রাগীব রাবেয়ার প্রতিবাদ যেন ‘ঠাকুর ঘরে কে রে আমি কলা খাইনা’

প্রকাশিত: ১০:২৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২০

রাগীব রাবেয়ার প্রতিবাদ যেন ‘ঠাকুর ঘরে কে রে আমি কলা খাইনা’

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক: প্রভাতবেলা অনলাইন ভার্সন শিরোণাম করেছিল‘ নাদিরাকে পাওয়া যায় ৮শ’ টাকায়”। পাঠক রস পেয়েছেন। কেবল রসের জন্য শিরোণাম নয়। প্রকৃত অর্থে এই সংকটকালে ডা. নাদিরাকে পাওয়া খুব কঠিন । অগ্রিম বিকাশ পেমেন্ট করে তারপর মোবাইলে পরামর্শ মিলে। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের পৌঁছে দিতেই এ শিরোণাম।

একই বিষয় এবং ব্যক্তির উপর অনেক গণমাধ্যম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গত দৃ’দিন। প্রতিবেদনগুলোতে মোবাইলে রোগীকে পরামর্শ দেয়ার বিনিময়ে ৮২০ টাকা নেয়াটাই প্রাধান্য পায়। একই সাথে ডা. নাদিরার অচিকিৎসকসুলভ নানা আচরণ উঠে আসে। আরো আসবে, বহু গণমাধ্যমে।

ঠিক এই সময়ে জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আজ ২২ এপ্রিল একটি প্রতিবাদপত্র  পাঠিয়েছে দৈনিক প্রভাতবেলা সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম অফিসে। হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মো. তারেক আজাদ স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয় অধ্যাপক ডা. নাদিরা বেগম জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ০৯/০১/২০১৯ তারিখে। তাঁর কর্মস্থল জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংবাদে উল্লেখ করায় হাসপাতালের পক্ষে প্রতিবাদ জানান তারেক আজাদ।

আরও পড়ুন  দেশকে উন্নত ও শক্তিশালী করতে আমরা বদ্ধপরিকর : প্রধান উপদেষ্টা

অথচ হাসপাতালের ওয়েব সাইটে এখনো ডা. নাদিরা বেগমের নাম রয়েছে শীর্ষ অবস্থানে।

যে কোন সংবাদে ভুল তথ্য, অসত্য বক্তব্য বা ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন সংবাদের প্রতিবাদ বা নিন্দা জানানোর অধিকার রয়েছে প্রত্যেক নাগরিকের । প্রশ্ন হলো জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এখন প্রতিবাদ করে কেন? ২০১৯ সালে ইস্তফাদানকারী ডা. নাদিরা প্রকাশ্যে জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক পরিচয় দেন। তিনি সাইনবোর্ড ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে প্রচার করে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তা কি জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানতো না? গণমাধ্যমে ডা. নাদিরার অমানবিকতা প্রকাশ হলে পরে তাদের টনক নড়লো? ধনকুবের রাগীব আলী এই প্রতিষ্ঠানের মালিক। জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ রাগীব আলীর মালিকানাধীন বহু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। জনমনে প্রশ্ন, তাদের ছত্রছায়ায়ই নাদিরারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। এই সময়ে তাদের প্রতিবাদকে অনেকেই তুলনা করছেন ‘ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাইনা’ এর মতো।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ