গরমেও মিলবে শীতের সবজি শিম

প্রকাশিত: ১:৫৯ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০১৬

এখন থেকে গরমেও মিলবে শীতের সবজি শিম। অবাক হওয়ার মতো তথ্য নয়; ছয় বছরের গবেষণায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্টিকালচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলাম গ্রীষ্মকালীন শিম চাষে সফল হয়েছেন।

উদ্ভাবন করেছেনে শিমের দুটি নতুন জাত। যা বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ও পুষ্টিকর। তাই এর চাষাবাদ ছড়িয়ে দিতে চান দেশজুড়ে।

শিম। শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত। অনেকের কাছে এটি খুবই সুস্বাদু। তবে, এখন আর শীতকালে নয় গরমেও মিলবে শিম। আমিষের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ এই সবজির চাষ এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার অপেক্ষায়।

প্রায় ছয় বছর ধরে গবেষণায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্টিকালচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলাম সিলেট অঞ্চলে গ্রীস্মকালিন শিম চাষে সফল হয়েছেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের অর্থায়নে তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ও পুষ্টিকর শিমের চাষাবাদ।

ড. শহীদুল ইসলাম জানান, শিম সাধারণত শীতকালের চাষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশে শিমের যে জাত রয়েছে অক্টোবরের আগে এর ফুল আসেনা। আর গ্রীস্মকালে দিনের দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হওয়ার কারনে এ সময় এর চাষ হয় না। তাই গ্রীস্মকালে শিম চাষ সম্ভব করতে গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। গবেষণা শেষে আলোর মুখ দেখছে দু’টি নতুন জাতের শীম।

আরও পড়ুন  উজিরপুরে বিষ প্রয়োগে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন

এই বিজ্ঞানী জানান, গ্রীস্মকালিন এই শিমের বৈশিষ্ট্য হল ৪০ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ফুল আসবে, আর ৭০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে তোলা যাবে প্রথম ফলন। এটি সবুজ রঙের হয়। এ শিম যথেষ্ট পুষ্টিকর স্বাদের অসাধারণ। তুলনামুলক কম খরচ হওয়ায় এটা অত্যন্ত লাভজনক।

নতুন এই দু’টি শিম উদ্ভাবনে খুশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। এর আগে সিলেট অঞ্চলে গ্রীস্মকালিন টমেটো চাষাবাদও সম্ভব করে তুলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্টিকালচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলাম।

সর্বশেষ সংবাদ