সিলেট | |
প্রকাশিত: 7:28 PM, September 7, 2016
ঈদুল আয্হা ও কুরবানীর ফাযায়িল ও মাসায়িল
যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ফযীলত
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণীত, নবী করীম সা. ইরশাদ করেন :
مَا مِنْ اَيَّامٍ اَحَبُّ اِلَى اللهِ اَنْ يُّتَعَبَّدَلَه فِيْهَا مِنْ عَشْرِذِى الْحَجَّةِ يَعْدِلُ صِيَامُ كُلِّ يَوْمٍ مِّنْهَا بِصِيَامِ سَنَةٍ وَقِيَامُ كُلِّ لَيْلَةٍ مِّنْهَا بِقِيَامِ لَيْلَةِ الْقَدْرِ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন :
مَا مِنْ اَ يَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِـحُ فِيْهِنَّ اَحَبُّ اِلَى اللهِ مِنْ هذِهِ الْاَيَّامِ الْعَشْرَةِ قَالُوْا يَا رَسُوْلَ للهِ وَلَا الْجِهَادُ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ؟ قَالَ وَلَا الْجِهَادُ فِىْ سَبِيْلِ للهِ- اِلَّا رَجُلٌ خَرَجَ بِنَـفْسِه وَمَالِه فَلَمْ يَرْجِعْ مِنْ ذالِكَ بِشَىْءٍ
উল্লেখ্য যে, আল কুরআনে সূরায়ে আল ফজরের মধ্যে মহান আল্লাহ তায়ালা দশটি রাতের শপথ করেছেন, অধিকাংশ তাফসীর কারকদের মতে যিল হজ্জের প্রথম দশ রাতকেই উদ্দেশ্য করা হয়েছে। { তাফসীরে মাযহারী, মাআরেফুল কুরআন।}
যিল হজ্জ মাসের নবম দিবস তথা আরফার দিনের ফযীলত
হযরত আবু কাতাদাহ্ রা. বলেন রাসূলুল্লাহ সা. কে আরফার দিনের রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো । তিনি জবাবে বললেন
صِيَامُ يَوْمِ عَرفَةَ اَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ اَنْ يُّكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِىْ قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِىْ بَعْدَه
হযরত আয়েশা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, আরফার দিনের রোযার ছওয়াব এক হাজার দিনের রোযার সমান। { আত তারগীব।}
যিলহজ্জ এর চাঁদ দেখার পর বিশেষ মুস্তাহাব আমল
যিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার পর থেকে চুল, মোঁচ, নখ, বগল ও অন্যান্য স্থান সমূহের লোম না কাটা মুস্তাহাব। হযরত উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত। নবী করীম সা. বলেছেন :
مَنْ رَئ هِلَالَ ذِى الْحَجَّةِ وَاَرَادَ اَنْ يُّضَحِّىَ فَلَا يَأْخُذْ مِنْ شَعْرِه وَلَا مِنْ اَظْفَارِه
এ আমল মাসনূন, ওয়াজিব নয়। ইসলামের ফিকাহ বিশারদগণ বলেছেন ঃ কুরবানী দাতার নখ, চুল, গোফ ইত্যাদি না কাটার পিছনে হিকমত হচ্ছে, হাজীদের সাদৃশ্য ধারণ করা। বলা বহুল্য যে, হাজী সাহেবানদের ইহরাম-বাঁধা অবস্থায় নখ, চুল, গোফ কর্তন না করা এবং এলোমেলো চুল, গোফ ইত্যাদি অপরিমার্জিত আল্লাহর প্রেমে পাগলপাড়া অবস্থাটি আল্লাহর নিকট অত্যাধিক প্রিয়। তাই উক্ত হাদীসে কুরবানী দাতাগণকে আল্লাহর সেই প্রেমিক দেওয়ানাদের সাদৃশ্য অবলম্বনে অনুপ্রাণিত করা হয়েছে।
যার কুরবানীর করার সামর্থ নেই, তার জন্যও এটা ভালো যে, সে কুরবানীর পরিবর্তে তার চুল কাটবে, নখ কাটবে এবং নাভীর নীচের চুল সাফ করবে। একাজ তার কুরবানীর স্থালাভীষিক্ত হবে। { সুনানে আবু দাউদ নাসায়ী।}
যেমন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে আছে- জনৈক ছাহাবী রাসূলুল্লাহ সা. কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তো একটি দুধালু উষ্ট্রি বা ছাগী ছাড়া আর অন্য কিছু নেই। আমি কি উহা দ্বারা কুরবানী করব? দয়ার নবী সা. বললেন না, অতঃপর ইরশাদ করলেন,
خُذْ مِنْ شَعْرِكَ وَ اَظْفَارِكَ وَ تَحْلُقْ عَانِتَكَ فَذلِكَ تَمَامُ اُضْحِيَّتِكَ
তাকবীরে তাশরীকের মাসআলা
যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামায থেকে ১৩ তারিখের আসরের নামায পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) তাকবীরে তাশরীক পড়া ওয়াজিব।
একবারের অধিক তাকবীর বলবে না কারণ, একের অধিক বলার কথা শরীয়তে নেই। { তাহতাবী. পৃষ্ঠা-২৯৪।}
তাবকীরে তাশরীক হচ্ছে
اللهُ اَكْبَرُ – اللهُ اَكْبَرُ، لَا اِلَهَ اِلَّااللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – اللهُ اَكْبَرُ وَللهِ الْحَمْدُ –
যিল হজ্জ মাসের ৯ তারিখকে আরাফার দিন বলে, দশ তারিখকে ইয়াওমুন নাহার বা কুরবানীর দিন বলা হয়।
তাকবীরে তাশরীকের গোড়ার কথা
তাকবীর সম্পর্কে আরো কতিপয় মাসায়েল
১. ইমাম তাকবীর বলতে ভুলে গেলে ও মুক্তাদীর তাকবীর বলা ওয়াজিব। { ফাতওয়ায়ে শামী ১ম খন্ড ৭৭৭ পৃষ্ঠা।}
২. পুরুষেরা তাকবীর উচ্চ-মধ্যম স্বরে আর মহিলাগণ অনুচ্চস্বরে বলবে। পুরুষ উচ্চ স্বরে না পড়ে আস্তে আস্তে পড়লে ওয়াজিব আদায় হবে না।
৩. মাসবুক তার নামায আদায় করে তাকবীর বলবে। { ফাতাওয়ায়ে শামী ১ম খন্ড-৭৮৬পৃষ্ঠা।}
৪. যদি মুসল্লী ফরয নামাযের পর তাকবীর বলতে ভুলে যায়। এবং কিছু কাজ করে ফেলে যার দ্বারা নামায নষ্ট হয়ে যায় (যেমন মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া, অথবা ভূলে বা ইচ্ছায় কথা বলা অথবা ইচ্ছা করে অজু ভঙ্গ করা) তবে তার উপর থেকে তাকবীর বলা রহিত হয়ে যাবে। { ফাতাওয়া শামী ১ম খন্ড, ৭৮৬পৃ।}
১. ঈদের নামায দু’রাকায়াত। ইমাম আবু হানিফার (র.) মতে, এ নামায ওয়াজিব।{ বুখারী ও মুসলিম।}
২. নামাযান্তে মিম্বরে ঊঠে ইমাম সাহেব দু’টি খুৎবাহ প্রদান করবেন। এ খুৎবাহ সুন্নাত। আর মুক্তাদীদের জন্য শ্রবণ করা ওয়াজিব। { সহীহ আল বুখারী ও সহীহ আল মুসলিম।}
৩. ঈদের নামাযে আযান ও ইকামত নেই। { সহীহ্ আল মুসলীম।}
৪. মহিলাদের জন্য ঈদের নামায নেই।{ সহীহ আল বুখারী ও সহীহ আল মুসলিম।}
৫. ঈদের নামায মাঠে আদায় করা সুন্নাত। কেবল বৃষ্টি বা অন্য কোন শরয়ী ওযর থাকলে মসজিদে আদায় করা যায়। { সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজাহ।}
৬. সূর্যোদয়ের পর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঈদের নামাযের সময়। কিন্তু ঈদুল আয্হার নামায ঈদুল ফিতরের নামায হতে অধিক সকালে আদায় করা সুন্নাত। যাতে মুসলমানগণ কুরবানী করে কুরবানীর গোশত দিয়ে সেদিনের খানা শুরু করতে পারে। { মিশকাতুল মাসাবীহ।}
৭. ঈদের নামাযে হানাফী মাযহাব মতে অতিরিক্ত ছয় তাকবীর দেয়া ওয়াজিব।
অতঃপর রুকুতে যাবার পূর্বে আবার অতিরিক্ত ৩টি তাকবীর দিবে এভাবে যে, কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে তাকবীর বলে হাত ছেড়ে দিবে। অতঃপর চতুর্থ তাকবীর তথা রুকুর তাকবীর বলে রুকুতে চলে যাবে। এর পর অবশিষ্ট নামায যথারীতি আদায় করে ছালাম ফিরাবে। তারপর ঈমাম সাহেব মিম্বরে উঠে দুটি খুৎবাহ পড়বেন।
মাসআলা : ঈদের নামাযের পূর্বে ঘরে বা মাঠে কোথাও নফল নামায পড়া মাকরূহ। এমনকি মহিলা সহ ঐ সমস্ত লোক যারা কোন ওজরের কারণে ঈদের নামাযে শরীক হতে পারেনি, তাদের জন্যও ঈদের নামাযের আগে নফল নামায পড়া মাকরূহ, হ্যাঁ নামাযের পর ঘরে নফল নামায আদায় করতে পারবে। { ফাতওয়ায়ে শামী।}
মাসআলা : কেউ ঈদের নামায পড়তে পারলনা বা পড়ার পর কোন কারণে বাতিল হল, তখন আর ক্বাজা পড়া যাবে না।{ মারাকিউল ফালাহ।}
মাসআলা : যদি ঈদের নামাযের জামায়াত বড় হয় আর কোন কারণ বশত: যদি সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়, তাহলে সাহু সিজদা দেয়া জরুরী নয়।
ঈদুল আয্হার দিনের করণীয় ও সুন্নাত আমল সমূহ :
১. সাধ্য ও সামর্থ অনুযায়ী শারীয়ত সম্মত ভাবে সাজ পোশাকের ব্যবস্থা করা এবং খুশী ও আনন্দ প্রকাশ করা।
২. খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা।
৩. মিসওয়াক করা।
৪. ফজরের নামাযের পর ঈদের নামাযের জন্য গোসল করা।
৫. যথা সম্ভব উত্তম ও পরিচ্ছন্ন কাপড়-চোপড় পরিধান করা।
৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৭. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।
৮. ঈদগাহে কিছু না খেয়ে যাওয়া এবং কুরবানীর গোশত দ্বারা সে দিনের খানা শুরু করা মুস্তাহাব।
৯. ঈদের নামায ঈদগাহে পড়া।
১০. কোন ওজর না থাকলে, পায়ে ঁেহটে ঈদগাহে যাওয়া,
১১. ঈদগাহে এক পথ দিয়ে যাওয়া, অন্যপথে ফেরা।
১২. ঈদগাহে যাবার সময় তাকবীরে তাশরীক উচ্চস্বরে পড়া সুন্নাত।
১৩. ঈদুল আয্হার নামায ঈদুল ফিতর হতে অধিক সকালে পড়া।
১৪. ঈদের নামায আদায়ের পর সাহিবে নিসাবের উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।
১৫. ঈদের নামাযের আগে ঘরে বা ঈদগাহে নফল নামাজ না পড়া।
১৬. ঈদের নামাযের পর ঈদগাহে নফল নামায না পড়া।
১৭. আত্মীয়-স্বজনের খোঁজ-খবর নেয়া ও তাদের বাড়ীতে বেড়াতে যাওয়া।
ঈদে শুভেচ্ছা বিনিময়ের ভাষা :
ক. আল্লাহর রাসূলের সাহাবীগণ ঈদের দিন সাক্ষাত কালে একে অপরকে বলতেন تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا و مِنْكَ – আল্লাহ তায়ালা আমার ও আপনার ভাল কাজ গুলো কবুল করুন।
খ.عِيْدٌ مُبَارَكٌ – ঈদ মোবারক বলেও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা যায়।
গ. كُلَّ عَامٍ وَاَنْتُمْ بِخَيْرٍ – প্রতি বছরই আপনারা ভাল থাকুন।
কুরবানীর অর্থ ও পরিচয় :
কুরবানী শব্দের আভিধানিক অর্থ উৎসর্গ করা, রক্ত প্রবাহিত করা, যবেহ করা, আত্মত্যাগ, অপরের জন্য ত্যাগ ও কষ্ট স্বীকার করা।
ইসলামের পরিভাষায়, আল্লাহ তায়ালাকে নিজের জীবন ও ধন-সম্পদের প্রকৃত মালিক স্বীকার করে সেই মহান মালিকের ইচ্ছানুযায়ী তাঁরই সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে এগুলোকে তাঁরই পথে ত্যাগ করার নিদর্শন স্বরূপ নির্দিষ্ট পন্থায়, নির্দিষ্ট দিনে পশু যবেহ করার নামই হচ্ছে কুরবানী।
কুরবানীর শরয়ী মর্যাদা :
কুরবানীর ফযীলত ও মহাত্ম্য :
১. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. হতে বর্ণিত তিনি বলেন :
اَقَامَ رَسُوْلُ اللهِ صلعم بِالْمَدِيْنَةِ عَشْرَ سِنِيْنَ يُضَحِّىْ-
“রাসূলে কারীম সা. মদীনায় দশ বৎসর জীবন যাপন করেছেন সেখানে প্রত্যেক বৎসরই তিনি কুরবানী করেছেন”।{ সুনানে আত তিরমিয়ী।}
২. রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন :
مَنْ كَانَ لَه سَعَةٌ وَلَمْ يُضَحِّ فَلَا يَقْرُبَنَّ مُصَلَّانَا-
“যে ব্যক্তি কুরবানী করার সামর্র্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানী করলনা, সে যেন আমাদের ঈদগাহের ধারে কাছে ও না আসে”। { সুনানে ইবনে মাজাহ (কিতাবুল আদ্বাহী)।}
৩. হযরত জায়িদ ইবনে আরকাম রা. হতে বর্ণিত । তিনি বলেন :
قَالَ اَصْحَابُ رَسُوْلِ اللهِ: يَا رَسُوْلَ اللهِ! مَا هذِهِ الْاَ ضَاحِىْ؟ قَالَ سُنَّةُ اَبِيْكُمْ اِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِ الـسَّلاَمُ- قَالُوْا فَمَا لَنَـا فِيْهَا يَا رَسُوْلَ اللهِ؟ قَالَ بِكُلِّ شَعْرَةٍ حَسَنَةٌ- قَالُوْا فَالصُّوْفُ يَا رَسُوْلَ اللهِ؟ قَالَ بِكُلِّ شَعْرَةٍ مِّنَ الصُّوْفِ حَسَنَةٌ-
“রাসূলুল্লাহর সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! এই কুরবানীটা কি? রাসূলুল্লাহ সা. জবাব দিলেন, এটা তোমাদের পিতা হযরত ইবরাহীম আ. এর সুন্নাত বা আদর্শ। অতঃপর তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, এতে আমাদের জন্য কি ফায়দা বা, সাওয়াব রয়েছে হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন কুরবানীর পশুর প্রতিটি পশমের পরিবর্তে একটি করে নেকী রয়েছে। সাহাবীগণ আবার জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ভেড়া, দুম্বার পশমের ব্যপারে কি কথা? তিনি বললেন, এর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ও একটি করে নেকী পাওয়া যাবে”। { সুনানে ইবনে মাজাহ, মিশকাত শরীফ-১২৯পৃষ্ঠা।}
৪. হযরত আয়েশা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন :
مَا عَمِلَ ابْنُ ادَمَ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ اَحَبَّ اِلَى اللهِ مِنْ اِهْراقِ الدَّمِ وَاِنَّه لَيَأْتِىْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُوْنِهاَ وَاَشْعَارِهَا وَاَظْلاَ فِهَا- وَاِنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ اللهِ بِـمَكَانٍ قَبْلَ اَنْ يَّقَعَ فِى الْاَرْضِ- فَطِيْبُوْابِهَا نَفْسَهاَ-
“মানুষের আমল সমূহ হতে কোন আমলেই আল্লাহর নিকট কুরবানীর দিন কুরবানী হতে অধিক পছন্দনীয় নয়, অবশ্যই কিয়ামতের দিন কুরবানীর জানোয়ার শিং, লোম ও খুর নিয়ে উপস্থিত হবে। যে কুরবানী শুধু আল্লাহর জন্য করা হয়, নিশ্চয়ই সেই কুরবানীর রক্ত জমিনে পতিত হওয়ার পূর্বেই আল্লাহর দরবারে উহা কবুল হয়ে যায়। অতএব, তোমরা ভক্তি ও আন্তরিক আগ্রহ নিয়ে কুরবানী কর”।{ সুনানে আত তিরমিযী।}
৫. হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. বলেন নবী করীম সা. হযরত ফাতেমা যোহরা রা. কে বললেন,ফাতেমা! এসো তোমার কুরবানীর পশুর কাছে দাঁড়িয়ে থাক। এ জন্য যে, তার যে রক্ত কণা মাটিতে পড়বে তার বদলায় আল্লাহ তোমার পূর্বের গুনাহগুলো মাফ করে দেবেন। হযরত ফাতেমা রা. বলেন, এ সুসংবাদ কি আহলে বায়তের জন্য নির্দিষ্ট, না সকল উম্মতের জন্যে? নবী বললেন, আমাদের আহলে বায়তের জন্যেও এবং সকল উম্মতের জন্যেও।{ জামেউল ফাওয়ায়েদ, আসান ফিকাহ।}

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি