রোববার দায়িত্ব নিচ্ছেন আরিফ

প্রকাশিত: ৪:০৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০১৭

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদ নিয়ে সরকার পক্ষের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।গত ১৯ মার্চ মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়।
বৃহস্পতিবার আপিলের শুনানীর নির্ধারিত তারিখে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন।
ফলে মেয়র আরিফের মেয়র পদ ফিরে পেতে আর কোন বাধা রইলো না বলে জানান আরিফুল হকের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম কাফি। আপিল বিভাগের অন্য দুই বিচারপতি হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসাইন ও হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
মেয়র আরিফের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার মঈনুল হোসাইন, এ এম আমিন উদ্দিন ও আব্দুল হালিম কাফি।
এর আগে গত ১৩ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মো. দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খান হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ আরিফুল হকের বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এক আদেশে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্থ করে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ বছর পর তৃতীয় সম্পূরক চার্জশিটে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিসিক মেয়র আরিফুর হক চৌধুরীকে আসামি করা হয়।
২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে গৃহীত হলে ২৮ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। আদালত মেয়র আরিফুলের জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলার ঘটনার দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর মেয়র আরিফকে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়।
২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি দীর্ঘ কারাভোগের পর সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান আরিফুল হক চৌধুরী।

সর্বশেষ সংবাদ