পশু শুন্য জুড়ী বড়লেখা কুলাউড়ার হাট

প্রকাশিত: ৫:০০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২০

পশু শুন্য জুড়ী বড়লেখা কুলাউড়ার হাট

এম. রাজু আহমদ, আঞ্চলিক প্রধান ,জুড়ী♦ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখার প্রায় অর্ধশত পশুর হাট ক্রেতা বিক্রেতা ও পশুশূন্য। তিন উপজেলায় নিয়মিত পশুরহাট ছাড়াও ঈদ উপলক্ষে অর্ধশতাধিক পশুর হাট বসতো প্রতি কুরবানীর ঈদে। এবারই ব্যতিক্রম। মৌসুমী হাট তো নেই। নিয়মিত হাটগুলোতে গুটি কতেক বিক্রেতা পশু নিয়ে অবস্থান করছেন। কিন্তু কপালে তাদের দুশ্চিন্তার ভাঁজ। তিন/চার দিনেও ক্রেতার মুখ দেখছেন না বেপারীরা।

ঈদে ক্রেতা বিক্রেতা শূণ্য পশুর হাট, পিছিয়ে কেনাকাটাও। আসন্ন পবিত্র ঈদুল-আযহা কোরবানির ঈদ। ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর জমছে না  কোরবানির হাট। ক্রেতাদের উপস্থিতি খুবই কম। কুরবানীতে প্রভাব পড়েছে অর্থনৈতিক মন্দার।

জেলার  জুড়ী, বড়লেখা, কুলাউড়া, ব্রাহ্মণবাজার ও ফুলতলায় সাপ্তাহিক পশুর হাট বসে। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে প্রতি বছর ঈদের ১০/১২ দিন আগে থেকেই সাপ্তাহিক হাটের পাশাপাশি মৌসুমী কোরবানির গরু, ছাগলসহ কোরবানির বিভিন্ন পশু বেচাকেনার ধুম পড়ে গেলেও অর্থনীতিক মন্দায় এবার এর বিপরীত।

একদিকে চলমান করোনার আতঙ্ক, অন্যদিকে নতুন একটি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে গরু। এছাড়া বিভিন্ন কারণে পরিবারকে টাকা দিতে পারছেন না প্রবাসীরা। ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থাও তেমন একটা ভালো নয়। সব মিলিয়ে এ বছরের কোরবানির ঈদে বিভিন্ন হাট-বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি অন্যান্য বছরের তুলনায় প্রায় শূণ্যের কোটায়।

এ বিষয়ে, জুড়ী, বড়লেখা, কুলাউড়া ও ফুলতলা শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ক্রেতাদের সাথে কথা হলে জানা যায়, অন্যান্য বছরের তুলনায় প্রায় ৫ ভাগের এক ভাগও গুরু, ছাগল নিয়ে হাটে আসছেন না ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদেরও কুরবানিতে চাহিদা নেই অন্যান্য বছরের মত। কোরবানির পশুর পাশাপাশি অন্যান্য কেনাকাটায়ও ক্রেতাদের চাহিদা না থাকায়, ব্যবসায়ীরা দুঃশ্চিন্তা আর নিরানন্দে দিন পার করছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 138
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ