একাধিক র্যাব কর্মকর্তা বলেন, পরীমনি যতক্ষণ র্যাব সদর দপ্তরে ছিলেন, একটু পরপরই তিনি লেমন জুস চেয়ে খেয়েছেন। র্যাবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর আচরণ ছিল স্বাভাবিক।

বৃহস্পতিবার রাতে আদালতে নেয়ার পথে পরীমণি
বুধবার বিকালে পরীমনির বাসায় যায় র্যাবের একটি দল। এ সময় পরীমনি ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে ফেসবুক লাইভে আসেন। এ সময় তিনি থানা-পুলিশ, ডিবির কর্মকর্তা ও পরিচিতজনদের কাছে ফোন করে তাঁকে রক্ষার আকুতি জানান। র্যাবের সদস্যরা বারবার পরিচয় দিলেও ভেতর থেকে দরজা খুলছিলেন না পরীমনি।
একপর্যায়ে দরজা খুলে দেওয়া হলে র্যাবের সদস্যরা ভেতরে ঢোকেন। এরপর শুরু হয় তল্লাশি। একপর্যায়ের পরীমনিকে আটক করা হয়। অভিযান শেষ র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরীমনির বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ওয়াইন, আইস, এলএসডি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
পরীমনিকে আটকের পর রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার নজরুল ইসলাম রাজকে আটক করে র্যাব। পরে র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরীমনি ও নজরুল রাজসহ এই চক্র ডিজে পার্টির আয়োজনের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করত। এসব অর্থ তারা বিভিন্ন ব্যবসার কাজে লাগাত।
এদিকে রাতে পরীমনির মামলা তদন্তের দায়িত্বভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
