পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত

প্রকাশিত: ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৮

প্রভারবেলা প্রতিবেদকঃ আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি কামনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো মহিমান্বিত পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর।

 

১২ জুন ( মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত লাভের আশায় সারা দেশের মসজিদ, মাদ্রাসা, ইবাদতখানা এবং ঘরে ঘরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নামাজ, জিকির আসকারসহ সারা রাত ইবাদত বন্দেগিতে মগ্ন ছিলেন।

 

রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের এক বেজোড় তারিখের রাতে মুসলমানদের ইহকাল-পরকালের দিক নির্দেশনামূলক পবিত্র কোরআন শরীফ নাজিল হয়েছিল।

 

লাইলাতুল কদরের রাতে পবিত্র কোরআন শরীফ অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘আল-কদর’নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

সারা বিশ্বের মুসলমানের কাছে সওয়াব হাসিল আর গুনাহ্ থেকে পানাহ চাওয়ার রাত হিসেবে শবে কদরের রয়েছে অতুলনীয় মর্যাদা। তাই নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, ইবাদত বন্দেগি, জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহিমান্বিত এ রাত পালন করেন।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই স্থায়ী সমাধান : চীনা রাষ্ট্রদূত

 

রাতভর ইবাদতের পর মোনাজাতে দু’হাত তুলে আল্লাহর কাছে পানাহ্ চান সবাই।

 

আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি কামনার মধ্য দিয়ে পালিত হলো মহিমান্বিত রজনী পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর।

শবে কদরে রাতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমসহ সারাদেশের মসজিদে ইবাদত করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। অনেকে বাড়ি বসেও ইবাদত করেন।

সারা বিশ্বের মুসলমানের কাছে সওয়াব হাসিল আর গুনাহ্ থেকে পানাহ চাওয়ার রাত হিসেবে শবে কদরের রয়েছে অতুলনীয় মর্যাদা।

 

কোরআন নাজিলের মাস মাহে রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতগুলোর কোনো একটিই এই পুণ্যময় লাইলাতুল কদর। তবে ওলামায়ে কেরামরা মনে করেন, রমজান মাসের ২৬তম দিনের শেষের রাতটিই লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা সর্বাধিক। সেই হিসাবে এই রাতটিকেই লাইলাতুল কদর হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসলিম নর-নারীরা সারারাত নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির আসগারে মগ্ন থাকেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ