নূর হোসেন-তারেক সাঈদসহ ২৬ জনের ফাঁসি

প্রকাশিত: 2:46 PM, January 16, 2017

প্রভাতবেলা ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ২৬ জনের ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন আজ সোমবার এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নূর হোসেন, তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন, মাসুদ রানা, হাবিলদার এমদাদুল হক, আরওজি-১ আরিফ হোসেন, ল্যান্সনায়েক হীরা মিয়া, ল্যান্সনায়েক বেলাল হোসেন, সিপাহী আবু তৈয়ব, কনস্টেবল মো: শিহাব উদ্দিন, এসআই পুর্নেন্দ বালা, র‌্যাবের সদস্য আসাদুজ্জামান নূর, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দিপু, রহম আলী, আবুল বাশার, নূর হোসেনের সহযোগী মোর্তুজা জামান চার্চিল, সেলিম, সানাউল্লাহ সানা, শাহজাহান, জামালউদ্দিন, সৈনিক আবদুল আলী, সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, আলামিন শরিফ, তাজুল ইসলাম, এনামুল কবীর।

এছাড়া এ মামলার বাকি নয় আসামিকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড।

রায় ঘোষণার সময় মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা ২৩ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন র‍্যাবের সদস্য। মামলার শুরু থেকেই র‍্যাবের সাবেক ৮ সদস্যসহ ১২ আসামি পলাতক।

আরও পড়ুন  শিবিরের নতুন কমিটি: সালাউদ্দিন সভাপতি, রাশেদ সেক্রেটারী

সাত খুনের মামলায় মোট ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পলাতক আসামিরা হলেন- করপোরাল মোখলেছুর রহমান, সৈনিক আবদুল আলীম, সৈনিক মহিউদ্দিন মুনশি, সৈনিক আল আমিন, সৈনিক তাজুল ইসলাম, সার্জেন্ট এনামুল কবীর, এএসআই কামাল হোসেন, কনস্টেবল হাবিবুর রহমান এবং নূর হোসেনের সহযোগী সেলিম, সানাউল্লাহ ছানা, ম্যানেজার শাহজাহান ও ম্যানেজার জামাল উদ্দিন।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের সামনে থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে অপহরণ করা হয়।

একই সময়ে একই স্থানে আরেকটি গাড়িতে থাকা নারায়ণগঞ্জ আদালতের প্রবীণ আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার চালককে অপহরণ করা হয়।

ঘটনার তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল বন্দর উপজেলা শান্তির চর এলাকায় শীতলক্ষ্যা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছয়জনের এবং ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রত্যেকের পেটে ছিল আঘাতের চিহ্ন; প্রতিটি লাশ ইটভর্তি দুটি করে বস্তায় বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন  মোহাম্মদপুরে ক্লিনিকে এসি বিস্ফোরণে চিকিৎসকসহ দুজন দগ্ধ

এ ঘটনায় নিহত কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল পৃথক মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর পর ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের আদালতে ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মামনুর রশিদ মণ্ডল।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ