তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ

প্রকাশিত: ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ৫, ২০২০

তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ

 

নিশাত সুলতানা:

 

মধ্যপ্রাচ্যের ইহুদীরা একসময় সংঘবদ্ধ হয়ে আলাদা রাষ্ট্র তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। সে মোতাবেক পশ্চিমা মদদে ১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল নামক এক ইহুদী রাষ্ট্র গঠিত হয়। কিন্তু জাতিগত দ্বন্দ্বের কারণে ইসরায়েলকে অন্যান্য আরব দেশগুলো মেনে নিতে পারে নি। মুসলিম রাষ্ট্র ফিলিস্তিনে অনৈতিকভাবে ও জোর-জবরদস্তির মাধ্যমে ইসরায়েলকে চাপিয়ে দেওয়ার পর থেকে আরব দেশগুলোর সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের যুদ্ধ হয়েছে বেশ কয়েকবার। সেগুলোর মধ্যে ১৯৬৭ সালের জুন মাসের যুদ্ধটি অন্যতম। ইতিহাসে এ যুদ্ধ জুন যুদ্ধ বা তৃতীয় আরব ইসরায়েল যুদ্ধ নামে পরিচিত। ৫ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনের এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

 

এই যুদ্ধের সূত্রপাত সেই ১৯৪৮ সাল থেকে। ইসরায়েল নবগঠিত দেশ হওয়ায় সেনাবাহিনী ততটা শক্তিশালী ছিল না। সেই সময় আইজ্যাক রবিন ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। তিনি ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে থাকেন। এ জন্য প্রচুর তরুণ ইসরায়েলিকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়। দেখতে দেখতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষ ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তারা ১৯৬৭ সাল নাগাদ পরমাণু শক্তি অর্জনের কাছাকাছি চলে যায়। সেনাপ্রধান আইজ্যাক রবিন তখন প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। তিনি যেকোন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন।

 

সে সময় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রাজনৈতিক উত্থান-পতন শুরু হয়। তখন মিশরীয় সেনাবাহিনীর মেজর গামাল আব্দুল নাসেরের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী মিশরের রাজাকে উৎখাত করে। ১৯৫৬ সালে আব্দুল নাসের মিশরের প্রেসিডেন্ট হন। সে বছর তিনি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের জন্য সুয়েজ খাল বন্ধ করে দেন। কিছুদিন পর মিশর লোহিত সাগরে অবস্থিত আকাবা উপসাগরের তিরান প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়। এ পানি পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইসরায়েলের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত নতুন বন্দর ‘ই-ইলাত’ প্রায় অচল হয়ে পড়ে। পূর্বদিকে ইসরায়েলের নৌ যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা ছিল তিরান প্রণালি। এটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে ইসরায়েল কার্যত বেশ সমস্যায় পড়ে যায়।

 

মিশর, সিরিয়া ও জর্ডান মিলে সিনাই উপদ্বীপ, গোলান মালভূমি ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলে হামলা চালানোর জন্য সেনা মোতায়েন করে। ইসরায়েল আন্দাজ করতে পেরেছিল যে আরবের দেশগুলো তাদের আক্রমণ করতে পারে। উভয়পক্ষই আরেকটি যুদ্ধের আভাস পাচ্ছিল। কেননা আরব দেশগুলো ও ইসরায়েলের মধ্যকার বিশ্বাস ও আস্থা কমে গিয়ে ঘৃণার জন্ম নিচ্ছিল। অবিশ্বাস দিনকে দিন চরম রূপ ধারণ করছিল। ১৯৫০-৬০’দশকে ঘটে যাওয়া স্নায়ু যুদ্ধ তাদের সম্পর্কের তিক্ততা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।

 

যুদ্ধের প্রস্তুতি দুপক্ষই মোটামুটিভাবে নিচ্ছিল। মিশর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে আধুনিক বিমান ব্যবস্থা আনয়ন করে। অন্যদিকে ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মিত্রতা বজায় রেখে আসছিল। ইসরায়েল ১৯৬০’দশকে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছ থেকে যুদ্ধ বিমান ও ট্যাংক কিনে।

 

কথায় বলে, কিঞ্চিৎ ভুল সাড়াজীবনের আফসোস। মিশর, সিরিয়ার ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছিল। মিশর ও সিরিয়া সামরিক শক্তির প্রতি তেমন মনোযোগী ছিল না। তিরান প্রণালি ও সুয়েজ খাল বন্ধ করে গামাল আব্দুল নাসের আরবদের কাছ থেকে যে গৌরব অর্জন করেছিলেন তাতে গা ভাসিয়ে দিয়ে ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল কর্তৃক পরাজয়ের কথা বেমালুম ভুলে গিয়েছিলেন। ইসরায়েল যখন আক্রমণের পূর্ণ পরিকল্পনার ছক আঁকে তখন তিনি প্যান-আরব জাতীয়তাবাদ নিয়ে ব্যস্ত। সেনাবাহিনী তৈরির কথা তাঁর মাথাতেই নেই। এদিকে অভিভাবকহীন সেনাবাহিনী রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। সামরিক অভ্যুত্থানও করে। আরবরা নিজেদের মধ্যে একতার কথা ফলাও করে প্রচার করত। কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের মধ্যে বিভক্তি ছিল স্পষ্ট। বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় জর্ডানের বাদশাহ হুসেইন ছিলেন ব্রিটেন ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং তাঁর দাদা বাদশাহ আব্দুল্লাহর সাথে ইহুদী গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ যোগাযোগ ছিল।

 

দুপক্ষের তিক্ততা চরমে গেলে শুরু হয় যুদ্ধ। ১৯৬৭ সালের ১৪ মে ইসরায়েল জানতে পারে মিশরের সেনাবাহিনী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। এটা শুনে ইসরায়েলও চুপ করে থাকে নি। তারাও সিনাই উপত্যকা সংলগ্ন তাদের সেনাশক্তি জোরদারের জন্য বেশ কয়েকটি সাঁজোয়া ইউনিট পাঠায়। ইসরায়েল ও মিশরের সীমান্ত তুলনামূলকভাবে অনেকটাই শান্ত ছিল। আসল সংঘাতটি হয়েছিল সিরিয়ার সাথে ইসরায়েলের।

 

আমেরিকা ইসরায়েলের মিত্রপক্ষ ছিল তাই সবধরণের সহায়তা তারা ইসরায়েলকে দিয়েছিল এবং তারা এটাও জানত যে, আরব একসাথে হলেও ইসরায়েলকে পরাস্ত করতে পারবে না। এদিকে মিশরের বিমানবাহিনী শক্তিশালী হলেও সেনাবাহিনী ছিল দূর্বল।

 

১৯৬৭ সালের ২ জুন ইসরায়েল আইজ্যাক রবিনের নেতৃত্বে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায় এবং তারা রাজনীতিবিদদের আশ্বস্ত করে যে, কোনভাবেই মিশর ইসরায়েলকে পরাস্ত করতে পারবে না। জুন মাসের ৩ তারিখে ইসরায়েলের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মিইর আমিত ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে। সফরের উদ্দেশ্য ছিল যে, ইসরায়েল যদি আরব দেশগুলোতে হামলা চালায় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে কোন আপত্তি জানাবে কি না। মার্কিন কর্মকর্তারা মিইর আমিতকে আশ্বস্ত করে জানায় যে, মিশর ইসরায়েলের উপর হামলা করবে এমন তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে তারা এটা জানে যে, যদি যুদ্ধ বাঁধে তবে ইসরায়েল নাসেরের নেতৃত্বাধীন মিসরকে হারাতে সক্ষম হবে। আমেরিকা ইসরায়েলকে যুদ্ধে নামার জন্য সবুজ সংকেত দেয়।

 

১৯৬৭ সালের ৫ জুন ইসরায়েল বিমান হামলার জন্য তৈরি হয়ে যায়। তাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল আরবদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া। ইসরায়েল আগে থেকে আরবদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গোপন নকশা জোগাড় করেছিল। ইসরায়েলি যুদ্ধ বিমানের পাইলটদের কাছে মিশর, সিরিয়া ও জর্ডানের বিমান ঘাঁটির চিত্র সংবলিত বই ছিল।

 

ইসরায়েলের প্রথম আক্রমণ ছিল মিশরের বিমান ঘাঁটিতে। তখন মিশরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সিনাই এর একটি বিমান ঘাঁটিতে বৈঠক করছিলেন। কি ঘটতে চলেছে মিশরের কর্মকর্তারা প্রথমে বুঝতেই পারেন নি। তারা ভেবেছিলেন তাদের নিজেদের কোন গ্রুপ হয়ত বিদ্রোহ করছে। দিনশেষে দেখা গেল জর্ডান ও সিরিয়ার প্রায় অধিকাংশ বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করে ইসরায়েল পুরো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। জর্ডান কিছু প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলেও মিশর প্রথম দিনের পরই বুঝতে পেরেছিল তারা অনেকটাই হেরে গেছে।

 

ছয় দিনের এ যুদ্ধে মিশর, সিরিয়া ও জর্ডানের সেনাবাহিনী ইসরায়েলের কাছে পরাস্ত হয়। ইসরায়েল মিশরের সিনাই মরুভূমি, গাজা উপত্যকা, সিরিয়ার গোলান মালভূমি এবং জর্ডানের পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে। এই প্রথমবারের মতো ইহুদীদের পবিত্র ভূমি জেরুজালেম ইসরায়েলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। ইসরায়েলিরা সেখান থেকে বহু ফিলিস্তিনিকে বিতাড়িত করে।

 

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গামাল আব্দুল নাসের পদত্যাগ করেন। কিন্তু প্রবল জনসমর্থনে তিনি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসেন এবং ১৯৭০ সালে তাঁর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ক্ষমতায় আসীন ছিলেন। সিরিয়ার ক্ষমতা দখল করেন বিমান বাহিনীর কমান্ডার হাফিজ আল আসাদ। আর জর্ডানের বাদশাহ হুসেইন ক্ষমতায় টিকে ছিলেন ইসরায়েলের সাথে গোপন যোগাযোগ রক্ষা করে। তারই প্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে শান্তি চুক্তি করে।

 

এ যুদ্ধের পরে আমেরিকা ইসরায়েলকে অন্য দৃষ্টিতে দেখা শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে। ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন ফরাসী দৈনিক লা মান্ডেকে বলেন যে, নাসের সিনাই পর্বতে যে সেনা মোতায়েন করেছিলেন তা ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ করার জন্য নয়। বরং ইসরায়েলই নিজে থেকে যুদ্ধ করতে চেয়েছিল। ছয় দিনের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দুই সেনা কমান্ডারও এই কথার সত্যতা যাচাই করে বলেন, “সে সময় ইসরায়েল মিশর বা অন্য কোন আরব দেশের পক্ষ থেকে কোন ধরণের হুমকির মুখে ছিল না, বরং ইসরায়েলই ব্যাপক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে যুদ্ধের আয়োজন করছিল।”

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক কাসাগ্রান্ডা রায় মনে করেন, ১৯৬৭ সালের জুন মাসের এ যুদ্ধের ফলে ফিলিস্তিনের অনেক বেশি ভূখণ্ড ইসরায়েলের দখলে চলে যায়। এটা যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী পরিণাম যা এখনও দুপক্ষের মধ্যকার বৈরিতা বজায় রেখেছে। নাসেরের হামলা চালানো সম্পর্কে তিনি বলেন, “মিশর ইসরায়েলের সঙ্গে কোন যুদ্ধই করতে চায় নি এবং তখন যুদ্ধ করার মতো অবস্থাও তার ছিল না। কারণ, মিশর সে সময় ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আর তিরান প্রণালি বন্ধ করাটা ছিল একটা প্রতীকী পদক্ষেপ মাত্র। কেননা ইসরায়েলের মাত্র দুই শতাংশ বাণিজ্য বিনিময় ঘটতো এই প্রণালি দিয়ে।”

 

কাসাগ্রান্ডা রায় আরও বলেছেন, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন আব্দুল নাসেরকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি নাসেরকে এই ভরসা দিয়েছিলেন যে, ইসরায়েল হামলার কোন পদক্ষেপ নেবে না। এ কথা শুনে নাসের সীমান্ত থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীবাহিনীকে উঠিয়ে নিতে বলেন। সম্প্রতি মার্কিন সরকার তার গোপন তথ্যাগার থেকে যেসব তথ্য ফাঁস করেছে তা এবং টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসন লাইব্রেরির দলিল-প্রমাণের আলোকে দেখা গেছে, মার্কিন সরকার এটা জানত না যে ইসরায়েল কখন হামলা করবে। তবে হামলা যে করবে এটা ঠিকই জানতো।

 

১৯৬৭ সালের ৫-১০ জুন যুদ্ধ সংঘটিত হয়ে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ২৪২ নম্বর প্রস্তাবে এই যুদ্ধে অধিকৃত আরব দেশগুলোর সমস্ত অঞ্চলের ওপর দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু ইসরায়েল মার্কিন মদদে শুধু এ প্রস্তাবই নয়, তারা এ পর্যন্ত জাতিসংঘের কোন প্রস্তাবই বাস্তবায়ন করে নি। অথচ যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছা করলেই জাতিসংঘের এ প্রস্তাব মেনে নিতে ইসরায়েলকে বাধ্য করাতে পারতো। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নিজের স্বার্থে এটা কখনও করবে না, উপরন্তু যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রতি বছর সাড়ে তিন শত কোটি ডলার অর্থ সাহায্য দিয়ে থাকে। যদি মার্কিন সরকার এ সাহায্য না দিত তাহলে ইসরায়েলের পক্ষে এ ধরণের আগ্রাসী মনোভাব দেখানো সম্ভব হতো না। যুক্তরাষ্ট্রের এ অনৈতিকতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা মুসলিম বিশ্ব ও অন্যান্য স্বাধীনচেতা ও মুক্তিকামী জনগণের কাছে ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়েছে।

 

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি জবরদখল মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় অমীমাংসিত সংকট। মূলত মার্কিন সরকারের অন্ধ সমর্থনের কারণেই ইসরায়েলের দম্ভ ও ঔদ্ধত্য দিনকে দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একতাই পারে ইসরায়েলের মতো দখলদার দেশকে কোণঠাসা করে রাখা।

 

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা, উইকিপিডিয়া ও ইন্টারনেট

  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ