ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে মুক্ত বিহঙ্গে মকসুদ

প্রকাশিত: ১:২৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২২

ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে মুক্ত বিহঙ্গে মকসুদ

কবীর আহমদ সোহেল♦ মুক্তি পেয়েছেন যুবদল নেতা মকসুদ আহমদ। ৪২ দিবস- রজনী কারাগারের অন্ধ প্রকোস্টে থাকার পর বুধবার গোধূলী বেলায় সূর্য’র আলো দেখেছেন। মুক্ত বিহঙ্গে নেতা কর্মীর পরশ পেয়েছেন। সিলেটের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির দু:সময়ের সবচেয়ে বেশী কর্মীবান্ধব নেতা মকসুদ আহমদ। কারান্তরীন মকসুদ তা আবারো প্রমাণ করলেন। অন্দরে- বাহিরে সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে নেতাকর্মীর হৃদয়ের মকসুদ আবার হৃদয়েই ফিরলেন।

প্রবাহমান নদীর স্রোত আটকাতে গেলে প্লাবনের সৃস্টি হয়। ঠিক তেমনি মকসুদের জনপ্রিয়তাকে থামাতে গিয়ে মকসুদকে জনতার প্লাবনে রুপান্তরিত করা হয়েছে। সিলেট জেলা যুবদলের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মকসুদ ৪২ দিন-রাতে জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে পৌঁছেছেন আপন মহিমায়।

বুধবার ২৬ অক্টোবর সকাল ১১ টায়  সিলেট চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মকসুদ আহমদের জামিন মন্জুর করেন। তাঁর আইনজীাবি ও কর্মী সমর্থকরা জামিন সংবাদটি কৌশলগত কারণে গোপন রাখেন। সন্ধ্যায় সিলেট কেন্দ্রিয় কারাগার থেকে বেরিয়ে আসার পর আবারো বাঁধভাঙ্গা জোয়ার। নেতা কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত সময়ের সাহসী এই যুবনেতা।

১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ৪ টায় নিজ বাড়ী থেকে ঘরের দরজা ভেঙ্গে মকসুদকে আটক করা হয়। নানা নাটকীয়তা শেষে ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩ টায় কোতোয়ালী থানায় সোপর্দ করে র‌্যাব। কোতোয়ালী থানা গত মে মাসের বারুতখানায় জামায়াতের মিছিলকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত একটি মামলায় মকসুদ অভিযুক্ত দেখায়। ঐদির বিকেলে আদালত প্রাঙ্গনে কয়েক হাজার নেতা কর্মীর উপস্থিতির কারণে আদালতে হাজির না করেই কারাগারে প্রেরণ করা হয় তাকে।

কারামুক্তির পর দলীয় নেতাকর্মীর ফুলের শুভেচ্ছা

কারামুক্তির পর দলীয় নেতাকর্মীর ফুলের শুভেচ্ছা

এর পর থেকে মুক্তি পাবার পূর্বদিন পর্যন্ত মকসুদের মুক্তির দাবীতে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও  মিছিল সমাবেশ হয়েছে। সিলেট নগরীতে অযুত সমর্থকের বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে। ১৪ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রিয় বিএনপি ও যুবদল মকসুদের মুক্তি দাবী কের সংবাদ সম্মেলন করেছে। স্থানীয় জাতীয় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম মকসুদ গ্রেফতার ঘটনা ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ করে।

ভাগ্যবান মকসুদ। ইলিয়াস আলী কিংবা দিনারের মত অঘটন তার ভাগ্যে ঘটার সমূহ আশঙ্কা ছিল। ভাগ্যের জোরেই তিনি রক্ষা পান। অসম্ভব সাংগঠনিক যোগ্যতা ও কর্মীবান্ধব জনপ্রিয়তাই মকসুদের জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছিল। সুত্রমতে, প্রতিবেশী একটি দেশের গোয়েন্দা টার্গেট ছিলেন মকসুদ। র‌্যাব-এর একটি অংশ তাদের সে টার্গেট বাস্তবায়ন হতে দেয়নি।

প্রসঙ্গত: ১০ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা যুবদলের কাউন্সিলে বিপুল ভোটে মকসুদ আহমদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সিলেট বিএনপি’র সিন্ডিকেট রাজনীতির বিপক্ষে দাঁড়িয়ে তিনি নির্বাচিত হন। সিন্ডিকেট রাজনীতির কুশীলবদের চক্রান্তের শিকার মকসুদ আহমদ -এমন ধারণা দলীয় নেতা কর্মীর।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ সংবাদ