‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’র উদ্বোধন

প্রকাশিত: ৪:২৬ অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০১৮

প্রভাতবেলা প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে আমি গিয়েছি। কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটের প্রতিটি উপজেলায় গিয়েছি। সেখানকার মানুষের সমস্যার কথা শুনেছি। সরকারে আসার পর এসব মানুষের উন্নয়নে নানা উদ্যোগও নিয়েছি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

রোববার (৩ মে) কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ধরলা নদীর উপর নবনির্মিত ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে সময় তিনি একথা বলেন।

ধরলা নদীর উপর প্রথম সেতু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরই হয়েছিল। এবার ধরলার দ্বিতীয় সেতুটি কুড়িগ্রাম, রংপুর ও লালমনিরহাটের মানুষকে আমি ঈদ উপহার হিসেবে দিয়েছি। এটি আপনারা রক্ষণাবেক্ষণ করবেন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে গণভবন থেকে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রাধীন বিআইডাব্লিউটিএ ও বিআইডাব্লিউটিসি-এর ৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় মুন্সিগঞ্জ-পাটুরিয়া ফেরি সার্ভিস চালু ও নদীর নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য নতুন ৪টি ড্রেজার চালুর ঘোষণা দেন তিনি।

আরও পড়ুন  রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খানের পরিবারের পক্ষ থেকে ঔষধ সামগ্রী প্রদান

ধরলা সেতু বাস্তবায়নের ফলে রংপুরের সঙ্গে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। রমজানে ধরলা নদীর উপর নির্মিত দ্বিতীয় সেতুটি উদ্বোধন করা হলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকার গঠনের পর থেকে আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সরকার গঠনের পর থেকে সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা ব্যবসা করতে আসিনি, দেশ গড়তে এসেছি। ১৯৭৫-এর পর যেসব সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা বিভিন্ন সময়ে নিজেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছে। কিন্তু আমরা জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’

 

তিনি বলেন, ‘ধরলার প্রথম সেতু আমি উদ্বোধন করে যেতে পারিনি। তা পরবর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাস-দুয়েকের মধ্যে উদ্বোধন করে। কিন্তু তারা তখন বলে আগের সরকার কোনো উন্নয়ন করেনি’।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলের জন্য আরও একটি শিপইয়ার্ড তৈরি করা হবে, সরকারের এ পরিকল্পনা আছে।‘ মুন্সীগঞ্জের উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, ‘আলুসহ এখানকার অন্যান্য উৎপাদিত ফসলকে কাজে লাগানোর জন্য যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে। পদ্মাসেতু হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে। এদিকে নৌপথগুলো আবারও ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সচল করা হলে খুব অল্প খরচে পণ্য পরিবহন করা যাবে।’

আরও পড়ুন  নোয়াখালীতে ধানক্ষেতে গৃহবধূর মাথা-কোমর, বাকী অংশ কই?

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইনশাআল্লাহ, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশ। এর ‍সুফল ভোগ করবে দেশের মানুষ’।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ