দ্রুততম সময়ে শততম টেস্ট বাংলাদেশের

প্রকাশিত: ৭:৪৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৪, ২০১৭

মাঠেময়দান ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার কলম্বোর পি সারা ওভালে শততম টেস্ট খেলতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। ২০০০ সালে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশের।বুধবার দশম ও শেষ টেস্ট দল হিসেবে শততম টেস্টের মাইলফলকে পা দিচ্ছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের আগে ২০১৬ সালের অক্টোবরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শততম টেস্ট খেলে জিম্বাবুয়ে। ১৯৯২ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া জিম্বাবুয়ের শততম টেস্ট খেলতে লেগেছিল ২৪ বছর। সেখানে বাংলাদেশ ১৭ বছরেই পাচ্ছে শততম টেস্টের স্বাদ।

শুধু জিম্বাবুয়ের ক্ষেত্রে নয় এশিয়ার তিন জায়ান্ট ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার থেকেও কম সময়ে শততম টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। ১৯৩২ সালে টেস্ট ক্রিকেটে পথ চলা শুরু ভারতের। এরপর শততম টেস্ট খেলতে ভারতের লেগেছিল ৩৫ বছর। ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শততম টেস্ট খেলে মনসুর আলি খান পতৌদির ভারত। মাঝে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং দেশ ভাগ হওয়ায় ক্রিকেট থেকে অনেকটাই দূরে ছিল ভারতীয়রা। শততম টেস্ট খেলতে ৩৫ বছর লাগলেও ১৯৮২ সালে অর্থাৎ ১৫ বছরে আরও ১০০ টেস্ট খেলে ভারত। এরপর ধাপে ধাপে সময়ের ব্যবধান কমতে থাকে, বাড়তে থাকে প্রতিদ্বন্দ্বী সংখ্যা। পরের ১০০ টেস্ট খেলে ১৪ বছরে, এরপর ১০ বছরে ও পরের ১০০ টেস্ট ৯ বছরে খেলে ভারত।

আরও পড়ুন  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে কানাডা

অন্যদিকে দেশভাগের ৫ বছর পর ১৯৫২ সালে ভারতের বিপক্ষে দিল্লিতে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে পাকিস্তান। ১৯৭৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মেলবোর্নে শততম টেস্ট খেলে পাকিস্তান। ওই ম্যাচটি ক্রিকেট বিশ্বে আজও স্মরণীয়। পাকিস্তানের পেসার সরফরাজ নওয়াজ ৮৬ রানে ৯ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে একাই জিতিয়েছিলেন। এরপর ১৩ বছরে ২০০তম টেস্ট খেলে পাকিস্তান। পরের ১০০ টেস্ট খেলে ১২ বছরে। ২০০৪ সালে ভারতের বিপক্ষে মুলতানে ৩০০তম টেস্ট খেলে পাকিস্তান। ৩০০ থেকে ৪০০ টেস্ট খেলতে আরও ১২ বছর লেগে যায় পাকিস্তানের।

১৯৮২ সালে টেস্ট ক্রিকেটে যাত্রা শুরু শ্রীলঙ্কার। বাংলাদেশের শততম টেস্ট ভেন্যু পি.সারা ওভালেই টেস্ট অভিষেক হয়েছিল লঙ্কানদের। এরপর ১৮ বছর পর ২০০০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে কলম্বোতে শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কা। ওই ম্যাচে ওয়াকার ইউনুস ক্যারিয়ারের ৩০০তম এবং ওয়াসিম আকরাম ক্যারিয়ারের ৪০০তম উইকেট পান। এর ১১ বছর পর ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০তম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কা।

আরও পড়ুন  মাঠে ফিরেই দুর্দান্ত বার্সা

সব মিলিয়ে এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় কম সময়ে শততম টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। তবে ভারত ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রে একটি বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে, সে সময়ে দলের সংখ্যা ছিল সীমাবদ্ধ। ছিল না কোনো এফটিপি কিংবা বোর্ড ভিত্তিক কোনো চুক্তি। এখন এফটিপির আওয়ায় চলছে আইসিসির টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলো। পাশাপাশি নিজেরা আলোচনা করেও হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। ফলে ম্যাচ সংখ্যাও বাড়ছে। সময়ের ব্যবধান কমে আসছে।

এমএমআ

 

 

সর্বশেষ সংবাদ