‘ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, আকবরের ফাঁসি চাই’

প্রকাশিত: ২:৪১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০২০

‘ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, আকবরের ফাঁসি চাই’

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক:

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ‘নির্যাতনে’ রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের বহিষ্কৃত উপ পরিদর্শক আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হচ্ছে, এমন খবর জানতে পেরে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে ভিড় করেন উৎসুক জনতা।

পরে মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে সিলেটের আদালত চত্বরে আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে হাজির করার পর পুলিশী নিরাপত্তার মধ্যেই বিক্ষোভ করেন উপস্থিত জনতা। এ সময় শতাধিক মানুষ আকবরের ফাঁসি চেয়ে স্লোগান দেয়। তারা আকবরকে দেখা মাত্রই ‘ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, আকবরের ফাঁসি চাই’ বলে শ্লোগান দিতে শুরু করেন। তবে পুলিশ তৎপর থাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

এদিন বেলা আনুমানিক দেড়টার দিকে আকবরকে আদালতে প্রাঙ্গণে হাজির করেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর সদস্যরা। পরে চীফ সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল কাশেমের আদালতে তাকে তোলা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কর্মকর্তা। পরে শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ঘটনার ২৮ দিন পর সোমবার (৯ নভেম্বর) সকালে কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের ডোনা সীমান্ত এলাকা থেকে এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ। সন্ধ্যা ৫টা ৫৫ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তায় তাকে কানাইঘাট থেকে সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। পরে সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ সুপার। এদিন রাত পৌনে ৮টার দিকে তাকে পিবিআইর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ১০ অক্টোবর শনিবার মধ্যরাতে রায়হানকে নগরীর কাষ্টঘর থেকে ধরে আনে বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। পরদিন ১১ অক্টোবর ভোরে ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হানের পরিবারের অভিযোগ, ফাঁড়িতে ধরে এনে রাতভর নির্যাতনের ফলে রায়হান মারা যান। ১১ অক্টোবর রাতেই রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন। এর পর থেকেই পুলিশের বহিষ্কৃত উপ পরিদর্শক আকবর হোসেন ভূঁইয়া পলাতক ছিলেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 17
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ