‘ইসলামী আইন অনুসারে দেশে ভাস্কর্য রাখার অবকাশ থাকবে না।’

প্রকাশিত: 8:55 PM, December 13, 2020

‘ইসলামী আইন অনুসারে দেশে ভাস্কর্য রাখার অবকাশ থাকবে না।’

‘যদি ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে ইসলামী আইন অনুসারে দেশে ভাস্কর্য রাখার অবকাশ থাকবে না।’ বলেছেন, হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।

 

 

 

রোববার বিবিসিতে প্রকাশিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রচেষ্টা সফল হলে, ইসলামি হুকুমত বাস্তবায়িত হলে, ভাস্কর্য সরিয়ে না ফেলার কোন অবকাশ থাকবে না।’

 

 

 

এদিকে হেফাজতের কার্যক্রম নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে পৃথক এক সংবাদ সম্মেলন করেন হাক্কানি আলেমরা। তারা বলেন, ‘আমরা ইসলামকে হেফাজতের হাতে ছেড়ে দিতে পারি না।’

 

 

 

 

 

 

 

তিনি জানান, ইসলামি রাষ্ট্র বাস্তবায়ন করতে চাই। ইসলামি হুকুমত বাস্তবায়িত হলে ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলতে চান মামুনুল হক।

 

 

 

 

 

 

 

এদিকে হেফাজতের কার্যক্রম ও ভাস্কর্যের বিষয়ে হক্কানি আলেম ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল হাকিম চৌধুরী বলেন, ‘ভাস্কর্যের কয়েকটি দিক রয়েছে। ভাস্কর্যের সাংস্কৃতিক, ধার্মিক এবং রাজনৈতিক দিক আছে। ধর্মীয় দিক থেকে বলতে গেলে, আমরা আমাদের ছোট বাচ্চাদের পুতুল কিনে দেই। সেটা কিন্তু ভাস্কর্যের অংশ বিশেষ। আমাদের প্রিয়জনদের ছবি আমরা ঘরে টানিয়ে রাখি, সেটাও ভাস্কর্যের অংশ।’

আরও পড়ুন  ধর্ম বিদ্বেষের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড ছেড়ে চলে এলেন তামিম

 

 

 

এই আলেম বলেন, ‘হেফাজত ভাস্কর্য নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছে, তার মধ্যে একটি বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে। তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।’

 

 

 

তিনি আরো বলেন, ‘মামুনুল হকের পিতা আল্লামা শায়খুল হাদিসকে নিয়ে আমরা কওমি স্বীকৃতির জন্য আন্দোলন করেছিলাম। বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমরা তাকে কওমি জননী বললাম। আমাকে কিছু বললেও সংবাদ সম্মেলন করে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে মায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারি না।’

 

 

 

‘ইসলামকে হেফাজতের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না’ উল্লেখ করে হাক্কানি এই আলেম বলেন, ‘তাদের সাবেক আমিরের মৃত্যুর আগে কী অবস্থা হয়েছিল। তারা হেফাজত করে নাই, বরং লাঞ্ছনা করে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে। এখন আমরা হক্কানি আলেম সমাজ জাতিকে জানাতে চাই, গুটিকয়েক আলেম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে শুধু হুঙ্কার দিচ্ছে। জাতির জনককে নিয়ে অপমান করে কথা বলছে। এটা আমরা মেনে নিতে পারি না।’

আরও পড়ুন  বড়লেখায় বিদ্যুত সুবিধা পেলো ৪৩৩ পরিবার

 

 

 

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মুসলমান ছিলেন, আমরাও মুসলমান। ইসলামের ভাষায় বলতে হলে শালীনভাবে কথা বলতে হবে।’

 

 

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ