জয়ে শুরু লাল সবুজের

প্রকাশিত: 9:53 PM, April 22, 2019

জয়ে শুরু লাল সবুজের

মাঠে ময়দানে ডেস্ক: সেন্টারের সময়  ৭ জনই মাঝ রেখার উপর। ব্যতিক্রমী এই কৌশল আমিরাতের উপর শুরু থেকে চড়াও হওয়া। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই লাল সবুজ মেয়েদের গোলের খুব কাছে যাওয়াটা এ কারনেই। তবে নিজেদের শক্তি, প্রাপ্ত সুযোগ এবং প্রতিপক্ষের দুবর্লতা অনুপাতে গোল কমই হয়েছে। দর্শকদের মনও ভরেনি খেলায়। ম্যাচ শেষেও ফুটবলারদের উল্লাস প্রকাশ না করাটা মনে হয় ভালো না খেলার হতাশায়। এরপরও জয়ে শুরু প্রথম বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশ দলের।

সোমবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে স্বাগতিকরা ২-০ গোলে হারিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরতাকে। এতে ‘বি’ গ্রুপ থেকে ছোটন বাহিনীর সেমিতে যাওয়াটা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গেছে। বুধবার কিরগিজস্তান বনাম আমিরাতের ম্যাচে আমিরাত হারলেই শেষ চারে চলে যাবে মিসরাত জাহান মৌসুমীর নেতৃত্বাধীন দল। অন্যথায় ২৬ তারিখে বাংলাদেশকে জিততেই হবে কিরগিজস্তানের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ দল সেট পীসে ভালো। তাদের অনেক গোল আছে এই সেট নামক কর্নার এবং ফ্রি কিক থেকে । অনূর্ধ্ব-১৮ সাফের ফাইনালে তাদের জয় সূচক গোল ফ্রি-কিক থেকে। ফেব্রুয়ারিতে এএফসি অনূর্ধ্ব- ১৬ ফুটবলে মিয়ানমারকে হারিয়ে চূড়ান্ত পর্বে যাওয়াটাও কর্নার নামের সেচ পীস থেকে; কিন্তু এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল ২০ টি কর্নার পেলেও এ থেকে গোল দিতে পেরেছে মাত্র একটি। অপরিকল্পিত খেলা, গোল মিস, ফরোয়ার্ডদের স্বার্থপর আচরণ এই সবই অতি দুর্বল আমিরাতের বিপক্ষে দুটির বেশী গোল দেয়া সম্ভব হয়নি। অথচ গত সেপ্টেম্বরে তাদের অনূর্ধ্ব-১৬ দলকে ৭ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ দল। এর আগে তাদের অনূর্ধ্ব-১৬ দলকে ৬-০ এবং ৪-০তে হারিয়েছিল লাল সবুজরা। অর্থাৎ এই প্রথম তাদের বিপেক্ষ কম গোলের ব্যবধানে জয়। যদিও বাংলাদেশ দলের প্রায়ই সবাই সিনিয়র সাফে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।

প্রধমার্থে বাংলাদেশ ২ গোল দিলেও বিরতির পর আর গোল পায়নি তারা। ১২ মিনিটে স্ট্রাইকার স্বপ্না ডিফেন্ডার আঁখির লবে বল পেয়ে অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙ্গে আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। গত অক্টোবরের পর গোল পেলেন গতিময় এই ফরোয়ার্ড। এই স্বপ্না পরে ১৮ ও ৪৯ মিনিটে আরো দুই বার গোল মিস করেন বিপক্ষ কিপারকে একা পেয়েও বল তার হাতে তুলে দিয়ে। ২৯ মিনিটে স্বাগতিকরা ব্যবধান দ্বিগুণ করে। সেটি মনিকা চাকমার কর্নার থেকে আসা বলে কৃষ্ণা রানী সরকারের হেডে।

বিরতির পর কৃষ্ণা, মারজিয়া, সাজেদা, মৌসুমীরা পারেননি গোলের সংখ্যা বাড়াতে। ফুটবলারার যে যার মতো গোলের চেষ্টা চালায়। অথচ স্কোয়াডে ফরোয়ার্ডের সংখ্যা ৭ জন। তাদের বেশ কয়েকটি আক্রমন নষ্ট হয় অফসাইডের কারনে।

সর্বশেষ সংবাদ