তালুকদার খালেক কেসিসি’র মেয়র

প্রকাশিত: ১০:৩৮ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৮

প্রভাতবেলা সংবাদদাতাঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) তালুকদার আবদুল খালেক বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন এক লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৮ হাজার ৯৫৬ ভোট।

তবে এখনো খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নির্বাচন কমিশন স্থাপিত অস্থায়ী ঘোষণা কেন্দ্র থেকে কোনো ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।

মোট ২৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে দুটি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর একটি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন খালেক অন্যটিতে মঞ্জু।

সারাদিন কয়েকটি কেন্দ্রে দখল, অনিয়ম ও অভিযোগ উঠে।  ব্যালট পেপারে জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনা ঘটেছে  কোথাও কোথাও। কয়েকটি  কেন্দ্রে সুষ্ঠু ভোটও হয়েছে অনেক।

এতসব অভিযোগ তোলে বিএনপির প্রার্থী। মঞ্জু  বলেন, অন্তত ৪০টি কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে আমল দেননি খুলনা আ’লীগের মেয়র প্রার্থী খালেক। তিনি বলেন, ভোট ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে যুবলীগের শ্রদ্ধা

ভোটের সময় জাল ভোটের অভিযোগে একটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল ও দুটি কেন্দ্র এবং একটি বুথে ভোট স্থগিত করা হয়। এর বাইরে একটি কেন্দ্রের অদূরে বিএনপির নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে।

২৪ নং ওয়ার্ডের সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। নৌকা প্রতীকে সিল মারার ঘটনায় এছাড়া রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ভোট স্থগিত হয়।

জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে চারটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে। দুপুরে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের লবণচোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৌকা মার্কায় সিল মারার অভিযোগে কেন্দ্রটিতে ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে।

২২ নম্বর ওয়ার্ডের ফাতিমা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি বুথে স্থগিত করা হয় ভোট। সেখানেও নৌকা মার্কায় সিল মারা হচ্ছিল ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী আব্দুল মালেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রেও জাল ভোট দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ