সিলেট ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
প্রকাশিত: ১০:১০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৬
কবীর আহমদ সোহেল:
শিক্ষকদের অধ:পতনে ধুকছে দেশ। অন্তহীন অভিযোগ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এমন কোন অপকর্ম নেই যা থেকে মুক্ত কতিপয় শিক্ষক । কতিপয় শিক্ষকের লাগামহীন অনৈতিকতায় পুরো শিক্ষক সমাজের সম্মান ক্ষুন্ন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যৌন হয়রানী, শারিরিক নির্যাতন, পরীক্ষায় নম্বর দানে অনিয়ম, প্রশাসনিক দুর্নীতি, তহবিল তসরুপের অভিযোগের পাহাড় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। জাল সনদে চাকুরী, তৃতীয় বিভাগকে প্রথম বিভাগ বানিয়ে পদোন্নতি এমন অভিযোগ রয়েছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। প্রভাতবেলা’র অনুসন্ধানে পাওয়া যায় শিক্ষকদের নানান রহস্যজনক অপরাধ। এমনকি জঙ্গি তৎপরতায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শাহজালাল াবশ্বাবদ্যালয় থেকে শুরু করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও জড়িয়ে পড়ছেন নানা অপরাধে।সম্প্রতি সংঘটিত কয়েকটি গুরুতর অপরাধ চিত্র নিয়ে প্রভাতবেলা’র এ প্রতিবেদন। শাহজালাল বিজ্ঞানও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নম্বর কম দেয়ার অভিযোগ করেছেন এক শিক্ষার্থী। নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক টাকা আত্মাসাতের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। বালাগঞ্জ উপজেলার মুসলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়েরর শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকের সিংচাপইড় একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় হচ্ছে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: লোকজ প্রশাষন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে নম্বর প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উক্ত বিভাগের একজন ছাত্রী। বিভাগের ¯œাতকত্তোর ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী বিথী রানী দেবনাথ এ অভিযোগ করেন। এছাড়া ঐ ছাত্রীকে থিসিস পেপারে স্বীকারোক্তি অংশে ‘ সকল প্রসংশা একমাত্র আল্লাহর’ লিখতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।লিখিত অভিযোগে জানা যায় ২০০৮-০৯ সেশনের ছাত্রী বিথী নিজ ব্যাচে প্রথম স্থান অধিকার করে ¯œাতক সম্পন্ন করেন।কিন্ত ¯œাতকোত্তর পর্যায়ে দুটি সেমিস্টারের সম্মিলিত ফলাফলে জিপিএ ৩.৫৫ পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করলেও ১২ ক্রেডিটের থিসিসে (পিএডি-৬১১)ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে কম নম্বর দেয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।গত ৭ আগষ্ট বিভাগীয় প্রধান বরাবর থিসিস রিপোর্ট পুনর্মুল্যায়নের জন্য লিখিত অভিযোগ দেন ভূক্তভোগী ঐ ছাত্রী।থিসিস পূনর্মূল্যায়নের কোন এক পর্যায়ে তাকে বিথীকে বঞ্চিত করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়।বিভাগ সূত্র জানায়-ঐ ছাত্রীর আবেদনর প্রেক্ষিতে দুই বার বিভাগীয় বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে কোন সমাধানে পৌছাতে না পারায় গত ১৮ আগষ্ট বৃহষ্পতিবার একাডেমিক কাউন্সিলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। নাম প্রকামে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান-মোট ১০০ নম্বরের থিসিস রিপোর্টের ভাইভা, পেজেন্টেশন এবং এক্রটার্নাল শিক্ষকের কাছে ন্যায্য নম্বর পেলেও থিসিস রিপোর্টের তত্বাবধায়কসামিউল ইসলাম উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কম নম্বর দেয়ায় সম্মিলিত ফলাফলে এর প্রভাব পড়ে।এর ফলে ¯œাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম স্থান থেকে সে তৃতীয় স্থানে নেমে যায়।এ ব্যাপারে অবিযোক্ত শিক্ষক সামিউল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-এ বিষয়ে আমি কোন মন্তব্য করব না।াতান ছাত্রীর অভিযোগের ব্যাপারে বিভাগীয় প্রধানের সাথে কথা বলতে বলেন।
নবীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক অর্থ আত্মসাত : নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক টাকা আত্মাসাতের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুর ১২টায় অনুষ্টিত হয়েছে।
অভিযোগকারী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান অবসরে গেলে সহকারী শিক্ষক বদরুল আলম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেন। প্রধান শিক্ষক ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন খ্যাত দেখিয়ে টাকা আদায় করে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে তা খরচ করেন। বিদ্যালয়েরর বিভিন্ন খাত হইতে প্রাপ্ত টাকা বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ব্যাংক একাউন্টে জমা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে নিজের কাছে রেখে আত্মসাৎ করেন। প্রধান শিক্ষক বদরুল আলম তার দীর্ঘ দিনের দুর্নীতিকে আরও দীর্ঘায়িত করার জন্য অফিস সহকারী নুর মোহাম্মদকে সরিয়ে সহকারী শিক্ষক অচিন্ত্য আচার্য্য মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করে থাকেন। এবং ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০০ গজের মধ্যে পাঞ্জেরী কিন্ডার গার্ডেন এন্ড জুনিয়র হাই স্কুল নামে তার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সিলেট শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ দায়েরের প্রেক্ষিতে বোর্ড কর্তৃক হবিগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার মোজাফ্ফর হোসেনকে আহবায়ক ও আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ লুৎফুর রহমান ও দীঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজামুল ইসলামকে সদস্য করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি অভিযোগকারীদের নোটিশ প্রদান না করে প্রধান শিক্ষককে অবহিত করে তদন্তকার্যে উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারীদের মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে তাদের বক্তব্য শুনেন। এ নিয়ে আলোচনার শুরুতে অভিযোগকারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে ইনাতগঞ্জ আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আজিজুরর রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষকের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগকারীর বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। তদন্ত কমিটি যাচাই- বাচাই করলে সত্য অবশ্যই উদঘাটন হবে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বজরুর রশিদ বলেন, আমি চাই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দুর্নীতিমুক্ত হউক, শিক্ষা প্রতিষ্টানে দূনীতিবাজদের স্থান নেই। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহবায়ক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযোগকারীদের বক্তব্য শুনেছি ও নোট করেছি তদন্ত প্রতিবেদন সিলেট শিক্ষা বোর্ডে প্রেরণ করবো। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
বালাগঞ্জে শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতন: বালাগঞ্জ উপজেলার মুসলিমাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়েরর শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সালাউদ্দীন এর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ আনেন নবম শ্রেনীর (খ) শিক্ষার্থী আল-আমিন।
জানা যায়, গত বৃহঃস্পতিবার অর্ধ-বার্ষিক পরিক্ষার খাতাপত্র শ্রেণিকক্ষে দেয়া হয়। এতে আল-আমিন তার পরিক্ষাপত্রে ফলাফল কম আসে বলে শিক্ষককে জানান। এব্যপারে আল আমিন সহকারি প্রধান শিক্ষককের সাথে আলাপ করতে চাইলে শিক্ষক সালাউদ্দীন বিদ্যালয়ের বারান্দায় ছাত্র/ছাত্রীদের সম্মুখে তাকে মারধর করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষক সালাউদ্দীনের কাছে যারা প্রাইভেট পড়েন না তাদের খাতাপত্র ভিন্নভাবে মূল্যালয়ন করে থাকেন।
এব্যপারে বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য মির্জা আবু নাসের জানান, আল-আমিনকে শারিরিক নির্যাতনের অভিযোগ পেয়ে আমরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত দরখাস্ত দিয়েছি। শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতন মোটেও কাম্য নয়।
এব্যপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান জানান, বিষয়টি ভূল বোঝাবুঝির মাধ্যমে ঘটেছিল। আমরা অভিবাবক ডেকে ঘটনাটির নিষ্পত্তি করেছি।
শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রসঙ্গে বলেন, আল-আমিন এর দোষ থাকায় তাকে দু-একটি চর-থাপ্পর মারা হতে পারে বলে জানান তিনি।
একতা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ : সুনামগঞ্জের ছাতকের সিংচাপইড় একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক জালিয়াতি প্রতারণা, ঘুষ গ্রহন, জেএসসি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশনে অতিরিক্ত ফি আদায়সহ ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ বেশ কয়েকদিনের পুরোনো। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে চরম অচলাবস্থা। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের অপসারন দাবিতে এলাকাবাসী সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসারও ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে গত ১৮জুলাই একটি লিখিত আবেদন করেন। কিন্তু একমাস অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারনে এর কোন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। তারা আরো জানান, বিদ্যালয়ের সভাপতি ২০১৫সালের নভেম্বরে ২০১৪সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন। আয়-ব্যয়ের হিসাবে ৯৫হাজার টাকার গড়মিল দেখা দেয়। সেই সময়ে প্রধান শিক্ষক ছিলেন দিলোয়ার উদ্দিন জাহিদও সহকারী ছিলেন আবু হেনা। এসময় আবু হেনা ২০১৪সালের অডিট কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসূযোগে তিনি ব্যাপক জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রওয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া আবু হেনা স্কুলে বিলম্বে আসা, অনুপস্থিতি, রাজনীতি, দলাদলি ও কোন্দলসহ এলাকাবাসীকে বিভক্তি করে নিজের স্বার্থ হাসিলে সর্বদা সচেষ্ট থাকে। তিনি সভাপতিকে কৌশলে ম্যানেজ করে হাতিয়ে নিচ্ছে স্কুলের লক্ষ লক্ষ টাকা। জানা গেছে, প্রতারক আবু হেনা আজমত আলী, মল্লিকপুরও হাজি কমর আলী হাইস্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানে থাকাকালিন এলাকায় গ্রুপিং সৃষ্টি, টাকা আত্মসাত, জালিয়াতি প্রতারনা, প্রশ্নপত্র বিক্রিসহ তার বিরুদ্ধে দূর্নীতি অপকর্মের ব্যাপক ছিল। হাজি কমর আলী হাইস্কুলে ১৫দিনের প্রধান শিক্ষক সেজে জেনারেল ফান্ড থেকে সে হাতিয়ে নেন দেড় লক্ষাধিক টাকা। এখানে প্রশ্নপত্র বিক্রির ঘটনা নিয়ে করছখালী তালুকদার বাড়ির জনৈক শিক্ষার্থী আবু হেনাকে জুতা পেটা করে। এভাবে অন্যান্য প্রতিষ্টানে প্রশ্নপত্র বিক্রি ও টাকা আত্মসাতের বিষয় নিয়ে তাকে ব্যাপকভাবে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। অবশেষে ছৈলা-আফজালাবাদ ইউপির বাংলাবাজার স্কুলে যাবার অপচেষ্টা করলে সুচতুর এলাকাবাসীর তীব্র আন্দোলনের মূখে তার সে আশা দূরাশায় পরিনত হয়। তবে সভাপতি নিজেও টাকা আত্মসাতে জড়িত নন একথা কেউ বিশ্বাস করতে পারছেনা। তিনি আবু হেনাকে প্রধান শিক্ষক করে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সভাপতি মুর্শেদ আহমদ চৌধুরী বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয় হিসাব সূযোগ করে অবশ্যই দেয়া হবে। তবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এপদে প্রার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে জানার থাকতে পারে বলেই তার নামের নীচে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আবু হেনার নিয়োগে টাকা নেয়ার কথা তিনি অস্বীকার করেন। তবে আবু হেনার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি