নতুন দিনে প্রত্যাশা- হোক শান্তির সূর্যোদয়

প্রকাশিত: ১২:০২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১, ২০২০

নতুন দিনে প্রত্যাশা- হোক শান্তির সূর্যোদয়

মহাকালের পাতা থেকে খসে গেল আরো একটি অধ্যায়। চলে গেল আরো একটি বছর। বিদায় ২০১৯। নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। পাওয়া না পাওয়ার হিসাব, আনন্দ বেদনার টালিখাতা পেছনে ফেলে আজ থেকে নতুন স্বপ্নে নতুন দিন শুরু করবে সবাই। কষ্ট বেদনার গ্লানি ঝেড়ে ফেলে সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায় নতুন করে পথচলার সুযোগ খুঁজবে সবাই। নতুন দিনে সবার প্রত্যাশা দিগন্তের বুকে আবার হোক শান্তির সূর্যোদয়।

 

 

ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন, আজ ১ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিস্টাব্দ। বিশ্বের প্রতি প্রান্তের মানুষের কাছে নতুন বছর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়। পুরোনোকে পেছনে ফেলে সম্ভাবনার পথে হাঁটা।

 

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদযাপনের মধ্য দিয়ে। পশ্চিম থেকে মধ্যপ্রাচ্য উদযাপনে পিছিয়ে থাকেনি এশিয়ার দেশগুলোও। আলোকসজ্জা, আর রং তুলির আঁচড়ে সেজেছে বৃহৎ স্থাপনা। ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২টা বাজতেই বিশ্বজুড়ে শুরু হয় নতুন বছরকে বরণের আনুষ্ঠানিকতা। আতশের আলোর ঝলকানিতে মেতে ওঠে পুরো বিশ্ব।

 

 

 

নিউইয়র্কের টাইম স্কয়ার, লন্ডনে বিগ বেন ক্লক টাওয়ার, ফ্রান্সের প্যারিস, জার্মানির বার্লিনে ব্রানডেনবার্গ গেট, জাপানের টোকিও, ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে কোপাকাবানা সৈকত, অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে হারবার ব্রিজ, চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ন্যাশনাল স্টেডিয়াম, রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর রেড স্কয়ার, সিরিয়ার আলেপ্পো, কোরিয়ার কিম ইল সাং স্কয়ারে আতশের উৎসবে মাতে কোটি মানুষ।

 

 

নতুন বছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ শিশুদের হাতে নতুন বই। বছরের প্রথম দিনে সারা দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালিত হবে। এ দিন সরকারিভাবে বিনা মূল্যে ৪ কোটিরও বেশি শিশুর হাতে ৩৫ কোটিরও বেশি নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে। ২০১০ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এ বই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ১১তম পাঠ্যপুস্তক উৎসবের উদ্বোধন করেন।

 

 

নতুন বছরের প্রথম দিনে দেশের মানুষের অঙ্গীকার আলোকিত দেশ গড়ার প্রত্যাশা। বিভেদ বৈষম্যের বুক চিরে প্রতিষ্ঠা হবে সাম্য-ন্যায় ও শান্তি।

 

 

এক পলকে খ্রিস্টাব্দ :

 

বর্ষপঞ্জি প্রথম উদ্ভব হয়েছিল সুমেরীয় সভ্যতায়। মিশরীয় সভ্যতাই সৌর ক্যালেন্ডার আবিষ্কার করে বলে কথিত রয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বেরিয়ে আসে যে, খ্রিস্টপূর্ব ৪২৩৬ অব্দ থেকে ক্যালেন্ডার ব্যবহার শুরু হয়। ৩৬৫ দিনে সৌর বর্ষ গণনা করত মিশরীয়রা। তবে ৫৩২ অব্দ থেকে রোমানদের হাত ধরে খ্রিস্টাব্দের সূচনা হয়।

 

 

প্রভাতবেলা/এমএ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 10
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ