" /> আজ ফুল কোর্ট সভায় আদালত খোলা রাখা না রাখার সিদ্ধান্ত হবে – দৈনিক প্রভাতবেলা

আজ ফুল কোর্ট সভায় আদালত খোলা রাখা না রাখার সিদ্ধান্ত হবে

প্রকাশিত: ২:১৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৬, ২০২০

আজ ফুল কোর্ট সভায় আদালত খোলা রাখা না রাখার সিদ্ধান্ত হবে

প্রভাতবেলা ডেস্ক: করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে স্বল্প পরিসরে কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সোমবার পর্যন্ত স্থগিত করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। একইসঙ্গে এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সকল বিচারপতিদের নিয়ে রবিবার ফুল কোর্ট সভা ডেকেছেন তিনি।

এর আগে অধস্তন আদালত খুলে দিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি প্রধান বিচারপতিকে পৃথক পৃথক চিঠি দেন। উচ্চ আদালত খুলে দিতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া কয়েকজন আইনজীবী ব্যক্তিগতভাবে চিঠি দিয়ে কোর্ট খোলা রাখতে অনুরোধ জানান। এরপরই স্বল্প পরিসরে রবিবার থেকে কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত একাধিক সার্কুলার জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। ওই সার্কুলারে বলা হয়, অতীব জরুরি বিষয়সমূহ নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে একটি বেঞ্চ বসবে। পাশাপাশি আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতও খোলা থাকবে। এছাড়া শুধুমাত্র জামিন শুনানির জন্য সপ্তাহে দুই দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ও চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বসবে।

ওই সার্কুলার জারির পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সিনিয়র আইনজীবী জেডআই খান পান্নাসহ একাধিক আইনজীবী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ জানান।

এতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত শুধু বিচারক, আইনজীবী সমাজ নয় সমগ্র জনগণের জীবনকে শঙ্কায় ফেলে দেবে এবং এই মহামারিকে প্রলম্বিত করা হবে। সেজন্য কোন অবস্থায় এবং কোনভাবেই কোর্ট খোলা যাবে না। কোনটা আগে ‘জীবন না জীবিকা’।  এছাড়া একাধিক আইনজীবী সমিতি ও সিনিয়র আইনজীবীরা কোর্ট খোলার সিদ্ধান্ত পুনঃবির্বেচনার অনুরোধ করেন। পরে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের মতামত নিয়ে স্বল্প পরিসরে কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সোমবার পর্যন্ত স্থগিত করেন।

এদিকে দৈনিক প্রভাতবেলা বিচার প্রার্থী ও কারান্তরীণদের দুর্ভোগ আহাজারি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে সীমিত  পরিসরে আদালত চালু রাখার আহবান জানানো হয়। এছাড়া কারান্তরীণ নিরপরাধ বহু মানুষের স্বজন পরিজন আদালত সীমিত পরিসরে খুলে রাখার দাবী জানান।

ভুক্তভোগীমহল মনে করছেন সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে আদালত চালু রাখা সম্ভব। কারাগারে ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবার আগেই জামিনযোগ্য আসামীদের মুক্তির ব্যবস্থা করা জরুরী।

  • 41
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    41
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ