ঘোড়াঘাট ইউএনও’র ওপর হামলাকারীর স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত: ৮:১৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২০

ঘোড়াঘাট ইউএনও’র ওপর হামলাকারীর স্বীকারোক্তি
সংবাদদাতা, রংপুর♦ ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলাকারী আসাদুল স্বীকারোক্তি দিয়েছে। বলেছে চুরির উদ্যেশে তারা হামলা করেছে। র‌্যাব তাদের এ কথা বিশ্বাস করছেনা।
ঘটনায় জড়িত আসাদুল, সান্টু ও নবীরুল নামে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

তবে, র‌্যাব তাদের এ কথা এখনই বিশ্বাস করতে পারছে না। র‌্যাব বলছে, এ বিষয়ে আরো তদন্ত করার পরই মূল ঘটনা জানা যাবে। আসাদুল ও নবীরুল দু’জনই রঙ মিস্ত্রি।

এদিকে, গুরুতর আহত ওয়াহিদা খানমের জ্ঞান ফিরেছে। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন।
বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাথায় অস্ত্রোপচারের পর থেকে ঢাকার নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এ কর্মকর্তা। জ্ঞান ফেরার পর তিনি কথা বলেন তার স্বামীর সঙ্গে।

আরও পড়ুন  বিকল্পধারা এখন স্বকল্প হয়ে গেছে

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক আছে। রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের উপ-পরিচালক অধ্যাপক ডা. বদরুল আলম বলেন, ইউএনও ওয়াহিদার মাথায় অস্ত্রোপচার শেষে রাতেই অপারেশন থিয়েটার থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। রাতেই তার জ্ঞান ফিরে আসে।

প্রসঙ্গত, বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে পিটিয়ে আহত করে দুষ্কৃতকারীরা।

তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে পরে রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়া হয়। তার বাবাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ