সিলেট | |
প্রকাশিত: 1:43 PM, May 28, 2018
প্রভাতবেলা প্রতিবেদকঃ আজকের আদেশের পর খালেদা জিয়ার মুক্তিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
কুমিল্লার নাশকতার দুই মামলায় জামিনের পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনে মুক্তিতে আর আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
তিনি বলেন, তবে এরপর সরকারের যদি অসৎ উদ্দেশ্য থাকে তাহলে কোনো মামলায় অ্যারেস্ট দেখাবে।
কুমিল্লার নাশকতার দুই মামলায় ৬ মাসের জামিন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আর নড়াইলের মানহানি মামলার জামিন আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ মে) বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।
আদেশের পর কুমিল্লার মামলার বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, একটিতে ছয় মাসের জামিন দিয়ে রুল দিয়েছেন। অপরটিতে ছয়মাসের জামিন দিয়েছেন। অফিসিয়ালি খালেদা জিয়া তিনটি মামলায় অ্যারেস্ট আছেন। একটা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট, যেটাতে আগেই জামিন পেয়েছেন। আর বাকি দুইটায় আজ জামিন হয়েছে। এখন অন্য কোনো মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট নেই। আজকের আদেশের পর খালেদা জিয়ার মুক্তিতে আইনগত বাধা নেই। তবে এরপর সরকারের যদি অসৎ উদ্দেশ্য থাকে তাহলে কোনো মামলায় অ্যারেস্ট দেখাবে’।
নড়াইলের মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আবেদন করেছিলাম। সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দেননি। পরে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করেছি। এটা জামিনযোগ্য অপরাধ। হাইকোর্টও জামিন দিতে পারে। তখন আদালত আমাদের বলেছেন,জজকোর্ট (মামলাটির বিচারিক আদালত) ঘুরে আসেন। জজ কোর্ট কোনও আদেশ না দিলে আমরা দেখবো।’
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘এখন আমরা নড়াইলে যাবো। সেখানে দরখাস্ত করবো।
নড়াইলের মামলায় আপনাদের কোনও ভুল আছে কিনা এমন প্রশ্নে খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘আমাদের কোনও ভুল নেই।’
এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেন, দুইটি মামলায় ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে নড়াইলের মামলা উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন।
খালেদা জিয়ার আরকে আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘নড়াইলের মামলায় ২৫ তারিখ শুনানি ছিল। ওই দিন বন্ধের দিন। সেখানে আদেশ দিয়ে ৩০ তারিখ শুনানি রেখেছে। সেটা আমাদেরকে জানায়নি। আমরা সেশন কোর্টে আবেদন করিনি, তাই নট প্রেস (উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ) করেছেন।’
এর আগে গত ২০ মে কুমিল্লা ও নড়াইলের পৃথক তিন মামলায় হাইকোর্টের অনুমতির পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে জামিন আবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ২১ মে আদালতে খালেদা জিয়ার দুই মামলায় জামিন শুনানির দিন ধার্য থাকলেও প্রস্তুতি না থাকার বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এরপর আদালত তার আবেদন মঞ্জু করে এ বিষয়ে গত ২২ মে শুনানির দিন ধার্য করেন। এদিন আংশিক শুনানি নিয়ে মামলাটি ২৩, ২৪ ও ২৭ মে আবারও শুনানি হয়। সেই শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য আজ সোমবার (২৮ মে) আদালত আদেশ দিলেন।
২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি বাসে পেট্রোলবোমা ছোড়া হয়। এ ঘটনায় ৭ জন যাত্রী মারা যান এবং আরও ২৫-২৬ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় পরদিন (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। বিচারকালে দায়রা আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। সেই জামিন আবেদনের পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য রাখা হয়েছে। কিন্তু এ অবস্থায় গত ৫ এপ্রিল এ মামলায় খালেদা জিয়াকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। তাই ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
মামলাটি কুমিল্লার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ১-এ চলমান। ২০১৭ সালের ৯ অক্টোবর এ মামলায় অভিযোগ আমলে নেন আদালত। পরে গত ২৩ এপ্রিল এ মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। কিন্তু আদালত আবেদনটির পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য রাখেন। এ অবস্থায় শুনানি না করে এ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আপিল আবেদন করা হয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি প্রধান। সেখানে বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারেও বিরূপ মন্তব্য করেন তিনি। তার এ বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচার হয়।
২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে নড়াইলের চাপাইল গ্রামের রায়হান ফারুকী ইমাম নামে এক ব্যক্তি এ সংক্রান্ত খবর পড়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর আমলি আদালতে মানহানির মামলা করেন। এ মামলা উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এখন নিম্ন আদালত থেকে কোনো আদেশ নিয়ে এ মামলায় ফের হাইকোর্টে আসতে হবে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় করাগারে।
কুমিল্লার নাশকতার দুই মামলায় ৬ মাসের জামিন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আর নড়াইলের মানহানি মামলার জামিন আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ মে) বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।
কুমিল্লার নাশকতার দুই মামলায় জামিনের পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনে মুক্তিতে আর আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
আদেশের পর কুমিল্লার মামলার বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, একটিতে ছয় মাসের জামিন দিয়ে রুল দিয়েছেন। অপরটিতে ছয়মাসের জামিন দিয়েছেন।
অফিসিয়ালি খালেদা জিয়া তিনটি মামলায় অ্যারেস্ট আছেন। একটা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট, যেটাতে আগেই জামিন পেয়েছেন। আর বাকি দুইটায় আজ জামিন হয়েছে। এখন অন্য কোনো মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট নেই। আজকের আদেশের পর খালেদা জিয়ার মুক্তিতে আইনগত বাধা নেই। তবে এরপর সরকারের যদি অসৎ উদ্দেশ্য থাকে তাহলে কোনো মামলায় অ্যারেস্ট দেখাবে।
নড়াইলের মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আবেদন করেছিলাম। সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দেননি। পরে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করেছি। এটা জামিনযোগ্য অপরাধ। হাইকোর্টও জামিন দিতে পারে। তখন আদালত আমাদের বলেছেন,জজকোর্ট (মামলাটির বিচারিক আদালত) ঘুরে আসেন। জজ কোর্ট কোনও আদেশ না দিলে আমরা দেখবো।’
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘এখন আমরা নড়াইলে যাবো। সেখানে দরখাস্ত করবো।
নড়াইলের মামলায় আপনাদের কোনও ভুল আছে কিনা এমন প্রশ্নে খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘আমাদের কোনও ভুল নেই।’
এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেন, দুইটি মামলায় ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে নড়াইলের মামলা উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন।
খালেদা জিয়ার আরকে আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘নড়াইলের মামলায় ২৫ তারিখ শুনানি ছিল। ওই দিন বন্ধের দিন। সেখানে আদেশ দিয়ে ৩০ তারিখ শুনানি রেখেছে। সেটা আমাদেরকে জানায়নি। আমরা সেশন কোর্টে আবেদন করিনি, তাই নট প্রেস (উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ) করেছেন।’
এর আগে গত ২০ মে কুমিল্লা ও নড়াইলের পৃথক তিন মামলায় হাইকোর্টের অনুমতির পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে জামিন আবেদন দাখিল করা হয়। এরপর ২১ মে আদালতে খালেদা জিয়ার দুই মামলায় জামিন শুনানির দিন ধার্য থাকলেও প্রস্তুতি না থাকার বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এরপর আদালত তার আবেদন মঞ্জু করে এ বিষয়ে গত ২২ মে শুনানির দিন ধার্য করেন। এদিন আংশিক শুনানি নিয়ে মামলাটি ২৩, ২৪ ও ২৭ মে আবারও শুনানি হয়। সেই শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য আজ সোমবার (২৮ মে) আদালত আদেশ দিলেন।
২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি বাসে পেট্রোলবোমা ছোড়া হয়। এ ঘটনায় ৭ জন যাত্রী মারা যান এবং আরও ২৫-২৬ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় পরদিন (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। বিচারকালে দায়রা আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। সেই জামিন আবেদনের পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য রাখা হয়েছে। কিন্তু এ অবস্থায় গত ৫ এপ্রিল এ মামলায় খালেদা জিয়াকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। তাই ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
মামলাটি কুমিল্লার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ১-এ চলমান। ২০১৭ সালের ৯ অক্টোবর এ মামলায় অভিযোগ আমলে নেন আদালত। পরে গত ২৩ এপ্রিল এ মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। কিন্তু আদালত আবেদনটির পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য রাখেন। এ অবস্থায় শুনানি না করে এ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আপিল আবেদন করা হয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি প্রধান। সেখানে বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারেও বিরূপ মন্তব্য করেন তিনি। তার এ বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচার হয়।
২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে নড়াইলের চাপাইল গ্রামের রায়হান ফারুকী ইমাম নামে এক ব্যক্তি এ সংক্রান্ত খবর পড়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর আমলি আদালতে মানহানির মামলা করেন। এ মামলা উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এখন নিম্ন আদালত থেকে কোনো আদেশ নিয়ে এ মামলায় ফের হাইকোর্টে আসতে হবে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় করাগারে।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি