হাকালুকি পাড়ের কৃষক পরিবারে হাসির ঝিলিক

প্রকাশিত: ৯:৪৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৩, ২০২০

হাকালুকি পাড়ের কৃষক পরিবারে হাসির ঝিলিক

 

হাকালুকি হাওর পারের কৃষক পরিবারে আনন্দ হাসির ঝিলিক। দু-সপ্তাহ ধরে বোরা ধান কাটছেন চাষিরা।
ধান কাটার প্রথম দিকে শ্রমিক সংকট ও কিছু-কিছু স্থানে শিলাবৃষ্টিসহ আকাশের অবস্থার কিছুটা প্রতিকূলতায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন কৃষকেরা।
এরই মধ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন সহযোগিতায় উৎসাহিত হয়ে, স্বাচ্ছন্দ ধান কেটে  ঘরে তুলছেন কৃষকরা।

বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা হাকালুকি হাওড়সহ স্থানীয় হাওড়গুলোর বোরো চাষিরা প্রভাতবেলা’কে জানান, “ইনশা আল্লাহ্” আমাদের পরিশ্রম বিফল হবে না। শিলাবৃষ্টি বা প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগের প্রভাব আমাদের ফসলের উপর এখনো পড়েনি। ফলন ভালোই হয়েছে।

অধিকাংশ ধান আমরা ঘরে তুলেছি, কিছুটা মাড়াই হচ্ছে, কাটার বাকি যেটুকু রয়েছে সেটা দু-চার দিনের মধ্যেই কেটে ঘরে তুলতে পারবো। এছাড়া প্রাকৃতিক পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে, ক্ষতির সম্ভাবনাও প্রায় কেটে গেছে। যারজন্যে কাটার বাকি ধানগুলো স্বাভাবিক ভাবে ঘরে তুলা সম্ভব হবে বলে মনে করি। তবে, জমিনে নয়, রিজিকের ফায়সালা আকাশে। তাই নিরাশ হওয়ার কিছুই নাই। বলেন কৃষক পরিবারের মানুষ।

আরও পড়ুন  কারচালকের বেঁচে যাওয়ার মর্মস্পর্শী বর্ণনা

জুড়ী উপজেলা প্রশাসন ১লা বৈশাখ থেকে রোরো ধান ঘরে তুলতে উদ্যোগ গ্রহণ করে। সব শ্রেণী পেশার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে কৃষকের পাশে দাঁড়াবার। কৃষককে উৎসাহ দিতে কাস্তে হাতে মাঠে নামেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম জাকির হোসেন। স্থানীয় যুবলীগ, ছাত্রলীগও পাশে দাঁড়ায় জুড়ী অঞ্চলের রোরো চাষীর পাশে।

তাইতো আজ জুড়ী উপজেলার হাকালুকি পাড়ের কৃষক পরিবারে আনন্দ। চোখে মুখে হাসির ঝিলিক। এই করোনা সংকটে অন্তত পক্ষে ভাতের সংস্থান ঘরে আছে । তাতে আছে কিছুটা হলেও নিশ্চয়তা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ