“যেখানে সিঙ্গারা খেলে চলবে সেখানে অতিরিক্ত কিছু খাওয়ার দরকার নেই”

প্রকাশিত: ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০১৯

“যেখানে সিঙ্গারা খেলে চলবে সেখানে অতিরিক্ত কিছু খাওয়ার দরকার নেই”

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুই দিন ছুটি পেলে ৯ দিন অবস হয়ে পড়ে থাকে। ছুটির রেশ কাঁটতেই ৭ দিন চলে যায়। এগুলো থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে। কাজ করতে হবে এবং তা যুগোপযোগী হতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কার্যালয়ে তাঁত শুমারি-২০১৮-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সরকারি চাকরিজীবী তথা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাহুল্য কাজ বাদ দিয়ে, অযথা খরচ বাদ দিয়ে মূল কাজ করতে হবে কারণ কাজই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। যেখানে সিঙ্গারা খেলে চলবে সেখানে অতিরিক্ত কিছু খাওয়ার দরকার নেই। সরকারি অর্থ অপচয় থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

এসময় তিনি বলেন, অন্য দেশের মানুষ কোথায় গেল না গেল সে চিন্তা করার দরকার আমাদের নেই আমরা আমাদের নিয়ে চিন্তা করবো।

আমরা আমাদের কাজ দায়িত্ব নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে করতে পারি সে দিকটি চিন্তা করবো বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, প্রকল্প পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ ও বিবিএসের মহাপরিচালক ড. কৃষ্ণা গায়েন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, মন্ত্রী বলেন, শেষ পর্যন্ত হস্তচালিত তাঁত হয়তো থাকবে না। এটা আবেগ-অনুভূতির বিষয় নয়। যন্ত্রের কারণে ধীরে ধীরে হস্তচালিত তাঁত কমে যাবে। এটাই স্বাভাবিক। তবে এর সঙ্গে যন্ত্রচালিত তাঁতের হিসাব থাকলে ভালো হতো।

তিনি আরও বলেন, সরকারি কাজে অনেক অপচয় হয়। বাহুল্য ব্যয় কমাতে হবে। অপচয় কমিয়ে আনতে হবে। তবে যা প্রয়োজন, সেখানে কোনো কম্প্রোমাইজ করা যাবে না। সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীরা দু’দিন ছুটি পেলে অলসতায় পড়ে যান। এ দু’দিন ছুটির সঙ্গে এদিক-ওদিক মিলে আরও কয়েকদিন ছুটি নিয়ে বেড়াতে যান। এটা ঠিক নয়। মনে রাখতে হবে, বিনোদন যেন কাজকে খেতে না পারে আবার কাজ যেন বিনোদনকে খেতে না পারে। যখন কাজ, তখন শুধুই কাজ করতে হবে আবার যখন ছুটি, তখন শুধুই বিনোদন করতে হবে। মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী শুমারি পরিচালনা করতে হবে। এজন্য বাজেটে কোনো সমস্যা হবে না। বাজেটের জন্য এদিক-ওদিকে হেঁটে সময় অপচয় করতে হবে না। আমরাই এসব শুমারির জন্য বাজেট দিতে পারব। তাছাড়া শুমারি প্রতিবেদন বাংলায় প্রকাশের তাগিদ দিয়ে এমএ মান্নান বলেন, কাজ করলেন বাংলায়, বললেন বাংলায় আর প্রতিবেদন দিলেন ইংরেজিতে। এটা কেমন হয়। সাধারণ মানুষের জন্য বাংলাতেই করতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ