‘সুখরঞ্জনবালীকে সাক্ষী প্রদানের সুযোগ দিলে সত্য উন্মোচিত হবে’- জামায়াত

প্রকাশিত: ১:৩২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০১৭

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে সরকার পরিকল্পিতভাবে বন্দী করে রেখেছে বলে মন্তব্য করে করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

মাওলানা সাঈদী কোনো ধরনের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না বা জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না উল্লেখ করে তিনি বলেন,  তিনি যে নির্দোষ সে ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের একজন সাব-সেক্টর কমান্ডারসহ পিরোজপুরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তি যথাযথভাবে সাক্ষী দিয়েছেন। ১৯৭১ সালে নিহত বিশাবালীর ভাই সুখরঞ্জনবালী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নিতান্তই দুঃখের বিষয় যে তিনি সাক্ষী দেয়ার জন্য আদালতে যাওয়ার পথে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তাকে অন্যায় ও নির্মমভাবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

‘সেই মামলায় বিপুল সংখ্যক লোকের সাক্ষী গ্রহণ করা হলেও রহস্যজনক কারণে নিহত বিশাবালীর পরিবারের কোনো সদস্যেরই সাক্ষী গ্রহণ করা হয়নি। এ ঘটনা থেকে দেশবাসীর সামনে সুস্পষ্ট হয় যে বিশাবালীর ভাই সুখরঞ্জন বালীকে যদি আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী প্রদানের সুযোগ দেয়া হত তাহলে প্রকৃত রহস্য ও সত্য জাতির সামনে উন্মোচিত হয়ে যেত।’

আরও পড়ুন  বিএনপি সরকারের মদদ না থাকলে গ্রেনেড হামলা হতো না- প্রধানমন্ত্রী

অবিলম্বে মুক্তি প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা আশা করি রিভিউ আবেদনের শুনানিতে আল্লামা সাঈদী ন্যায় বিচার পাবেন এবং তিনি আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি লাভ করে জনগণের মধ্যে ফিরে আসবেন। তিনি যেন ন্যায় বিচার পান তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা।

উল্লেখ্য মাওলানা সাঈদীর রিভিউ আবেদনের শুনানি সুপ্রীম কোর্টের কার্যতালিকায় রয়েছে এবং রিভিউ শুনানি আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। বিশাবালী নামক জনৈক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে তাকে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড এবং আপিলে সুপ্রীম কোর্ট আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন।

সর্বশেষ সংবাদ