উত্তলনের উৎসাহ দিতেন।পরে তিনি বাড়তি টাকা গুলো সদস্যদের কাছ থেকে  কৌশলে হাতিয়ে নিতেন এবং বলতেন প্রতি সপ্তাহের  এই টাকার   কিস্তি তিনি পরিশোধ করবন। কিন্তু এখন তিনি পলাতক।
জামাল আহমেদ নামের এক ভোক্তভূগী  জানান, কামরুল ইসলাম রাজবাড়ী মিতালির  স্থানীয় ব্যবসায়ী বাচ্চুর নামে  ৩ লক্ষ ৪০ হাজার ,মোবারকের নামে  ১ লক্ষ ৫০ হাজার, এক মহিলার নামে  ৯০ হাজার টাকা ঋণ উঠিয়ে  আৎসাত করেছেন।
সমিতি কয়েক জন সদস্য জানান,তারা কামরুলকে আশা অফিসের অফিস্যার হিসাবে  টাকা  দিয়েছিল ।এছাড়াও নিজস্ব জামিনে তার কয়েকজন এলাকার প্রহরী থেকে ৬৫ হাজার ,রফিক নামের ব্যাক্তির কাছ থেকে ৮০ হাজার, আজগর আলীর কাছ থেকে ১০ হাজার ,তালা মিস্ত্রির কাছ তেকে ২২ হাজার ,কালু নামের ব্যক্তির মায়ের কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা  দিয়েছিল।
এ বিষয়ে ,আশা সমিতির শাখা ম্যানেজার মাসুক মিয়াকে ফোন (০১৭৩০৩১৩৪৭৫ নম্বরে) দিলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে  প্রভাতবেলা’কে জানান, কামরুলকে একমাস আগে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে তার বিরুদ্ধে কেন আইনী ব্যবস্থা নেয়া হয়নি এ প্রশ্নের জবাবে মাসুক মিয়া বলেন বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন ।

সর্বশেষ সংবাদ