দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি কী সত্যি? বাংলাদেশের কী হবে?

প্রকাশিত: ৫:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০২২

দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি কী সত্যি? বাংলাদেশের কী হবে?

দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি কী সত্যি? বাংলাদেশের কী হবে?

 

প্রভাতবেলা প্রতিবেদনঃ  সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের সাধারণ নাগরিক। সবার মুখে  গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কার । বৈশ্বিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দুর্ভিক্ষের প্রসঙ্গ টেনে আনছেন প্রধানমন্ত্রি। তিনি বলছেন, বাংলাদেশে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। মিতব্যয়ী হতে হবে, সঞ্চয় বাড়াতে হবে। সেনাবাহিনীর এক অনুষ্ঠানেও সরকারপ্রধান বাংলাদেশ যাতে দুর্ভিক্ষের শিকার না হয়, সেজন্য প্রতি ইঞ্চি জমি খাদ্য উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করতে হবে বলে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে সরকারপ্রধানের জ্বালানি উপদেষ্টা বলেছেন, দিনে বিদ্যুৎ দেয়া যাবে না। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের যে অবস্থা, তাতে জ্বালানি তেল আমদানি করে বিদ্যুৎ তৈরি করা সম্ভব হবে না। সাধারণ জনগণের প্রশ্ন, আসলেই কী দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে? বাংলাদেশের কী হবে?

সত্যিই দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি ?  প্রশ্ন হচ্ছে- সরকারপ্রধান নিজে থেকেই দুর্ভিক্ষের কথা বলছেন, নাকি সত্যিই দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে? খাদ্য উৎপাদন বা অর্থনীতির প্রকৃত অবস্থা কী? মানুষকে কি আসলেই কম খেয়ে বা না খেয়ে থাকতে হচ্ছে? বিদ্যুৎ যদি দিনের বেলায় না দেয়া যায়, তাহলে এর প্রতিক্রিয়া কী দাঁড়াবে? কী অবস্থা অর্থনীতির প্রকৃত সূচকসমূহের?
এ কথা ঠিক যে, বিশ্বজুড়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ যখন দিশেহারা, তখন আরো খারাপ খবরের আভাস মিলছে। ২০২৩ সালে সম্ভাব্য খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কায় এখনই নানা ধরনের সতর্কবাণী উচ্চারণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোয়ও খাদ্যসংকট জোরালো হবার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এরই মধ্যে সতর্ক করে বলেছে, ২০২৩ সালে বিশ্বের ৪৫টি দেশে তীব্র খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে। ২০ কোটি মানুষের জন্য জরুরি সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।
এফএও এবং ডব্লিউএফপির যৌথ রিপোর্টে বলা হয়েছে, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রবল। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বেসলের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা প্রকাশ হয়েছে। এজন্য তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অস্থিরতা এবং যুদ্ধ-বিগ্রহকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, পৃথিবীর ৪৫টি দেশ এখন ‘দুর্ভিক্ষের দরজায় কড়া’ নাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন রিলেশন্স কমিটির সামনে এক বক্তব্যে ডব্লিউএফপি নির্বাহী পরিচালক বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খাদ্য উৎপাদন কমে যাবে এবং এর একটি বড় কারণ হবে যুদ্ধ এবং সারের সংকট। চলতি বছরের জুন মাসে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, ২০২২ সালে কয়েকটি কারণ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি তৈরি করেছে এবং ২০২৩ সালে সেটি আরো খারাপ হতে পারে।

পূর্বাভাস অনুসারে, যুদ্ধ এবং নানাবিধ সংঘাত খাদ্য ঘাটতির জন্য একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়াবে। পৃথিবীতে যত মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছে, তার মধ্যে ৬০ শতাংশ বসবাস করে যুদ্ধ-বিগ্রহকবলিত এলাকায়। ইউক্রেন যুদ্ধ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধের কারণে খাদ্য ঘাটতি কতটা খারাপ হতে পারে। এ যুদ্ধ চলতে থাকলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, জলবায়ুজনিত। পৃথিবীর অনেক দেশ হয়তো বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে, নয়তো খরায় ভুগছে। এর ফলেও খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া করোনা ভাইরাস মহামারি বিশ্ব অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, সেটি এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। চতুর্থত, জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিও খাদ্য ঘাটতির কারণ হতে পারে। খাদ্যদ্রব্যের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে অনেকের জন্য খাদ্য কেনা কঠিন হয়ে যাবে।

খাদ্য উৎপাদন কমে যাওয়ার যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তার পেছনে আরেকটি কারণ হচ্ছে কৃষি উৎপাদনের জন্য সার ও ডিজেলের মতো উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়া। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রধান অর্থনীতিবিদ আরিফ হুসেইন ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে বলেন, এখন সারের দাম বেশি এবং অনেকে কিনতে পারছেন না। এ বিষয়ে নজর দেয়া না হলে আগামী বছর সার পাওয়াই যাবে না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সারের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে কৃষি উৎপাদন কমে যাবার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কৃষ্ণ সাগর দিয়ে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য গত জুলাই মাসে জাতিসংঘ এবং তুরস্কের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। কিন্তু রাশিয়া অভিযোগ করছে, তারা তাদের শস্য এবং সার বিশ্ববাজারে রপ্তানি করতে পারছে না। এটা অব্যাহত থাকলে এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া।
বাংলাদেশের কী হবে?  কিন্তু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশে কেন খাদ্যের অভাব পড়বে। অব্যাহতভাবে ৬-৭ শতাংশ অর্থনীতির বিকাশ হবার পর কেন মানুষ খাদ্য কিনতে পারবে না? তারা অনাহারে-অর্ধাহারে থাকবে? আসলে সরকার বাংলাদেশের যে মাথাপিছু খাদ্য গ্রহণ এবং জনসংখ্যার তথ্য প্রকাশ করছে তার মধ্যে কোনো একটিতে ফাঁক রয়ে গেছে। হয় জনসংখ্যা প্রকাশিত সংখ্যার চেয়ে বেশি অথবা মাথাপিছু খাদ্য গ্রহণের হার বেশি। অথবা সরকার দেশে যে খাদ্য উৎপাদনের কথা বলছে, সেটি সঠিক নয়। এসব কারণে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাদ্য উৎপাদনের পরও খাদ্য আামদানি করতে হচ্ছে। গম আর ভুট্টা তো আমদানি করতেই হচ্ছে। সে সাথে চালও আমদানি করতে হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, দুর্ভিক্ষ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সেটি একেবারে অমূলক নয়। তিনি বলেছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ খাদ্য রফতানি বন্ধ করেছে কিংবা রফতানি নিরুৎসাহিত করার জন্য শুল্কারোপ করেছে। বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকট দেখা দিলে বিভিন্ন দেশ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরো জোরালো করতে পারে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী আগ থেকেই উৎপাদন বাড়ানোর যে কথা বলছেন, সেটি বাস্তবসম্মত। কারণ খাদ্যের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করা ঠিক হবে না। খাদ্যমূল্য যদি অনেক বেড়ে যায়, তখন দরিদ্র মানুষ খাবার কিনতে পারে না। লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতি দরিদ্র মানুষের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে বাংলাদেশে।

ঋণ শোধ নিয়ে মহাসংকট : বাংলাদেশ বিদেশি ঋণ পরিশোধ নিয়ে এক মহাসংকটের মুখে। সবাই সরকারের ডেবট সারভিসিং, মেগা প্রজেক্ট ইত্যাদিতে ফোকাস করছে। বলা হচ্ছে, এখন সংকট নেই, ২০২৪ এর পরে সংকট হবে। গত বছর জুলাইয়ে সিপিডি এক সেমিনারে বলেছে যে, ২০২৪ থেকে বাংলাদেশের ডেবট সারভিসিংয়ের বড় চাপ তৈরি হবে, ২০২৪ থেকে ২০২৭ সালে আমাদের অবস্থা খারাপ হবে কারণ তখন মেগা প্রজেক্টগুলোর ঋণ পরিশোধের সময় হবে। পিআরআই এর ডক্টর সাদিক আহমেদ লিখেছেন, আশঙ্কার কিছু নেই, ২০২১-২২ সালে আমাদের ডেবট সারভিসিং করতে হবে ৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২১-এ করতে হয়েছে ৪.১ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে রফতানির সাথে অনুপাত, জিডিপির সাথে অনুপাত, রিজার্ভের সাথে অনুপাত ইত্যাদি দেখিয়ে তিনি বলেন, মাঝারি থেকে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিকোণ থেকে রফতানি স্থিতিশীল থাকলে খুব বেশি চিন্তা করার দরকার নেই।
২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সুদ ও আসল শোধ করা হয়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে বেসরকারি খাতের স্বল্প মেয়াদি বিদেশি দায় জুন ২০২২-এ ১৭.৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। সবাই জানে যে, বার্ষিক বিদেশি ঋণের দায় হবে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার। তারা ধরে নিয়েছেন যে, এই স্বল্পমেয়াদি ঋণের সারভিসিং-এর হিসাবটা নিশ্চয়ই সেই ৩ থেকে ৫ বিলিয়নে ধরা আছে। এ হিসেবে মোটেও আশঙ্কার কিছু নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই ১৭.৭৫ বিলিয়ন ডলার শর্টটার্ম ঋণ বলা হলেও এটা এখনই পরিশোধ করতে হবে। ৫ বিলিয়ন ডলারের সাথে এটি যোগ হলে সেটি হবে মহা আতঙ্কের। গত এক বছরে রিজার্ভ কমেছে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। আমদানি রফতানি আর রেমিট্যান্সের ভারসাম্যহীনতার কারণে চলতি হিসাবে ঘাটতি বাড়ছে। এ ঘাটতির একটি অংশ এবং ৩৫ বিলিয়ন ডলারের মতো বিলম্বিত এলসি দায়ের একটি অংশ স্বল্পমেয়াদি ঋণে পরিণত হচ্ছে। এ কারণে এক বছরে স্বল্পমেয়াদি বেসরকারি খাতের বিদেশি দায় ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি বেড়েছে। এতে অস্থির হয়ে পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বাংলাদেশের রিজার্ভের অস্থিরতা মানে হলো স্বল্পমেয়াদি ঋণ ও বিনিয়োগ প্রত্যাহারের চাপ বাড়া। এ ধরনের চাপ নেয়ার অবস্থা রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স আয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে নেই। এর পরিণতি দাঁড়াবে বৈদেশিক মুদ্রা খাতের বড় সংকট।
এ সংকট মোকাবিলার জন্য সরকার আইএমএফের ঋণের ওপর ভরসা করছে। ২৬ অক্টোবর থেকে এ ব্যাপারে নেগোসিয়েশন শুরু হয়েছে আইএমএফের সাথে। কিন্তু তারা ব্যাংক ও রাজস্ব খাতে যেসব সংস্কারের শর্ত দিচ্ছে, তাতে এ ঋণ দ্রুত ছাড় পাবার সম্ভাবনা কম। এ কারণে রিজার্ভ নিয়ে এতটা আশঙ্কা। আর প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা বলছেন, রিজার্ভের যে অবস্থা, তাতে তেল-গ্যাস আমদানি করে বিদ্যুৎ দেয়া যাবে না। দিনের বেলা বিদ্যুৎবিহীন থাকার প্রস্তুতি নিতে হবে।

বিদ্যুৎ না থাকলে কী হবে?  জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী বলছেন যে, ১.২ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি কেনার রিজার্ভ নেই। আর এই রিজার্র্ভ না থাকার কারণে দিনের বেলা বিদ্যুৎ না দিতে পারলে কৃষি উৎপাদনের জন্য সেচকাজ ব্যাহত হবে। রফতানিমুখী বস্ত্র খাতের উৎপাদন ব্যাহত হবে। কৃষি উৎপাদন কমলে খাদ্য আমদানির চাপ বাড়বে। কিন্তু রিজার্ভ না থাকায় তা আমদানি করা যাবে না। এর মধ্যে খুব জরুরি ছাড়া কোনো পণ্য আমদানির জন্য ডলার দিচ্ছে না বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে জরুরি ভোগ্যপণ্য এবং শিল্পের কাঁচামাল বা মধ্যবর্তী পণ্য আমদানি করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় বিদ্যুৎও যদি না দেয়া যায়, তাহলে রফতানি করার মতো পণ্য উৎপাদন কমে যাবে। এতে রফতানিমুখী পোশাক কারখানাগুলোর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানই অচল হয়ে পড়বে। বিপুল জনগোষ্ঠী কাজ হারাবে। নিম্নবিত্তদের আয় কমতে থাকবে। অর্থনীতিতে সার্বিকভাবে চাহিদা এবং প্রবৃদ্ধি দুটিই কমবে। অন্যদিকে খাদ্যের দাম বাড়তে থাকবে। এ অবস্থায় বাজারে খাদ্যের সরবরাহ যেমন কমবে, তেমনিভাবে খাদ্য কেনার পয়সাও থাকবে না মানুষের কাছে। এখন ন্যায্যমূল্যে চাল-ডাল দেয়া হচ্ছে। তখন সরকারকে লঙ্গরখানা খুলতে হবে।
এ বাস্তবতার বিষয় সরকারপ্রধান বা জ্বালানি উপদেষ্টার অজানা নয়। তারা আরো জানান, ব্যাংক খাতে যে ১৫ লাখ কোটি টাকার মতো আমানত রয়েছে, তার বড় অংশ ঋণের নামে লোপাট হয়ে দেশের বাইরে চলে গেছে। এ অর্থ আনার জন্য কিছু বিশেষ সুবিধা দিয়েও লাভ হয়নি। কোনো কারণে ব্যাংকগুলো গ্রাহককে টাকা ফেরত না দিতে পারলে এক ভয়ংকর অবস্থা দেখা দেবে। সেটি হলে সরকারপ্রধানের আশঙ্কা আরো প্রবলভাবে সত্যে পরিণত হতে পারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ সংবাদ