বিয়ের প্রলোভন দৈহিক মিলন, স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

প্রকাশিত: 2:38 PM, July 22, 2019

বিয়ের প্রলোভন দৈহিক মিলন, স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

সংবাদদাতা,বরগুনা: বরগুনার পাথরঘাটায় এক স্কুলছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই স্কুলছাত্রী লোক লজ্জায় স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর নানা বাদি হয়ে দুইজনকে আসামি করে গত ১৩ জুলাই পাথরঘাটা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলার ২নং আসামি ধর্ষকের পিতাকে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠিয়েছে।

মামলার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই মেয়ে উপজেলার কাঠলতলী সপ্তগ্রাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষণ করে আসছিল প্রতিবেশী আ. জলিল হাওলাদারের ছেলে বরিশাল অমৃত লাল-দে কলেজের ছাত্র মো. রাজু। দীর্ঘ ২ বছরে নিজেদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায় ছাত্রীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ছাত্রী ও তার পরিবার ধর্ষক রাজুকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। ধর্ষক বিয়ে করতে অস্বীকার করে এলাকা ত্যাগ করে। পরে বিষয়টি ধর্ষকের পরিবারকে জানালে তারাও বিভিন্নভাবে তালবাহানা করে অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এদিকে স্কুল ছাত্রীর অনাগত সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবিতে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবার উপজেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন ফল না পেয়ে অবশেষে ধর্ষক রাজু ও তার পিতাকে আসামি করে পাথরঘাটা থানায় মামলা করেন। ওই ছাত্রীর বড় বোন বলেন, আমরা অনাগত সন্তানের পিতৃস্বীকৃতি চাই।

পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা পারভীন বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কাঠালতলী ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রী ও তার পরিবার আমাদের কাছে এসেছিল। আমরা আ. জলিল হাওলাদার ও তার অভিযুক্ত ছেলে মো. রাজুকে মেয়েটিকে মেনে নিয়ে তার অনাগত সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য অনেক অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা আমাদের কথা না মেনে তালবাহানা করে আসছে।

  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ