হোয়াটসঅ্যাপ || হ্যাকারদের বড় আস্তানা

প্রকাশিত: ৪:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২১

হোয়াটসঅ্যাপ || হ্যাকারদের বড় আস্তানা

হোয়াটসঅ্যাপের সুরক্ষা নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন উঠেছে। অসতর্ক হলেই হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে অ্যাকাউন্ট। ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ইনস্টল করার সময়েই ফাঁদ পাতছে সাইবার অপরাধীরা। সেই সময়ে এসএমএস-এর মাধ্যমে যে ওটিপি মোবাইলে আসে, তা কোনও ভাবে হ্যাক করা হচ্ছে। সেটির মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ ইনস্টল করছে ওই অপরাধী। তার পর ব্যবহারকারীদের অজান্তেই ঘটছে অপরাধ। কখনও কখনও সেই ব্যক্তিকে ফোন করে টাকা দাবি করা হচ্ছে, কখনও দেখানো হচ্ছে ভয়। ♦

 

 

 

কাসপারস্কাইয়ের গবেষণা অনুসারে, এখন হ্যাকারদের বড় আস্তানায় পরিণত হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। এই মেসেজিং অ্যাপকে ব্যবহার করেই তারা হাতিয়ে নিচ্ছে একাধিক গ্রাহকের তথ্য। ফিশিং আক্রমণ হল প্রতারণামূলক যোগাযোগ পাঠানোর অভ্যাস যা একটি সম্মানিত উৎস থেকে পাঠানো হয়। এটি সাধারণত ইমেলের মাধ্যমেই করা হয়ে থাকে। এর লক্ষ্য হল ক্রেডিট কার্ড এবং লগ ইন তথ্যের মতো সংবেদনশীল তথ্য চুরি করা অথবা যার তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার মেশিনে ম্যালওয়্যার ইনস্টল করা।

 

 

 

আপনার স্মার্টফোন হয়তো এতদিন ঠিকই চলছিল। কিন্তু, হঠাৎ করেই তা বিগড়ে যাচ্ছে। তাহলেই বুঝবেন যে আপনার ফোনে কোনও ম্যালওয়ার ইনস্টল করা হয়েছে। যা আপনার ফোনকে প্রভাবিত করছে। ফিশিং আক্রমণ মূলত একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোনও ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর ওয়েবসাইটের দ্বারা ব্যবহারীরা নিজেদের তথ্য দিয়ে দেন হ্যাকারদের হাতে।কাসপারস্কাইয়ের গবেষকদের মতে, এই বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের বেশি মাত্রায় টার্গেট করা হয়।

 

 

 

WhatsApp still isn't safe: 5 things you must know before using messaging  app - BusinessTodayঅনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলোভিত করা। এমনকী, ব্যবহারকারীদের বলা হয় ‘আপনি ১ কোটি (আনুমানিক) টাকা জিতেছেন। সেই টাকা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে কিছু পরিমাণ অর্থ এই অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে হবে।’ এভাবে অনেকেই টাকা দিয়ে বসেন। ব্যস তারপর দেখতে দেখতে পুরো অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যায়। কিন্তু, লটারির টাকা আর তাঁর কাছে এসে পৌঁছায় না।

 

 

 

কাসপারস্কাইয়ের গবেষণা অনুসারে, অনেক সময় হ্যাকাররা ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে। আর সেখানে থেকে অপরিচিতদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে দেয়। সেই লোভে পা দিয়ে অনেকেই কথোপকথন শুরু করার চেষ্টা করেন। তারপর তাঁদের একটি ভুয়ো ফেসবুক লগইন পেজে নিয়ে যাওয়া হয়। আর ব্যস ততক্ষণে আপনার সব তথ্য হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। এছাড়া অনেক সময় ভুয়ো মেল থেকে লিঙ্কও পাঠানো হয়। সেখানে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার ফোন বা কম্পিউটারে ম্যালওয়ার ইনস্টল হয়ে যায়।

 

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 34
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    34
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ