ডা. সাবরিনার জামিন খারিজ, দুই ওসি’র দুঃখ প্রকাশ

প্রকাশিত: ৯:৫০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০২০

ডা. সাবরিনার জামিন খারিজ, দুই ওসি’র দুঃখ প্রকাশ

 

ডা.সারিনার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় সাক্ষী হাজির করতে না পারায় দুই ওসি আদালতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে সাবরিনার জামিন চেয়ে করা আবেদন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছেন।

আদালত প্রতিবেদক♦ করোনার নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষী হাজির করতে না পারায় দুই থানার ওসি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান এবং খিলগাঁও থানার ওসি ফারুকুল আলম হাজির হয়ে এ দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপর বিচারক আগামী ১৬ নভেম্বর পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

 

বিষয়টি আদালতের বেঞ্চ সহকারী সুমন পারভেজ প্রভাতবেলা’কে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আজ এ মামলায় মনির হোসেন নামে একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ ছাড়া দুজন ওসি আদালতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’

আরও পড়ুন  রোজার আগেই প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন

 

এর আগে গত ২১ অক্টোবর আদালতে সাক্ষী না আসায় আদালতের বিচারক সরাফুজ্জামান আনসারী গুলশান ও খিলগাঁও থানার দুই ওসিকে শোকজ করেন এবং আজ মঙ্গলবার আদালতে এসে ব্যাখা দিতে নির্দেশ দেন।

 

এদিকে আজ সাবরীনার পক্ষে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলে হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন।

 

নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) নমুনা পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ২৩ জুন সাবরীনার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। এরপর ১২ জুলাই সাবরীনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপপুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

 

ডা. সাবরীনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা ও ইসির করা মামলাসহ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেসব মামলায় তাঁদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  ৫ এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন

 

করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে গত ৫ আগস্ট অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত কর্মকর্তা। পরের দিন ৬ আগস্ট এ মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

 

এ মামলায় ডা. সাবরীনা ও আরিফ চৌধুরী ছাড়া অপর ছয় আসামিরা হলেন শফিকুল ইসলাম রোমিও, জেবুন্নেসা, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী ও বিপ্লব দাস।

 

অভিযোগপত্রে ডা. সাবরীনা ও আরিফ চৌধুরীকে এই অসাধুচক্রের ‘মূলহোতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেন বলে বলা হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ