মুক্তিপণের টাকাসহ ৭ গোয়েন্দা পুলিশ আটক

প্রকাশিত: ৯:৪৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০১৭

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক, কক্সবাজার:  কক্সবাজারের টেকনাফে মুক্তিপণের টাকাসহ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাত সদস্যকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। নগদ ১৭ লাখ টাকাসহ বুধবার ভোরে তাদেরকে আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে এ খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
 জানা গেছে, আবদুল গফুর নামে এক ব্যবসায়ীকে মঙ্গলবার সকালে অপহরণ করে ডিবির ওই দলটি। এরপর মুক্তিপণ হিসেবে ১৭ লাখ টাকা আদায় করে তাঁকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে তিনি বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানালে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ এলাকার লম্বরী সেনাবাহিনীর তল্লাশিচৌকিতে সাতজনকে আটক করা হয়।
আটক করা ডিবি সদস্যদের জেলা পুলিশের হেফাজতে দেয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাত সদস্যকে আজ (২৫ অক্টোবর) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার আফজুরুল হক টুটুল জানান, ডিবির অভিযুক্ত সাত সদস্যকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন: পরিদর্শক ইয়াসির আরাফাত, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ, গোলাম মুর্তজা, ফিরোজ আহমেদ ও নুরুজ্জামান, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. নুরুজ্জামান এবং কনস্টেবল মোস্তফা আলম।

আরও পড়ুন  কাশ্মীরে বোমাবর্ষণ করেছে ভারত

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফ পৌর এলাকার মধ্যম জালিয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গফুর একজন ব্যবসায়ী। তার বাবার নাম মোহাম্মদ হোসেন। আব্দুল গফুরের বড়ভাই মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান প্রভাতবেলাকে বলেন, “আমার ভাইকে অপহরণ ও মুক্তিপণের বিষয়টি নিরাপত্তা বাহিনীকে জানিয়ে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়। আমার ভাইকে মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজার শহর থেকে অপহরণ করে মুঠোফোনের মাধ্যমে আমাদের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে অপহরণকারীরা। আমরা মুক্তিপণ দিতে রাজি হই।”

তিনি আরও বলেন, “১৭ লাখ টাকা নিয়ে ডিবি পুলিশ আজ ভোররাতে লম্বুরী পাড়ায় অস্থায়ী ক্যাম্পের সামান্য দূরে আমার ভাইকে ছেড়ে দেয়।”

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আব্দুল গফুরের পরিবারকে ১৭ লাখ টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তারা জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ