শান্তিনিকেতনে একমঞ্চে মোদী-শেখ হাসিনা ও মমতা

প্রকাশিত: ১২:৩০ অপরাহ্ণ, মে ২৫, ২০১৮

প্রভাতবেলা প্রতিবেদকঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শান্তিনিকেতনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (২৫ মে) স্থানীয় সময় বেলা ১০টায় শান্তিনিকেতনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সবুজ কলি সেন। এরপর শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্র ভবনে তাকে স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদী।

পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে একমঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদি ও পশ্চিবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্বভারতীর সমাবর্তন উপলক্ষে দুইবাংলার মানুষের জন্য এ এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

সমাবর্তন মঞ্চে পৌঁছানোর আগে বিশ্ব ভারতীর উপাচার্য প্রফেসর সবুজ কলি সেন শান্তিনিকেতনে  তাদের অভ্যর্থনা জানান। বিশ্ববিদ্যালয়টির আচার্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এরআগে শুক্রবার সকালে নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২ দিনের ভারত সফরে কলকাতায় নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে কলকাতা থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার উত্তরে বীরভূম জেলার বোলপুর শান্তি নিকেতনে পৌঁছেন।

আরও পড়ুন  ‘স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতিই হচ্ছে বিএনপির গণতন্ত্র’

বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে করে প্রধানমন্ত্রী তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে রওয়ানা দিয়েছিলেন।

এই সফরে তিনি শান্তি নিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট অব লিটারেচার (ডিলিট) গ্রহণ করবেন।

সমাবর্তন শেষে দুই প্রধানমন্ত্রী শান্তিনিকেতনে নবনির্মিত বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করবেন এবং সেখানে নরেন্দ মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন।

বাংলাদেশ ভবনে নির্মিত হয়েছে আধুনিক থিয়েটার, প্রদর্শনী কক্ষ, বিশাল লাইব্রেরি। এই লাইব্রেরিতে রয়েছে সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাস এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক সম্পর্কিত গ্রন্থ।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ