শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ইয়ুথ সেন্টারকে ৮ রানে হারিয়েছে ইয়াং পেগাসাস

প্রকাশিত: ৭:৩১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০২৪

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ইয়ুথ সেন্টারকে ৮ রানে হারিয়েছে ইয়াং পেগাসাস

তানজীল শাহরিয়ার :লিগে শিরোপা লড়াইয়ের মধ্যে অন্য লড়াইও থাকে, তরুণ আর উঠতি ক্রিকেটারদের নিয়ে দলগুলোর মূল লক্ষ্য থাকে অবনমন এড়িয়ে লিগে টিকে থাকা নিশ্চিত করা। মাঝারি মানের দলের ম্যাচগুলোতেও তাই উত্তেজনা থাকে। তেমনই এক উত্তেজনাকর লড়াইয়ে ইয়াং পেগাসাস ইয়ুথ সেন্টারকে হারিয়ে সিলেট লিগে ১ম জয় তুলে নিয়েছে।

 

 

টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইয়াং পেগাসাস। একাদশ অভারের শেষ বলে উদ্বোধনী জুটি ছিন্ন হবার আগে স্কোরবোর্ডে ৫২ রান তুলে দারুণ সূচনা করে ইয়াং পেগাসাস। এই জুটিতে রহিমের অবদান ছিলো ১০ রান! অন্য অপেনার রাহি একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করে গেছেন।

 

 

১৮তম অভারে দলীয় ৬৬ রানে জোড়া ধাক্কা খায় ইয়াং পেগাসাস। ইয়ুথ সেন্টারের শামিমের বলে ইমরান এবং উদয় সাজঘরে ফেরত যান। তবে এই অবস্থা থেকে পেগাসাসকে ফের চালকের আসনে নিয়ে আসে রাহি এবং সৌরভের দায়িত্বশীল ব্যাটিং। রাহি ৭১ রান করে শামিমের বলে যখন আউট হয়ে ফিরছেন তখন স্কোরবোর্ডে ১২৭ রান।

 

 

এরপর আর কোনো বড়ো জুটি গড়তে না পারলেও ছোট ছোট জুটিতে ভর করে ইয়াং পেগাসাস ৫০ অভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করে।

আরও পড়ুন  নার্গিসের অবস্থা আশঙ্কাজনক: বিক্ষোভে উত্তাল সিলেট

 

 

সৌরভ ২৩, আকাশ ১৭, ইমন ১৩, উমেদ ১২ রান করেন।

 

 

ইয়ুথ সেন্টারের শামিম ১০ অভারে ৪২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন, সালমান ১৬ রান দিয়ে ৩টি উইকেট লাভ করেন। এছাড়া রাহেল ১টি উইকেট পেয়েছেন।

 

 

১৯৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২য় অভারেই উইকেট হারায় ইয়ুথ সেন্টার। আজুয়াদ দীপনের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে আউট হন, স্কোর তখন মাত্র ৬!

 

 

২য় উইকেটে ৩৬ রান তুলে পরিস্থিতি সামাল দেন অপেনার লিমন এবং তিনে নামা শাকিল। শাকিল ২৩ রান করে ফিরে আসলেও ৩য় উইকেটেও ৫৩ রান যোগ করেন অধিনায়ক রায়হান এবং লিমন। ৯৫ রানে লিমন এবং ৯৬ রানে শামিমের উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় ইয়ুথ সেন্টার।

 

 

৫ম উইকেটে ৪৫ রান তুলে রায়হান এবং ফয়সাল রান তাড়ায় টিকিয়ে রাখেন ইয়ুথ সেন্টারকে। ১৪২ রানে এই জুটি ভাঙতে সক্ষম হয় ইয়াং পেগাসাস।

আরও পড়ুন  ব্যবসায়ী মুক্তাদিরের অবস্থা সংকটাপন্ন

 

 

হাতে ৫ উইকেট নিয়ে ৭.৫ অভারে ৫২ রান তুলতে হতো ইয়ুথ সেন্টারকে। পেগাসাসের বোলারদের কুশলী বোলিংয়ের মোকাবেলায় শেষদিকে ভজঘট পাকিয়ে ফেলে ইয়ুথ সেন্টারের তরুণ ব্যাটাররা।

 

 

সাইমন, আকাশ,ইমনের যূথবদ্ধ বোলিংয়ে ৪৩ রানে শেষদিকে ৬ উইকেট হারায় ইয়ুথ সেন্টার। জয় থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতেই অলআউট হয় ইয়ুথ সেন্টার। তখনো ১ অভার বাকি ছিলো!

 

 

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইয়াং পেগাসাস ক্লাব।

 

 

ইয়ুথ সেন্টারের রায়হান ৪৮, লিমন ৩৫, ফয়সাল ২৭, শাকিল ২৩, সালমান ১৭, নাঈম ১৬ রান করেন।
ইয়াং পেগাসাসের আকাশ ১০ অভার বল করে ৩৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন। ইমন এবং সাইমন ২টি করে, দীপন ১টি উইকেট লাভ করেন।

 

 

অনবদ্য ৭১ রানের ইনিংস খেলা রাহি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার পেয়েছেন।

 

 

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে এগিয়ে গেলো ইয়াং পেগাসাস।

সর্বশেষ সংবাদ