শামীম ইকবাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অভিযোগ

প্রকাশিত: ৩:২১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০১৭

প্রভাতবেলা ডেস্ক: সিলেটে ‘সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ’ শামীম ইকবাল চক্রের হাতে জিম্মি শাহজালাল উপশহরবাসী। এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্টান ও বাসাবাড়ি থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে থাকে শামীম চক্র। অতিষ্ট এলাকাবাসী বুধবার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে এমন অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে এলাকার শান্তি-শৃংখলা রক্ষার্থে সন্ত্রাসী শামীম ইকবাল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানানো হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ করেছেন শাহজালাল উপশহরের বর্তমান বাসিন্দা ও তানহা ফ্যাশন টেইলার্স-এর স্বত্বাধিকারী মার্জিয়া বেগম রুমা। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ১৬নং ডকেটে বুধবার এ অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযোগে প্রকাশ, নগরীর শাহজালাল উপশহর ই-ব্লকের ২০২ নং বাসার মৌলভী রফিক মাস্টারের পুত্র শামীম ইকবাল। নিজেকে শাসকদল যুবলীগের নেতা পরিচয়ে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ চক্র গড়ে তুলেছেন তিনি। উপশহর এলাকার প্রত্যেকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের বাসাবাড়ি থেকে তিনি নিয়মিত চাঁদা আদায় করে থাকেন। গত প্রায় ২ বছর ধরে শামীম ইকবাল ও তার সন্ত্রাসী চক্র উপশহর এলাকাবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে। তাদের চাঁদা না দিয়ে কেউই ব্যবসা করতে পারেন না,এমনকি বাসা বাড়ির দখলেও থাকতে পারেন না। শামীম ইকবাল প্রায়ই সশস্ত্র ক্যাডারদের নিয়ে এলাকায় মহড়া দিয়ে জনমনে ভীতির সঞ্চার করে থাকেন। তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে এবং চাঁদা না দিলে হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে থাকেন তিনি। শামীম ইকবাল তার দলবল নিয়ে তানহা ফ্যাশন টেইলার্সের মালিকের কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। চাঁদা না দেয়ায় এবছরের ফেব্র“য়ারী থেকে দোকানটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে করেও চাঁদা আদায় করতে না পেরে তার দলীয় লোকদের দেয়া মিথ্যে মামলায় প্রতিষ্টানে মালিক রুমা’র কলেজ পড়–য়া ছেলে তাহমিদকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন। ফলে কলেজছাত্র তাহমিদ’র লেখাপড়া বন্ধ রয়েছে। শামীম ইকবাল ও তার চক্রের বিরুদ্ধে এসএমপির শাহপরাণ থানায় একাধিক মামলা (নং ০৪(৮)১৬ ও মামলা নং-১৫(৩)১৭) থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তাকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ। এছাড়াও এসএমপির অন্যান্য থানায়ও শামীম ইকবাল ও তার সশস্ত্রদের বিরুদ্ধে বহু মামলা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। আবেদনে শামীম ইকবাল ও তার সহযোগীদের সশস্ত্র সন্ত্রাসী দাবি করে তাদের বিরুদ্দে প্রতিরোধমূলক আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবি জানানো হয়।
সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ডকেট শাখা অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ