সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ৯:৩৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩০, ২০২০

সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

 

মাঠে ময়দানে ডেস্ক:

 

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের যুবারা। ব্যাটসম্যানদের নৈপুণ্যের পর লেগ স্পিনার রাকিবুলের তাণ্ডবে সুপার লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে ১০৪ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে আকবর আলীর দল।

 

বাংলাদেশের দেওয়া ২৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার তানজীম হাসান সাকিব। দলীয় ৩৪ রানে কোটানিকে (১৫) শাহাদাত হোসেনের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান সাকিব। এরপর ৫৬ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে দ্বিতীয় ধাক্কাটি দেন রাকিবুল হাসান। ৩ রান পর প্রোটিয়া অধিনায়ক পারসন্সকে (৭) আউট করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন রাকিবুল। ৭৭ রানে আবারও উইকেটের দেখা পান সাকিব।

 

৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের বিপর্যয়ে হাল ধরার চেষ্টা করেন লুক বিউফোর্ট। তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেনি বাকিদের কেউই। রাকিবুলের বোলিং তোপে অসহায় আত্মসমর্পণ করে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। ফলে ৪২.৩ ওভারে ১৫২ রানেই গুটিয়ে যায় তারা। ১০৪ রানের বড় জয় দিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। প্রোটিয়াদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন বিউফোর্ট।

আরও পড়ুন  জার্মানীতে ফুটপাতে গাড়ী: নিহত ২,আহত ১৫

 

রাকিবুল একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। ৯.৩ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৯ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন এ বোলার। এছাড়া ৭ ওভারে ৪১ রানে ২ উইকেট নেন সাকিব।

 

এর আগে, সুপার লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিকদের বিপক্ষে আকবর আলীরা টসে হেরে ব্যাট করতে নামে। শুরুতে কিছুটা মন্থর গতিতে রান আসে। প্রথম পাঁচ ওভারে মাত্র ১৫ রান পায় টাইগাররা। পরে দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তামিম মিলে দারুণ জুটি গড়েন। ৬০ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন পারভেজ ইমন (১৭)।

 

দলীয় ৬০ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ১৩ রান যোগ না হতেই ফিরে যান মাহমুদুল হাসান জয় (৩)। দুর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হন মাহমুদুল।

 

দুই উইকেট হারালেও একপ্রান্ত আগলে রেখে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে গড়ে তোলেন ৫৭ রানের জুটি। দলীয় ১৩০ রানে আউট হন তামিম। আউট হওয়ার আগে তিনি খেলেন ৮৪ বলে ৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। এ রান করতে তামিম হাঁকান ১২টি চার।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-ফ্রান্স দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে: প্রধানমন্ত্রী

 

তামিম বিদায় নিলেও দলের বিপদ বাড়তে দেননি হৃদয় ও শাহাদাত। চতুর্থ উইকেটে তারা গড়ে তোলেন ১০২ রানে বড় জুটি। দুইজনই তুলে নেন ফিফটি। ৫১ রান করে হৃদয় আউট হলে ভাঙে তাদের জুটি। ক্রিজে এসে থিতু হতে পারেননি শামিম। মাত্র ১ রান করে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে রান আউটের শিকার হন তিনি।

 

এরপর অধিনায়ক আকবর আলীকে নিয়ে অপরাজিত থেকে ক্রিজ ছাড়েন শাহাদাত। এ দুইজন মাত্র ১৭ বলে স্কোরবোর্ডে জমা করেন ২৬ রান। ৭৪ রানে শাহাদাত ও ১৬ রানে আকবর আলী অপরাজিত থাকেন।

 

প্রভাতবেলা/এমএ

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ