‘দারুল উলুম দেওবন্দ সন্ত্রাসীদের উৎসস্থল’

প্রকাশিত: ১০:০৩ অপরাহ্ণ, মে ২৭, ২০১৬

প্রভাতবেলা ডেস্ক:  ভারতে খ্যাতনামা ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে হিন্দুত্ববাদী বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ঐতিহ্যবাহী ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ‘সন্ত্রাসীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস স্থল’ বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহাসচিব সুরেন্দ্র জৈনের দাবি, ‘উত্তর প্রদেশে নির্বাচনি ফায়দার জন্য অখিলেশ যাদব সরকার সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যদি সরকার জাতীয় স্বার্থে কোনো পদক্ষেপ করতে চায় তাহলে সন্ত্রাসীদের অনুপ্রেরনার উৎস স্থল এবং রাষ্ট্রবিরোধী ফতোয়া দেয়া দারুল উলুম দেওবন্দের বিরুদ্ধে তাদের পদক্ষেপ নিতে হবে।’

ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলায় অবস্থিত মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ইসলামী শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উলুম, দেওবন্দ।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা সুরেন্দ্র জৈনের দাবি, অযোধ্যায় বজরং দলের প্রশিক্ষণ শিবির নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অনর্থক। কারণ, বজরং দলের এ ধরণের প্রশিক্ষণ শিবির এই প্রথম হয়নি। গোটা দেশে গত ২৫ বছর ধরে এ ধরণের শিবির চলে আসছে।

আরও পড়ুন  স্বামীকে জিম্মি করে স্ত্রী’কে পালাক্রমে ধর্ষণ

বিজেপির সহযোগী এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুব শাখা উগ্র বজরং দল পক্ষ থেকে গত ১৪ মে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় এক অস্ত্র প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালায়।

এখানে কর্মীদের রাইফেল, তলোয়ার এবং লাঠি চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। বজরং দলের স্বেচ্ছাসেবীরা যাদের আক্রমণের টার্গেট করে মহড়া চালায় তাদের দেখতে দাড়ি-টুপি পরা মুসলিমদের মতো। সেচ্ছাসেবীদের শেখানো হয় কীভাবে বন্দুক দিয়ে মুসলিম সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে হয়।

বজরং কর্মীরা বন্দুক নিয়ে শূণ্যে গুলি ছুঁড়ে মুসলিম পোশাক পরিহিত সাজানো সন্ত্রাসীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। এ ধরণের ভিডিও চিত্র গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

হিন্দুত্ববাদীরা এ নিয়ে সাফাই দিলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের চাপে অবশেষে বজরং দলের অযোধ্যা-ফৈজাবাদ ইউনিটের প্রধান মহেশ মিশ্রকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

বজরং দলের পক্ষ থেকে আগামী ৫ জুন উত্তর প্রদেশের সুলতানপুর, গোরখপুর, পিলভিট, নয়ডা এবং ফতেহপুরেও অস্ত্র প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন করার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ