রপ্তানি বাড়াতে দূতদের কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ২:০৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২০

রপ্তানি বাড়াতে দূতদের কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রভাতবেলা ডেস্ক:

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমদানি নির্ভর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রপ্তানি বৃদ্ধি করতে এসব দেশে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে আবুধাবির হোটেল শাংগ্রিলায় অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকে (এনভয় কনফারেন্স) এ নির্দেশনা দেন।

 

 

এনভয় কনফারেন্সে অংশ নেন- সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান, বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) কে এম মমিনুর রহমান, ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ এফ এম গওসোল আযম সরকার, ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ এম এম ফরহাদ, কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম, লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার, ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার এবং কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ।

 

 

পরে সম্মেলনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

 

 

রাষ্ট্রদূতদের রপ্তানি বৃদ্ধি করতে নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বিষয়ে দেখতে হবে কোন দেশে কি চাহিদা এবং সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কীভাবে রপ্তানি বৃদ্ধি করা যায়, কীভাবে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা যায়; সেভাবে কাজ করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স যায়, সে কথা উল্লেখ করে এখানকার প্রবাসীদের যাতে কোনো কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

 

 

বিদেশগামী কেউ যেন দালালদের খপ্পরে না পড়ে এবং সরকারি রেটের চেয়ে বেশি টাকা না দেয় তা নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

 

 

পররাষ্ট্র নীতির বিষয়ে জাতির পিতা একটা নীতিমালা দিয়ে গেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র নীতি- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। অনেকসময় বন্ধুপ্রতীম দেশের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়, সেটা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে নিতে হয়।’

 

 

বঙ্গবন্ধু কন্যা আরও বলেন, ‘এখন ডিপ্লোমেসিতে প্রথমেই চিন্তা করতে হবে পৃথিবী এখন একটা গ্লোবাল ভিলেজ। সবাই সবার ওপর নির্ভর করছে, সবাই সবার সহযোগিতা নিয়ে চলছে।’

 

 

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে মুজিববর্ষ (১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১) উদযাপন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষ পালন এটা আমাদের একটা সৌভাগ্য। দেশে অনেক প্রোগ্রাম হবে। বিদেশে যারা আছেন এখানেও প্রোগ্রাম করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

 

 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

 

 

প্রভাতবেলা/এমএ

  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ