শেষ ৩ মরদেহ বাড়ীর পথে

প্রকাশিত: ১০:০৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০১৮

শেষ ৩ মরদেহ বাড়ীর পথে

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক, ঢাকা: নেপালে প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত নজরুল ইসলাম, পিয়াস রায় ও মোহাম্মদ আলিফুজ্জামানের মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্য নেওয়া হচ্ছে। এই তিনজন নিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত ২৬ জনেরই মরদেহ দেশে আনা হলো।

 ২২ মার্চ বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেইট দিয়ে মরদেহবোহী অ্যাম্বুলেন্স গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে বের হয়েছে।

নিহত তিনজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নজরুল ইসলামের মরদেহ রাজশাহী, পিয়াস রায়ের বরিশালে ও মোহাম্মদ আলিফুজ্জামানের মরদেহ খুলনায় নেওয়া হবে।

এর আগে বিকেল ৪টা ৫৫মিনিটে ওই তিন জনের মরদেহবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারল্যাইন্সের বিজি ০৭২ নামে একটি ফ্লাইট শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় ৮ নম্বর গেইটের বাইরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শাহজাহান কামাল, সিভিল এভিয়েশন এবং ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  মৌ, পরীমণি রজনীগন্ধায় ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে

পরবর্তীতে পৃথক তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ এ তিনটি এয়ারলাইন্স আগে থেকেই বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেইটে এনে রাখে।

অন্যদিকে দুপুর থেকেই বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেইটে নজরুল ইসলামের দুই মেয়ে নারগিস আক্তার কনক, বড় মেয়ে নাজিন আক্তার কাকন, পিয়াস রায়ের বাবা সুখেন্দু বিকাশ রায়, মোহাম্মদ আলিফুজ্জামানের বোন খাদিজা খাতুন, এক দুলা ভাই ও খালা তাদের মরদেহর জন্য অপেক্ষা করেন।

এর আগে তিনজনের মরদেহ নিয়ে নেপাল সময় সাড়ে তিনটায় উড়াল দেয় ঢাকার পথে। দুপুর দেড়টায় সিডিউল সময় থাকলেও ফ্লাইট বিলম্ব হবে বলে জানায় বাংলাদেশ দূতাবাস।

সকালে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচিং কলেজ থেকে ওই তিন মরদেহ দূতাবাসে নেওয়া হয়। প্রথম জানাজা শেষে মরদেহগুলো ওখান থেকে নেওয়া হয় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে।

গত ১২ মার্চ ইউএস-বাংলার বিএস২১১ ফ্লাইট বিধ্বস্ত হলে ২৬ বাংলাদেশি, ২২ নেপালি ও ১ চীনা নাগরিক নিহত হন।

আরও পড়ুন  সিরাজগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ২

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ