তিন হুজি নেতার মৃত্যু পরোয়ানা

প্রকাশিত: ১:০৩ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০১৭

প্রভাতবেলা ডেস্ক: সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলা ও তিনজনকে হত্যার দায়ে হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল এবং দেলওয়ার ওরফে রিপনের মৃত্যু পরোয়ানা সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিচারিক আদালত থেকে এ পরোয়ানা কারাগারে পৌঁছে। সিলেটের জেল সুপার ছগির আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘হুজি নেতা মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল এবং দেলওয়ার ওরফে রিপনের মৃত্যু পরোয়ানা আমরা কাশিমপুর কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইলে আপাতত এ পরোয়ানা সাইলেন্স থাকবে। সিলেট কারাগারে থাকা দেলওয়ার ওরফে রিপন তার আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে প্রাণভিক্ষার সিদ্ধান্ত নেবেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘এর আগেও মৃত্যু পরোয়ানা এসেছে। তবে আসামিরা রিভিউসহ অন্যান্য আইনী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় তা সাইলেন্স থাকে।’

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গাদের ইচ্ছায় ভাসানচরে স্থানান্তর চায় জাতিসংঘ

এর আগে, বুধবার সকালে এ তিন জঙ্গির রিভিউ আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি পাওয়ার পর দেলওয়ার ওরফে রিপনকে শুনানো হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের প্রধান ফটকে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত এবং আনোয়ার চৌধুরীসহ ৭০ জন আহত হন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল ওরফে বিপুল, দেলওয়ার ওরফে রিপনকে মৃত্যুদন্ড এবং মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন দ- দেন সিলেট দ্রুত বিচার আদালত।

রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিরা। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি পূর্বোক্ত রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। পরে আসামিদের আপিল গত ৭ ডিসেম্বর খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আসামিরা রিভিউ আবেদন করেন। ১৯ মার্চ সে আবেদন খারিজ হয়। পরে গতকাল মঙ্গলবার রিভিউ খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ