কষ্ট হলেও ঘরে থাকার আহবান বেগম জিয়ার

প্রকাশিত: ৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৭, ২০২০

কষ্ট হলেও ঘরে থাকার আহবান বেগম জিয়ার

প্রভাতবেলা ডেস্ক: মহামারি করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় একটু কষ্ট হলেও দেশবাসীকে ঘরে থাকার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সোমবার রাতে গুলশানে বেগম জিয়ার সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর দলীয় প্রধানের এই বার্তা সাংবাদিকদের জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার রাত ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় এ সাক্ষাত হয়।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং এই সময়ে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।’

শর্তসাপেক্ষে সরকারের দেয়া ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে গত ২৫ মার্চ মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের তার সঙ্গে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাত।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এর আগে গত ১১ মে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন  সাজান-জোন্স-কেইনদের গোল বন্যায় ভেসে গেল পানামা

ফখরুল বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে উনি (খালেদা জিয়া) দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’র দোতলায় এই সাক্ষাত হয়।

গত ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের সাজা স্থগিত করে মুক্ত হওয়ার পর স্থায়ী কমিটির সদস্যদের দলীয় প্রধানের সা

মির্জা ফখরুল বলেন, এই যে মহাসংকট করোনাভাইরাস মহামারি সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে মোকাবিলা করার জন্য দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি ম্যাডাম আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশবাসীর প্রতিও তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন আপনারা বাড়িতে থাকুন, একটু কষ্ট করুন। বাড়িতে থেকেই এই সংক্রমককে প্রতিরোধ করতে হবে—এ কথা তিনি বারবার বলেছেন। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, জনগণ যেন ঘরে থাকে এবং এই মহামারিকে প্রতিরোধ করবার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যেসব বিধান দেয়া হয়েছে তা যেন তারা মেনে চলে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সেই সঙ্গে তিনি সন্তুষ্টিও প্রকাশ করেছেন যে, এত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও বিএনপির নেতা-কর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছেন।

আরও পড়ুন  একজন মাকে এসব চুলকানি থেকে বাদ দেওয়া যায় না?

তিনি আরও বলেন, এখন সাহস না হারিয়ে দাঁড়াতে হবে। এই চরম সংকটের সময়ে যখন আপনার সামাজিক দূরত্বকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যেও উনি (খালেদা জিয়া) আমাদেরকে সময় দিয়েছিলেন।

আমরা পুরোপুরি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে, আমাদের নেত্রীকে নিরাপদ রাখার জন্য আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, আমরা সবাই স্পেশাল পিপিই পড়ে, হাতে গ্লাবস নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছি।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শারীরিক অবস্থা আমি আগেও বলেছি উনার কোনো ইম্প্রুভমেন্ট হয়নি।ইম্প্রুভমেন্টের মধ্যে যেটুকু হয়েছে উনি আগে থেকে মানসিক অবস্থাটা তার অনেক ভালো হয়েছে, শারীরিক অবস্থা তার খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি।’

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ