সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম : নামে তালপুকুর বাস্তবে ঘটি ডুবেনা

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০১৭

শাহরিয়ার রশিদ কয়ছর: যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ । এই সবুজের মাঝখানে একখণ্ড  খেলার মাঠ। হয়তো এই সবুজেই বিমোহিত হয়ে বাংলাদেশের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াইটমুর বলেছিলেন পৃথিবীর কয়েকটি স্টেডিয়ামের মধ্যে এটি একটি। সৌন্দর্য্য আর ব্যবস্থাপনায় খুব অল্প সময়ে সবার প্রশংসা কুড়ায় সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়াম। ৮৩ কোটি টাকা ব্যয় ১০ বছর আগে নির্মাণ করা হয় এই স্টেডিয়ামটি। ৬১৫ফুট দৈর্ঘ্য ৮৮৫ ফুট প্রস্থ নিয়ে এই ক্রিকেট মাঠটি দেশের অন্যতম একটি বড় মাঠ। ২০০৭ সালে যার দর্শক ধারণ ক্ষমতা ছিলো ১০হাজার। ২০১৩ সালে সংস্কার করে ২২ হাজারে উন্নিত করা হয়।

দাবি করা হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে্্য পৃথিবীর পাচঁটি স্টেডিয়ামের মধ্যে একটি হবে ।কিন্তু  প্রতিষ্টার দশ বছরে মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে এই স্টেডিয়ামে। ঘন ঘন খেলা না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে স্টেডিয়ামের সৌন্দর্য্য ও  অবকাঠামো। আন্তর্জাতিক মানের খেলা না হওয়ায় হতাশ স্থানীয় ক্রিকেটার এবং জনসাধারণ।

আরও পড়ুন  পদত্যাগ করলেন আইসিসি চেয়ারম্যান

২০১৬সালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমের সাবেক ক্যাপ্টেন হাবিবুল বাশার বলিছেলেন মাঠের কাজ শেষ করুন আন্তর্জাতিক ম্যাচ এখানেই হবে। কিন্তু তা আর হলো কোথায় !!স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থার দাবি, বার বার বলার পর ও সিলেটে আন্তর্জাতিক মানের কোনো ম্যাচ আয়োজন করছেনা বিসিবি। স্থানীয় খেলোয়াড়েরা মনে করেন দ্রত সময়ের মধ্যে সিলেটে আন্তর্জাতিক মানের খেলা ফিরিয়ে আনা উচিত।

স্থানীয় জনসাধারণের মতে সিলেট স্টেডিয়াম নামে আন্তর্জাতিক বাস্তবে ভিন্ন। এ যেন নামে তালপুকুর বাস্তবে ঘটি ডুবেনা অবস্থা।

সর্বশেষ সংবাদ