থাইল্যান্ডে ৩৬ পণ্য রপ্তানিতে সুবিধা চান বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২০

থাইল্যান্ডে ৩৬ পণ্য রপ্তানিতে সুবিধা চান বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রভাতবেলা ডেস্ক:

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। এখন চমৎকার বিনিয়োগের পরিবেশ বিরাজ করছে বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত চলছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য ব্যবধান কমানো দরকার। এই জন্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ডিউটি ফ্রি-কোটা ফ্রি সুবিধা প্রয়োজন। আরও ৩৬টি পণ্য থাইল্যান্ডে রপ্তানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করা হলে দুই দেশের বাণিজ্য বাড়বে। পাশাপাশি বাণিজ্য ব্যবধান কমে আসবে।

 

 

বুধবার (৮ জানুয়ারি) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড দুই দিনব্যাপী জয়েন্ট ট্রেড কমিটির (জেটিসি) পঞ্চম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

থাইল্যান্ড সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভিসা প্রদান করা হলে বাণিজ্য আরও সহজ হবে।

 

 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বকসীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশে এখন চমৎকার পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

 

 

টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশে হেল্থ সেক্টরে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা। যৌথ উদ্যোগে থাইল্যান্ড বাংলাদেশে উন্নতমানের হাসপাতাল নির্মাণ করলে বাংলাদেশ সরকার সহায়তা প্রদান করবে। এতে থাইল্যান্ড-বাংলাদেশ উভয় দেশই উপকৃত হবে।

 

 

তিনি বলেন, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে ৪৪ দশমিক ০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ৯৫২ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করেছে। বাংলাদেশ ওষুধ, সামুদ্রিক মাছ, সাবান, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ও অন্যান্য প্রাণিজ পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য এবং রাবার রপ্তানি করছে। থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের আরও বেশকিছু পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বাণিজ্য সুবিধা পাওয়া গেলে থাইল্যান্ডে রপ্তানি বৃদ্ধি করা সম্ভব। থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ ‘ওয়ান বেল্ড ওয়ান রোড’ উদ্যোগের সদস্য, এতে করে দুদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লাভবান হবে।

 

 

থাই কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের ৩৬টি পণ্যের তালিকা হস্তান্তর করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো থাইল্যান্ড সরকার সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবে।

 

 

উল্লেখ্য, বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী ৯ জানুয়ারি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে। থাইল্যান্ড-বাংলাদেশ জয়েন্ট ট্রেড কমিটির ৬ষ্ঠ সভা সুবিধাজনক সময়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

প্রভাতবেলা/এমএ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ সংবাদ