ক্রেতা সংকটেে ধুকছে জুড়ীর কামিনীগন্জ পশুবাজার

প্রকাশিত: ১:১০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০২০

ক্রেতা সংকটেে ধুকছে জুড়ীর কামিনীগন্জ পশুবাজার

এম.রাজু আহমেদ,আঞ্চলিক প্রধান,জুড়ী♦মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কোরবানীর হাটে প্রচুর পরিমাণে  পশু থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। গত বছরের তুলনায় এবার অর্ধেক ক্রেতাও নেই। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পশুর হাট কামিনীগগঞ্জ বাজারে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়।

এ বাজারের নিয়মিত ও মৌসুমী গবাদি পশু বিক্রেতা-ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পশুর হাটের জন্য নির্ধারিত স্থান পেরিয়ে আশে-পাশের প্রতিটি গলি ও সড়কে পশুর পসরা বসেছে। করোনাভাইরাস কেন্দ্রিক বৈশ্বিক মহামারীর প্রভাব সর্বত্র বিরাজমান। স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন ব্যবসায় ধস নামার পাশাপাশি প্রবাসীরাও বেশ ক্ষতিগ্রস্থ। এমতাবস্থায় কোরবানীতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে- গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানীদাতার সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। তাছাড়া গতবারের চেয়ে এবার গরুর দামও অনেক কম হবার পরেও ক্রেতা নেই। যে কারণে নিয়মিত গরু ব্যবসায়ীরা খুব বেশী ক্ষতিগ্রস্থ না হলেও ঈদ কেন্দ্রিক মৌসুমী খামারীরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। বড় গরু গুলোতে খরচের তুলনায় দাম পাওয়া যাচ্ছে না।

সে হিসেবে ছোট গরু গুলো সুবিধামত দামে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর যে বা যারা লাখ টাকায় গরু কিনেছেন, বৈশ্বিক দুর্ভোগের শিকার হয়ে তাঁদের অনেকেই এবার ১৫/২০ হাজার টাকায় খাসী/ছাগল কিনে নিতে দেখা যায়। কামিনীগঞ্জ বাজারের মত উপজেলার ফুলতলাবাজার গরুর হাটেও একই অবস্থা বিরাজমান। শুধু পশু বিক্রেতা-ক্রেতা নয়, করোনা ভাইরাসের কারণে বাজার ইজারাদারগণ সবচেয়ে বেশী আর্থিক ক্ষতির সম্মূখীন হচ্ছেন।

কামিনীগঞ্জ বাজার ইজারাদার ও জায়ফরনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা বলেন, গত বছর এদিনের তুলনায় এবারের এদিনের আয় বিশ ভাগে নেমে এসেছে। সরকারি নির্দেশনায় প্রায় চার মাস বাজার বন্ধ ছিল। এরপর বাজার খুললেও করোনা ভাইরাস, গরুর বিভিন্ন রোগ, দেশী-প্রবাসীদের আর্থিক সংকট, বিয়ে ও শিরণী ইত্যাদি বন্ধ থাকার কারণে পশু বিক্রি নেই বললেই চলে। তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হাটবাজার ইজারাদারদের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 37
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ