সুইং ও স্লোয়ারে রাজু ভালো কিছু করবে

প্রকাশিত: ৯:৪৪ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০১৮

মাঠে  ময়দানে প্রতিবেদকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইনজুরিতে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান সিরিজে এই পেস বোলারের খেলাটা অনিশ্চিত হয়ে গেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাকে ছাড়াই খেলতে হবে বাংলাদেশকে।

 

মোস্তাফিজের বাঁ পায়ের আঙুলে চিড় ধরেছে। সেরে উঠতে তিন থেকে চার সপ্তাহ লাগবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। আফগানিস্তান সিরিজে মোস্তাফিজের পাচ্ছেন না টাইগাররা।

 

কাটার-মাস্টারের ইনজুরিতে ভাগ্য খুলেছে আরেক পেসার আবুল হাসান রাজু’র।

 

আফগানিস্তান সিরিজে মোস্তাফিজুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে আবুল হাসানকে।
দেরাদুনের উইকেট পরিদর্শন শেষে সেখানে সফররত বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টের বিকল্প বোলার হিসেবে সিলেটের তারকা ক্রিকেটার আবুল হাসান রাজুকে নির্বাচন করেছে।

 

বিসিবি’র প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, দেরাদুনের উইকেটে আবুল হাসান রাজুই কার্যকর বোলার। তাই মোস্তাফিজুর রহমানের বদলি হিসেবে আসন্ন আফগান সিরিজে তাকে দলে ডাকা হয়েছে’।

বৃহস্পতিবার দেশ ছাড়ার আগে জানালেন মিনহাজুল আবেদীন বলেন, ‘আমরা যখন দল ঘোষণা করেছিলাম, তখনই আবুল হাসান রাজুকে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা রেখেছিলাম। যেহেতু টি-টোয়েন্টি সংক্ষিপ্ত সংস্করণের খেলা, সেখানে ওর সামর্থ্য আছে। আমরা তাকে সঙ্গেই রেখেছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা ছিল কোনও ফাস্ট বোলার চোট পেলে তাকে ওই জায়গায় নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন  অনলাইনে যেভাবে দেখবেন এশিয়া কাপ

 

দেরাদুনের উইকেট পেস বোলারদের জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করেন বিসিবি’র প্রধান নির্বাচক। তিনি বলেন,’ একাদশে সুযোগ পেলে সুইং ও স্লোয়ারে আবুল হাসান ভালো কিছু করতে পারবেন বলে মনে করি। সে স্লোয়ারটা ভালো করতে পারে। আইপিএলে ভারতের উইকেটে যথেষ্ট ঘাস দেখেছি। এটা মাথায় রেখে আমরা তাকে নিয়েছি। আশা করি সুযোগ পেলে সে ভালো করবে।’

আফগানিস্তান সিরিজে অংশ নিতে শুক্রবার (১ জুন) দেরাদুনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন আবুল হাসান রাজু।

 

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একাদশে ডাক পেলে ছয় বছর পর টি-টোয়েন্টি খেলবেন আবুল হাসান। ২০১২ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ ২০ ওভারের ম্যাচ খেলেন তিনি। আর সবশেষ ওয়ানডে গত জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

 

আবুল হাসান ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষিক্ত হন । বোলিং পারফরম্যান্সও আহামরি নয়। ৩ টেস্টে তিনটি ও ৪ টি-টোয়েন্টিতে মাত্র দুটি উইকেট তারা। ৭ ওয়ানডে খেলেও এখনও পাননি উইকেটের দেখা।
সবশেষ ম্যাচটি খেলেছেন ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর, ক্যান্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ৩ ওভার বল করে ৩৩ রানের বিনিময়ে দুই পাক ওপেনার ইমরান নাজির ও মোহাম্মদ হাফিজের উইকেট তুলে নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন  ছেলের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় সাঈদী

 

অনেক সম্ভাবনা নিয়ে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন এই পেস বোলার। কিন্তু ইনজুরি এই তাকে বারবার ছিটে দিয়েছে মাঠের বাইরে। ফলে জাতীয় দলের জার্সি নিয়মিত রাখতে পারেননি।

 

বোলার রাজু ব্যাট হাতে গয়েছিলেন এক দুর্লভ কীর্তি। ২০১২ সালের নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুলনায় অভিষেক টেস্টে ১০ নম্বরে নেমে সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দেন আবুল হাসান। সেই স্মৃতির কথা ভুলেনি এখনও সমর্থকরা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ