সিলেট ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
প্রকাশিত: ১:০৭ পূর্বাহ্ণ, মে ১০, ২০১৮
মাঠে ময়দানে ডেস্কঃ নিজেদের মাঠে খেলা। দর্শক সমর্থকদের সমর্থন নিয়েও ম্যাচ জিততে পারলোনা কলকাতা নাইট রাইডার্স। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের দেয়া ২১১ রানের টার্গেট নিয়ে খেলতে নেমে মাত্র ১০৮ রানে অল-আউট। ফলে ঘরের মাটিতে ১০২ রানের বড় ব্যবধানের হারের লজ্জাটা ভালো টের পেল কেকেআর।
সুরেশ রায়না, রবিন উথাপ্পা, ক্রিস লিন আর নিতিশ রানা ও কার্তিকরা জেনো ছন্দ হারিয়ে ফেলেছেন। ক্রিস লিন আর নিতিশ রানা ব্যতিক্রম ছিলেন ঠিক বলা যায় না। তবুও এই দুজন চেষ্টা করেছিলেন খানিকটা। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। মুম্বাই বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামাল দিতে পারেনি কেকেআরের ব্যাটিং লাইন আপ। হার্দিক পান্ডিয়া ও ক্রুনাল পান্ডিয়ার বোলিং আক্রমনের সঙ্গে যোগ দেন ম্যাকক্লেনঘান, জসপ্রিত বুমরাহ, মায়াঙ্ক মার্কান্দে এবং বেন কাটিং। কেকেআরের পরাজয়টা তাদের কল্যানেই আসে। স্বাগতিকদের মাঠে জয়টা বড় ব্যবধানেই পেল তিনবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই।
এই জয়ের সুবাধে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথমবারের মত পয়েন্ট টেবিলের চারে পৌঁছে গেল। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। রান রেটের হিসেবে এখন উপরের সাড়িতে। এই হার কেকেআরের জন্য কঠিন সমীকরণে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। একদাপ পিছিয়ে আছে পাঁচে।
কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টস হেরে ব্যাট করতে নামে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। উদ্ভোধনী জুটিতে ৪৬ রান আসে সূর্যকুমার যাদব (৩৬) ও এভিন লুইস (১৪) রান করে উভয়েই উইকেট দেন পীযুষ চাওলাকে। ইশান কিশান খেলেছেন ঝড়ো ইনিংস। মাত্র ২১ বল খেলে ৫টি বাউন্ডারি আর ৬টি ছক্কায় ৬২ রান করেন এই উদিয়মান ব্যাটসম্যান। আইপিএলে এটাই তার প্রথম অর্ধশত রানের ইনিংস। সূর্যকুমার যাদব এবং রোহিত শর্মা দু’জনই ব্যাট ছুঁয়ে আসে ৩৬ রানের ইনিংস। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ২১০ রানের বিশাল স্কোর নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি